৫ মে, ১৯৯৩ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের হার্স্টভিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করে থাকেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১.৯২ মিটার উচ্চতার অধিকারী। লিকলিকে গড়ন তাঁর। সেন্ট জর্জ ক্লাবের মাধ্যমে খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন। ২০১১-১২ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, পার্থ স্কর্চার্স, সিডনি সিক্সার্স ও সিডনি থান্ডারের পক্ষে খেলেছেন। ২৫ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া বনাম নিউ সাউথ ওয়েলসের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
মাত্র ১৮ বছর ২০৬ দিন বয়সে শেফিল্ড শীল্ডের ইতিহাসের কনিষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেকে শতক হাঁকানোর গৌরব অর্জন করেন। নভেম্বর, ২০১১ সালে এসসিজিতে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৫৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। তবে, দ্বিতীয় প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণের জন্যে প্রায় দুই বছর অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়েছিল। বিগ ব্যাশ লীগে পার্থ স্কর্চার্সের অন্যতম তারকা খেলোয়াড়ে পরিণত হন ও টি২০ খেলোয়াড়ী জীবনের উত্থান ঘটান। আঘাতের কারণে প্রায় দুই বছর প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলা থেকে দূরে থাকেন।
২০১৫-১৬ মৌসুমে নয় খেলা থেকে দুই শতক সহযোগে ৭৩৭ রান তুলে রাজ্য দলের সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী হন ও সামগ্রীকভাবে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেন। এরপর, আরও একটি দারুণ মৌসুম অতিবাহিত করেন। ২০১৬-১৭ মৌসুমে ১০ খেলা থেকে ৬৬৮ রান তুলেন। বিবিএলের সপ্তম আসরকে ঘিরে তিন বছরের জন্যে সিডনি সিক্সার্সে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। ২০১৯ সালের শুরুতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের সদস্যরূপে উভয় ইনিংসে শতরানের সন্ধান পান। এরফলে, জাতীয় দলে খেলার পথ সুগম হয়।
২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০১৮-১৯ মৌসুমে নিজ দেশে দিনেশ চণ্ডীমলের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হন। ২৪ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ঝাই রিচার্ডসনের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৩০ রান তুলেছিলেন। এছাড়াও, চারটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। তবে, প্যাট কামিন্সের অসাধারণ বোলিং সাফল্যে সফরকারীরা ইনিংস ও ৪০ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
ক্যানবেরার মানুকা ওভালে অনুষ্ঠিত একই সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অপরাজিত ১১৪ রানের প্রথম শতক হাঁকান। ঐ সিরিজে তাঁর দল ২-০ ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল। প্রথম দুই টেস্ট শেষে ১৪৪ গড়ে রান তুলে নিজেকে শীর্ষসারির উপযোগী করে তুলেন।
তবে, জুনে দলের সাথে ইংল্যান্ড সফরে তেমন সুবিধে করতে পারেননি। এছাড়াও, অক্টোবরে আঘাতের কারণে কয়েক মাস দলের বাইরে থাকেন। সুস্থ হয়ে উঠার পর নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টা চালান। শেফিল্ড শীল্ডে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে অর্ধ-শতক হাঁকালেও দল পরাজয়ের কবলে পড়ে। এরপর, ইংলিশ লায়ন্সের বিপক্ষে ৯৪ রানের ধ্রুপদীশৈলীর ইনিংস খেলেন। এ পর্যায়ে সঙ্গীর অভাবে অপরাজিত অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করেন ও তিন অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি।
