|

খান মোহাম্মদ

১ জানুয়ারি, ১৯২৮ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৫০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

লাহোরে জন্মগ্রহণ করলেও প্রাচীর ঘেরা শহরের কাশ্মিরী গেটে শৈশবকাল অতিবাহিত করেছিলেন। পাকিস্তানের শুরুরদিককার ফাস্ট বোলারদের অন্যতম ছিলেন। এ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী টেস্ট খেলোয়াড়দের সাথে তাঁর তেমন পার্থক্য ছিল না। ১৯৪৬-৪৭ মৌসুম থেকে ১৯৬০-৬১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে বাহাওয়ালপুর, করাচী, লাহোর, নর্দার্ন ইন্ডিয়া, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় ও সিন্ধু এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সমারসেটের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

কাঠ ব্যবসায়ী জান মোহাম্মদের সন্তান ছিলেন। চার ভ্রাতার মধ্যে তিনিই কেবল ক্রিকেটের দিকে ঝুঁকে পড়েছিলেন। লাহোরভিত্তিক সেন্ট্রাল মডেল হাই স্কুলে অধ্যয়নকালীন ক্রিকেট খেলায় হাতে খড়ি ঘটে। সেখানে সপ্তাহে একদিন ত্রিশ মিনিটব্যাপী ক্লাস গ্রহণের ব্যবস্থা করা হতো। ক্লাব ক্রিকেটে অংশ নেয়ার মাধ্যমে খ্যাতির শিখরে পৌঁছেন। ক্লাবের বার্ষিক খেলাগুলোয় অপূর্ব বোলিংশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন। প্রতিযোগিতাধর্মী বৈশিষ্ট্য থাকায় খুব ছোটবেলা থেকেই নিজেকে যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে ক্রিকেটের সাথে জড়িত হন। নিখুঁত নিশানা বরাবর বিরাট দম নিয়ে কোনরূপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না গিয়ে বলে পেশ আনয়ণের যোগ্যতার অধিকারী হন। এরফলে, শীর্ষসারির পেস বোলারদের সাথে নিজেকে খাঁপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হন। মনেপ্রাণে খেলে ফিল্ডিংয়ে দূর্বল দলে বিরাট ভূমিকা রাখতে থাকেন।

১৯ বছর বয়সে ভারতের শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা রঞ্জী ট্রফিতে নর্দার্ন ইন্ডিয়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। ১৯৪৬-৪৭ মৌসুমে তিনটি আঞ্চলিক খেলায় অংশ নিয়ে তেত্রিশ ঊর্ধ্ব গড়ে দশ উইকেট দখল করেছিলেন। ভারত বিভাজনের পর লাহোরের ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালীন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী দুই মৌসুম পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হয়েছিলেন।

নভেম্বর, ১৯৪৮ সালে জন গডার্ডের নেতৃত্বাধীন সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান একাদশের বিপক্ষে একমাত্র অনানুষ্ঠানিক টেস্টে তাঁকে দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে রাখা হয়। বাগ-ই-জিন্নায় অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় পাকিস্তানী অধিনায়ক মিয়া মোহাম্মদ সাঈদ তাঁর পরিবর্তে মুনাওয়ার আলী খান ও ফজল মাহমুদকে বোলিং আক্রমণ পরিচালনার্থে দলে রেখেছিলেন।

সিলন সফরে অপূর্ব ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রাখেন। নতুন বল নিয়ে ইসলামিয়া কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ফজল মাহমুদের সাথে জুটি গড়েন। দুইটি অনানুষ্ঠানিক টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে চৌদ্দ উইকেট দখল করেন ও বোলিং গড়ে শীর্ষস্থানে অবস্থান করেন। সুন্দর ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনের কারণে আকস্মিকভাবে অবসর গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত পাকিস্তান দলে স্থায়ী আসন গাড়েন। বোলিংয়ের উচ্চমানের অনুপাত বিশ্লেষণ ও লেগ বিফোর উইকেটে তাঁর দক্ষতার কারণে দ্রুততম পেসার হিসেবে অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষকদের ধারনা ছিল। স্বর্ণালী সময়েও তাঁর বোলিং ফাস্ট মিডিয়ামের অধিক ছিল না। তবে, ফজল মাহমুদের চেয়ে গতির দিক দিয়ে নিজেকে এগিয়ে রেখেছিলেন।

