| |

ল্যারি গোমস

১৩ জুলাই, ১৯৫৩ তারিখে ত্রিনিদাদের অ্যারিমা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম পেস কিংবা ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। এছাড়াও, কাছাকাছি এলাকায় ফিল্ডিং করে সুনাম কুড়িয়েছেন।

মাঝারিসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৬৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কুলবয়েজ দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৭১-৭২ মৌসুম থেকে ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। তন্মধ্যে, ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত মিডলসেক্সের পক্ষে ৪২টি খেলায় অংশ নিয়ে ২২.২০ গড়ে ১১৯৯ রান করেন। তবে, ইংরেজ কাউন্টি দলটিতে নিজেকে কখনো প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি। ১৯৭২ সালে ত্রিনিদাদের পক্ষে প্রথমবারের মতো প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নেন। অভিষেকের পর খুব দ্রুত নিজেকে ১৯৭০-এর দশকে তুলনামূলকভাবে দূর্বল ত্রিনিদাদ দলের অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত করেন।

১৯৭৫ সালে লর্ডসে ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে মিডলসেক্সের সদস্যরূপে অপরাজিত ৯৩ রান তুলেন। ১৯৭৩ সালে ব্রাডফোর্ডে ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে ৪/২২ লাভ করেন। এছাড়াও, ১১ ক্যাচ তালুবন্দী করেছেন। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ৩২ শতক সহযোগে ৪০.৫৬ গড়ে ১২৯৮২ রান তুলেছেন। ১৯৮১-৮২ মৌসুমে ব্রিসবেনে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান একাদশ বনাম কুইন্সল্যান্ডের মধ্যকার খেলায় অপরাজিত ২০০ রানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন।

১৯৭৬ থেকে ১৯৮৬-৮৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বমোট ৬০ টেস্ট ও ৮৩টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। নয় শতক সহযোগে ৩৬.৯৪ গড়ে ৩১৭১ রান তুলেছেন। ইংরেজ পরিবেশে একাত্মতা লাভের সুবাদে ১৯৭৬ সালে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলে তাঁকে যুক্ত করা হয়। ৩ জুন, ১৯৭৬ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, অভিষেক পর্বটি মোটেই সুবিধের হয়নি। ঐ টেস্টে একবার ব্যাটিংয়ে নেমে দুই বল মোকাবেলান্তে ডেরেক আন্ডারউডের বলে শূন্য রানে বিদেয় নেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৮ ও ০/১৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

লর্ডসে পরের টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১১ রান তুললেও দ্বিতীয় ইনিংসে আবারও কোন রান সংগ্রহ না করেই আবারও সাজঘরে ফিরে আসেন। ফলশ্রুতিতে, দল থেকে বাদ পড়েন।

ক্যারি প্যাকারের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেটে দলের অধিকাংশ সদস্য চলে গেলে ১৯৭৮ সালে নিজ দেশে বব সিম্পসনের নেতৃত্বাধীন দূর্বলতর অজি দলের মুখোমুখি হন। ১২ এপ্রিল, ১৯৭৮ তারিখে কাস্ট্রিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওডিআইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। খেলায় তিনি মাত্র ৭ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। এরপর, ওডিআই দল থেকেও বাদ পড়েন। বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেটে বেশ কয়েকজন তারকা খেলোয়াড়ের যুক্ত হবার ফলে তাঁকে আবারও দলে ফিরিয়ে আনা হয়।

৩১ মার্চ, ১৯৭৮ তারিখে জর্জটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অংশ নেন। শতক হাঁকিয়ে তাঁর দলে ফিরে আসার কথা জানান দেন। খেলায় তিনি ৪ ও ১০১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ৩ উইকেটে পরাজিত হলেও স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে।

কিংস্টনে সিরিজের শেষ খেলায়ও অস্ট্রেলীয় বোলারদের উপর এক চোট নেন। দলের সংগ্রহ ৬৩/৫ থাকা অবস্থায় ব্যাটিংয়ে নেমে ১১৫ রান তুলেন।

