|

খোরশেদ মেহেরামজী

৯ আগস্ট, ১৯১১ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মহারাষ্ট্রের বোম্বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ে অগ্রসর হতেন। ১৯৩০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

১৯৩৩-৩৪ মৌসুম থেকে ১৯৪৫-৪৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে বোম্বে, পার্সি ও ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯১১ সালে ইংল্যান্ডে সফরকারী নিখিল ভারত দলের সদস্যরূপে অংশগ্রহণকারী চাচা রুস্তমজী মেহেরামজী’র ন্যায় তিনিও পার্সি দলে স্ট্যাম্পের পিছনে অংশ নিতেন। অংশগ্রহণকৃত ৩০টি খেলার এক-তৃতীয়াংশ বোম্বে পেন্টাগুলারে খেলেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনে ১৬ গড়ে ৬৫৬ রান পেলেও পার্সি দলের পক্ষে ২১ গড়ে ৩৩৯ রান তুলেছিলেন।

অনেকগুলো বছর বোম্বে কোয়াড্রাঙ্গুলার ও পেন্টাগুলার প্রতিযোগিতায় পার্সি দলের পক্ষে খেলেছেন। ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেন। এ পর্যায়ে দুই ইনিংসে ১০টি ডিসমিসাল ঘটিয়েছিলেন। চার বছর পর একটি খেলায় ২৫৩ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় পার্সি দল অগ্রসর হলে দলের পক্ষে ৬৬ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন। এছাড়াও, ঐ খেলায় ৫টি ডিসমিসাল ঘটান।

১৯৩৬ সালে ভারতের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। দত্তারাম হিন্দেলকরের সহকারী উইকেট-রক্ষক হিসেবে ১৯৩৬ সালে বিজিয়ানাগ্রামের মহারাজা’র নেতৃত্বে ইংল্যান্ড সফর করেছিলেন। আঙ্গুলের আঘাতের কারণে দত্তারাম হিন্দেলকর খেলার সুযোগ হারালে ২৫ জুলাই, ১৯৩৬ তারিখে ওল্ড ট্রাফোর্ড অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। কোটার রামস্বামী’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, অংশগ্রহণকৃত একমাত্র টেস্টটিতে তেমন সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে পারেননি। অমর সিংয়ের বলে ইংরেজ অধিনায়ক গাবি অ্যালেনের ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। একবার ব্যাটিং করার সুযোগ পেলেও শূন্য রানে অপরাজিত অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় ও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে স্বাগতিকরা এগিয়ে যায়। এরপর আর তাঁকে খেলানো হয়নি।

১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ তারিখে মহারাষ্ট্রের বোম্বেতে ৭০ বছর ১৮৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। তাঁর ভ্রাতৃষ্পুত্র কার্সি মেহেরমজী প্রসিদ্ধ ক্রিকেট লেখক ও পরিসংখ্যানবিদ।

Similar Posts

  • | |

    হার্বি টেলর

    ৫ মে, ১৮৮৯ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানের মর্যাদা পেয়েছেন। ১৯০৯-১০ মৌসুম থেকে ১৯৩৫-৩৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নাটাল, ট্রান্সভাল…

  • | |

    গ্র্যান্ট ব্র্যাডবার্ন

    ২৬ মে, ১৯৬৬ তারিখে ওয়াইকাতোর হ্যামিল্টনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ভূমিকা পালনে এগিয়ে আসতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী। ১৯৮৬-৮৭ মৌসুম থেকে ২০০১-০২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে নর্দার্ন…

  • | |

    সুরেন্দ্রনাথ

    ৪ জানুয়ারি, ১৯৩৭ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের উত্তরপ্রদেশের মিরাটে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারত দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সহজাত প্রকৃতির স্বল্পসংখ্যক ভারতীয় সিমারদের অন্যতম হিসেবে সুইং ও অসম্ভব দম সহযোগে খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। উপযোগী পরিবেশে দীর্ঘ সময়…

  • |

    শফিউল ইসলাম

    ৬ অক্টোবর, ১৯৮৯ তারিখে বগুড়ায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিং করেন। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি (১.৭৩ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। ২০০৭-০৮ মৌসুম থেকে ২০২০-২১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী…

  • | |

    রেগ উড

    ৭ মার্চ, ১৮৬০ তারিখে চেশায়ারের উডচার্চ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী শৌখিন ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ বোলিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। বামহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। বার্কেনহেডের ব্যবসায়ী পিতা জন উড ও এলিজাবেথ দম্পতির সন্তান ছিলেন। চার্টারহাউজে অধ্যয়ন করেছেন। ১৮৭৬ সালে সেখানকার ক্রিকেট একাদশের সদস্য হন। ক্লাব…

  • |

    ফ্রাঙ্ক ওলি

    ২৭ মে, ১৮৮৭ তারিখে কেন্টের টনব্রিজ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে মিডিয়াম কিংবা স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। প্রচলিত রয়েছে যে, খুবই স্বল্পসংখ্যক ব্যাটসম্যানদের অন্যতম হিসেবে নিজের স্বর্ণালী সময়ে পেস ও স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে উভয়ক্ষেত্রেই পায়ের সমান ব্যবহার করতেন। তড়িৎগতির…