১৯৫১ সালের গ্রীষ্মকালে সমারসেটের পক্ষে সফররত দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তিন বছরের আবাসকালীন শর্ত পূরণে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। পাশাপাশি নাইজেল হাওয়ার্ডের নেতৃত্বাধীন এমসিসি’র বিপক্ষে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করার জন্যে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাগ-ই-জিন্নায় অনুষ্ঠিত প্রথম অনানুষ্ঠানিক টেস্টের প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট পান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়। করাচীতে ঐতিহাসিক জয়ে সাত উইকেট পেয়েছিলেন। তন্মধ্যে, দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ-উইকেট লাভ করেন।

খেলোয়াড়ী জীবনের এ পর্যায়ে সন্দেহাতীতভাবে স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেন। পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় পেসারে পরিণত হন ও পরবর্তী কয়েক বছর খেলা চালিয়ে না যাবার কোন কারণ ছিল না। তবে, ১৯৫২-৫৩ মৌসুমে ভারত সফরে পাকিস্তানের প্রথম আনুষ্ঠানিক সফরে ভাগ্য তাঁকে সহায়তা করেনি। ল্যাঙ্কাশায়ার লীগে গ্রীষ্মকাল অতিবাহিত করার পর কুঁচকির সমস্যায় আক্রান্ত থাকা সত্ত্বেও সতেরো-সদস্যের দলে যুক্ত করা হয়।

১৯৫২ থেকে ১৯৫৮ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বমোট ১৩ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৫২-৫৩ মৌসুমে আব্দুল কারদারের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সাথে ভারত গমন করেন। ১৬ অক্টোবর, ১৯৫২ তারিখে নতুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। আব্দুল কারদার ও আমির ইলাহী ব্যতীত বাদ-বাকী সকলের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। দেশের প্রথম টেস্ট উইকেট লাভের কৃতিত্বের সাথে নিজেকে জড়িত করেন। পঙ্কজ রায়কে সাত রানে বিদেয় করেছিলেন। তবে, প্রথম দিন বিশ ওভার বোলিংয়ের পর তিনি ভেঙ্গে পড়েন। এরপর তাঁকে সিরিজের বাদ-বাকী সময় বিশ্রামেই থাকতে হয়েছিল। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৭০ রানে জয় পেয়ে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৫৪ সালে পাকিস্তান দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। তবে, ল্যাঙ্কাশায়ার লীগে যুক্ত থাকার কারণে বেশী খেলায় অংশ নিতে পারেননি। তাসত্ত্বেও, লর্ডসে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ফজল মাহমুদের সাথে বোলিং অপরিবর্তিত রেখে বিরাট সফলতা পান। নিজস্ব দ্বিতীয় টেস্টে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫/৬১ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান। ক্রিকেটের স্বর্গভূমিতে পাকিস্তানের উদ্বোধনী টেস্টে ৮৭ রানে গুটিয়ে গেলে নতুন বল হাতে নিয়ে লেন হাটন, বিল এডরিচ, পিটার মে, গডফ্রে ইভান্সট্রেভর বেইলিকে বিদেয় করেন। এরফলে, ইংল্যান্ড দল ১১৭/৯ তুলে ইনিংস ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। ঐ টেস্টটি ড্রয়ে পরিণত হয়েছিল। পাঁচ-উইকেট লাভের স্বীকৃতিস্বরূপ লর্ডস অনার্স বোর্ডে স্বীয় নামকে অন্তর্ভুক্ত করেন।

১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে নিজ দেশের ভারতের বিপক্ষে প্রথম আনুষ্ঠানিক টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। উভয় দলের পক্ষে সর্বাপেক্ষা কার্যকর বোলার ছিলেন। চার টেস্টে ১৫.৮৬ গড়ে ২২ উইকেট দখল করেন। বিশেষতঃ প্রথম ইনিংসেই অধিক সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। ঢাকায় ২৬.৫ ওভারে ৪/৪২, বাহাওয়ালপুরে ৫/৭৪, পেশাওয়ারে ৪/৭৯ ও করাচীতে ৫/৭২ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করিয়েছিলেন।

১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে নিজ দেশে হ্যারি কেভের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। এ সিরিজে ১৬.০০ গড়ে ১৩ উইকেট দখল করেছিলেন। ৭ নভেম্বর, ১৯৫৫ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। বলে সুইং আনয়ণে তৎপরতা দেখান ও ম্যাটিং উইকেটে বলকে নিচেরদিকে রাখেন। খেলায় তিনি অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে এএম মইরকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা সাফল্য ছিল ৫/৬১। ১৬.২ ওভারে ৬/২১ ও ৩০ ওভারে ১৯ মেইডেনে ২/২০ পান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

