৫ জুন, ১৯২১ তারিখে ত্রিনিদাদের উডব্রুক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৪০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
স্বল্পসংখ্যক ফাস্ট বোলারদের অন্যতম হিসেবে চশমা পরিধান করতেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৪০-৪১ মৌসুম থেকে ১৯৪৯-৫০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন।
১৯৪৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৪৭-৪৮ মৌসুমে নিজ দেশে জি. ও. অ্যালেনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ৩ মার্চ, ১৯৪৮ তারিখে জর্জটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্ট খেলেন। জন ট্রিমের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। দর্শনীয় কয়েক ওভার বোলিং করলেও বৃষ্টিবিঘ্নিত পিচে কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। খেলায় তিনি দলের কোন ইনিংসে ব্যাটিং করার সুযোগ পাননি। বল হাতে নিয়ে ০/৯ ও ০/১৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে জয়লাভ করলে সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
এছাড়াও, ১৯৫০ সালে জন গডার্ডের নেতৃত্বাধীন দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেছিলেন। হাইন্স জনসন ও প্রায়র জোন্সের সাথে নতুন বল নিয়ে আক্রমণের বিষয়টি উদীয়মান সনি রামাদিন ও আল্ফ ভ্যালেন্টাইনের ন্যায় স্পিনারদের দাপটে তা আর হয়ে উঠেনি। নমনীয় ভঙ্গীমায় লাফিয়ে বোলিং করতেন। তবে, আঘাত স্বাভাবিক ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে ব্যাঘাত ঘটায় ও শুরুরদিকের পেস আর ধরে রাখতে পারেননি। লিভারপুলের শুষ্ক পিচে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ৮/৫১ পেয়েছিলেন। এরফলে, সাড়ে তিন ঘণ্টায় দলটি গুটিয়ে যায়। এ সফরের কোন টেস্টে তাঁকে খেলানো হয়নি।
দৃশ্যতঃ ঐ সফরের পর ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। সব মিলিয়ে ৩৫টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ২৪.৭২ গড়ে ১০২ উইকেট দখল করেছিলেন। পোর্ট অব স্পেনে বিভিন্ন ঘরোয়া ও জাতীয় দলের ব্যবস্থাপকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন।
১৪ এপ্রিল, ১৯৮৯ তারিখে ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে ৬৭ বছর ৩১৩ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