১৯৮১-৮২ মৌসুমে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ২ জানুয়ারি, ১৯৮২ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১২৬ ও ৪৩ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে ব্রুস ইয়ার্ডলি’র শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/১৯ ও ২/২০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। পাশাপাশি, ব্রুস ইয়ার্ডলি’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রাখলেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১৯৮৪ সালে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১২ জুলাই, ১৯৮৪ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ১০৪* ও ২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ৮ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই সফরের বার্মিংহাম টেস্টে অন্যতম বিস্ময়কর ইনিংস উপহার দেন। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৪৩ রান তুলেন। এ পর্যায়ে ভিভ রিচার্ডসের সাথে ২০৬ রানের জুটি গড়ে বিশাল সংগ্রহ তাড়া করতে সবিশেষ ভূমিকা রাখেন। অষ্টম উইকেটে মাইকেল হোল্ডিংকে সাথে নিয়ে ৮২ রানের জুটি দাঁড় করান ও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। এরপর, টেস্টেও ইংরেজদেরকে পরাজিত করতে অংশ নেন। লিডসে সিরিজের শেষ টেস্টে ১০৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এছাড়াও, ৬২.০০ গড়ে ১৫ উইকেট পান। ১৯৮১-৮২ মৌসুমে সিডনিতে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২/২০ লাভ করেন। এছাড়াও, ১৮ ক্যাচ তালুবন্দী করেছেন।

১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে ভিভ রিচার্ডসের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের অন্যতম সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৭ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ০/১ ও ১/৩৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ১৮ ও ৮* রান সংগ্রহ করেছিলেন। জন রাইটের অনবদ্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

একই সফরের ১২ মার্চ, ১৯৮৭ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৮ ও ৩৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/১৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, রিচার্ড হ্যাডলি ও ইয়ান চ্যাটফিল্ডের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে জয় পেলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

১৯৮৭ সালে সকল স্তরের ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর, কোচিং জগতের দিকে ধাবিত হন। ত্রিনিদাদ দলকে প্রশিক্ষণ দেন। ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি প্রতিযোগিতায় কানাডা ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্বে ছিলেন।

১৯৮৫ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। ত্রিনিদাদে তাঁর নামানুসারে স্টেডিয়ামের নামকরণ করা হয়। ১৫ মে, ২০০১ তারিখে স্টেডিয়ামটি খুলে দেয়া হয়। ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ ফুটবলের কয়েকটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

Similar Posts

  • |

    অজিত পাই

    ২৮ এপ্রিল, ১৯৪৫ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বোম্বেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৬০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। কেবলমাত্র সিমার হবার সুবাদেই তিনি তাঁর সময়কালে ভারত দলে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ২৫ গড়ে ৮৫ উইকেট ও ১১ গড়ে ৩৯২…

  • |

    স্যান্ডফোর্ড শ্যুলজ

    ২৯ আগস্ট, ১৮৫৭ তারিখে চেশায়ারের বার্কেনহেড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ১৮৭০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৮৭৩ সালে আপিংহাম একাদশের পক্ষে খেলেছেন। চার বছর পর ডব্লিউ. এস. প্যাটারসন কর্তৃক কেমব্রিজ ব্লুধারী হন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ল্যাঙ্কাশায়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, কেমব্রিজ…

  • |

    জ্যাক হবস

    ১৬ ডিসেম্বর, ১৮৮২ তারিখে কেমব্রিজে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। ইংরেজ ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান ছিলেন। প্রথম পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে ১৯৫৩ সালে নাইট উপাধীতে ভূষিত হয়েছিলেন। প্রায় ত্রিশ বছর পেশাদারী পর্যায়ে ক্রিকেট খেলেছেন। হার্বার্ট সাটক্লিফ ও লেন হাটনের সাথে তাঁকেও বৈশ্বিকভাবে সেরা উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের মর্যাদা দেয়া হয়। ‘দ্য মাস্টার’ নামে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘ খেলোয়াড়ী জীবনে…

  • | | |

    টম লরি

    ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৮ তারিখে হকস বে’র ফার্নহিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী ছিলেন ও ডানহাতে স্লো-মিডিয়াম বোলিং করতেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। নিউজিল্যান্ড দলের টেস্ট ক্রিকেটের সূচনালগ্নে অন্যতম ভূমিকা রাখেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্বে থেকে…

  • | |

    ফ্রাঙ্ক ইরিডেল

    ১৯ জুন, ১৮৬৭ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের সারে হিলস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, প্রশাসক ও সাংবাদিক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৯০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। জনৈক আয়রনমোঙ্গার ও আইরিশ বংশোদ্ভূত স্ত্রীর সন্তান ছিলেন। দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী। রক্ষণাত্মক ধাঁচ অবলম্বনসহ চমৎকার মারমুখী ব্যাটিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। সতেরো বছর বয়সে সফররত…

  • |

    ট্রাভিস ফ্রেন্ড

    ৭ জানুয়ারি, ১৯৮১ তারিখে মিডল্যান্ডসের কেউইকেউই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘদেহী, শক্ত মজবুত গড়নের অধিকারী। দলীয় সঙ্গীদের কাছে ‘চাঙ্কস’ কিংবা ‘টেস্টোস্টারোন’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। প্রকৃত মানসম্পন্ন পেস বোলার হিসেবে খেলতেন। পাশাপাশি, ব্যাট…