নিজ দেশে নিজস্ব শেষ টেস্টে করাচীতে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হন। ১৯৫৬-৫৭ মৌসুমে করাচীতে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ফজল মাহমুদের সাথে বোলিং অপরিবর্তিত রাখেন। ঐ খেলায় ১১২ রান খরচায় ৭ উইকেট দখল করে পাকিস্তানকে সহজেই জয় এনে দেন।

তবে, ১৯৫৭-৫৮ মৌসুমে আব্দুল কারদারের অধিনায়কত্বে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে ব্যক্তিগত শেষ সিরিজে তেমন সফলতার পরিচয় দিতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এ সিরিজে দুই টেস্টে অংশ নেন। ৫৪ ওভার বোলিং করে ২৫৯ রান খরচ করেও কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। ২৬ মার্চ, ১৯৫৮ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। সফরকারীরা ইনিংস ও ১ রানে জয় পেলেও স্বাগতিকরা ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

লোয়ারহাউজ ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৫ সময়কালে খেলেছিলেন। খেলোয়াড়ী জীবনকে বিদেয় জানানোর পর এমসিসি’র কোচিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে তাঁর দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এমসিসি ইনডোর স্কুলে কোচ হিসেবে বিশ বছরের অধিক সময় অতিবাহিত করেন। অ্যাডভান্সড স্ট্যান্ডার্ড সার্টিফিকেট লাভ করেন। ফলশ্রুতিতে, বিশ্বের যে-কোন দেশে কোচ হবার যোগ্যতা লাভের অধিকারী হন। ষাটোর্ধ্ব বয়সেও পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও কানাডায় একই দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়াও, ৪ জুলাই, ২০০৯ তারিখে ৮১ বছর ১৮৪ দিন বয়সে মৃত্যু পূর্ব পর্যন্ত ওয়েস্ট লন্ডনের ইলিংয়ে ট্রাভেল এজেন্সী পরিচালনা করতেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ তারিখে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত টেস্ট ক্রিকেট গালা সূবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পদক লাভ করেন।

Similar Posts

  • |

    আলফ্রেড স্কট

    ২৯ জুলাই, ১৯৩৪ তারিখে জ্যামাইকার স্প্যানিশ টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৫০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পিতা অস্কার টমি স্কট ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৪০-এর দশকে সেন্ট জর্জেস কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। এ…

  • | | |

    ওয়াসিম আকরাম

    ৩ জুন, ১৯৬৬ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হতেন। পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ‘সুইংয়ের সুলতান’ নামে ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করেন। স্বপ্নবাজ ক্রিকেটার হিসেবেও সবিশেষ সুনাম কুড়ান। স্বর্ণালী সময়ে অধিকাংশ তরুণ বোলারের স্বপ্নের তারকা…

  • | |

    টিই শ্রীনিবাসন

    ২৬ অক্টোবর, ১৯৫০ তারিখে মাদ্রাজে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৮০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। আয়ানগর পরিবারে তাঁর জন্ম। নাঙ্গামবাক্কাম কর্পোরেশন স্কুলে পড়াশুনো করেছেন। সেখানকার কংক্রিটের পিচে অনুশীলন করতেন। বিদ্যালয়ের পেস বোলারদের বিপক্ষে দারুণ খেলতেন। এক পর্যায়ে তাদেরকে…

  • |

    ফ্রেড গ্রেস

    ১৩ ডিসেম্বর, ১৮৫০ তারিখে ব্রিস্টলে ডাউনএন্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। প্রতিভাবান খেলোয়াড় ছিলেন সন্দেহ নেই। তবে, ইএম গ্রেস ও ডব্লিউজি গ্রেসের ন্যায় ফুরফুরে মেজাজের অধিকারী ছিলেন না। গ্রেস ভ্রাতাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • | | |

    জবাগল শ্রীনাথ

    ৩১ আগস্ট, ১৯৬৯ তারিখে কর্ণাটকের মহীশূরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, প্রশাসক ও রেফারি। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারত জাতীয় ক্রিকেট দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১.৯১ মিটার উচ্চতার অধিকারী। ১৯৮৯-৯০ মৌসুম থেকে ২০০৩ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে কর্ণাটক…

  • |

    ডন ব্রেনান

    ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯২০ তারিখে ইয়র্কশায়ারের একলেসহিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতে পারতেন। ১৯৫০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ব্রাডফোর্ড লীগে ডাউনসাইড দলে খেলেন। ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৪ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। তন্মধ্যে, ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ইয়র্কশায়ার…