| | |

খালেদ মাহমুদ

২৬ জুলাই, ১৯৭১ তারিখে ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন। বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সহজাত প্রতিভার অধিকারী না হয়েও দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। বোলিংয়ে মনোনিবেশ ঘটিয়ে আকস্মিকভাবে ব্যাটসম্যানদের কাছে বিস্ময়াকারে পরিচিতি ঘটাতেন। অধিনায়ক হিসেবে সর্বদাই সম্মুখভাগে অগ্রসর হয়ে দলকে পরিচালনার মাধ্যমে উদাহরণ হয়ে থাকবেন। যোগ্যতা না থাকলেও ধৈর্য্য সহকারে নিজেকে যতদূর সম্ভব মেলে ধরার প্রয়াস চালাতেন ও দলের জন্যে কিছুটা করতে চাইতেন। এ জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গী তাঁর মাঝে সর্বদা বহমান ছিল। ফলশ্র্রুতিতে প্রতিপক্ষের সাথে তেমন মিশতেন না ও সর্বদাই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মনোভাব বজায় রেখে অগ্রসর হতেন।

ক্রিকেটপ্রিয় পরিবারের সন্তান তিনি। জ্যেষ্ঠ ভ্রাতারা ক্লাব ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘সুজন’ ডাকনামে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীতে টেপ-টেনিস বলে রপ্ত ছিলেন। এ সময়ে অনেক খেলোয়াড়ের কাছেই আতঙ্কস্বরূপ উপস্থাপিত হতেন। বিদগ্ধ খেলোয়াড় হিসেবে কখনো ভেঙ্গে পড়ার পাত্র ছিলেন না। প্রায়শঃই ব্যাটসম্যানদেরকে বিব্রত করার জন্যে উত্যক্তের আশ্রয় নিতেন। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুম থেকে ২০০৫-০৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী ক্রিকেটে ঢাকা বিভাগ ও ঢাকা মেট্রোপলিসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৯৮ থেকে ২০০৬ সময়কালে বাংলাদেশের পক্ষে সব মিলিয়ে ১২ টেস্ট ও ৭৭টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। খেলোয়াড়ী জীবনে ব্যাট হাতে তেমন রান সংগ্রহ করতে পারেননি। তবে, সংগৃহীত ১৩টি টেস্ট উইকেটের সাতটিই পেয়েছিলেন মুলতান টেস্টে। তন্মধ্যে, প্রথম ইনিংসে চারটি উইকেট পেয়েছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসের শেষ পর্যায়ে এসে মাঠে শুইয়ে পড়েন। এ খেলায় বাংলাদেশ দল বিজয়ী হলে অধিনায়কের কল্যাণে হতে পারতো বা দল সাফল্য পেতো।

মুলতানের খেলাটি ছাড়াও আরও কিছু অনিন্দ্য সুন্দর স্মৃতিচারণের সাথে যুক্ত রেখেছেন। কিছুটা বয়স নিয়েই ১৯৯০-এর দশকে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১০ জানুয়ারি, ১৯৯৮ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত শীতের সকালে ভারতের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে বর্ণাঢ্যময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে পদার্পণ করেন। ঐ খেলায় ৪৭ রান তুলেছিলেন। তবে, টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেকের জন্যে আরও তিন বছর অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয় তাঁকে।

১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ দল ওডিআইয়ে প্রথম অংশ নিলেও প্রথম বিজয়ের জন্যে এক যুগ অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়েছিল। স্বাগতিক ভারত ও কেনিয়ার অংশগ্রহণে ত্রি-দেশীয় সিরিজে দলটি প্রথমবারের মতো জয় পায়। হায়দ্রাবাদের লাল বাহাদুর শাস্ত্রী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত খেলায় স্বর্ণালী মুহূর্তের সন্ধান পায় বাংলাদেশ দল। মোহাম্মদ রফিক ও এনামুল হকের সাথে তিনিও দলের বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। দুই উইকেট লাভ করে দলকে ছয় উইকেটে জয় এনে দেন।

১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় গ্রুপ পর্বের খেলায় পাকিস্তানের বিপক্ষে দলের জয়ে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রাখেন ও বিশ্ব ক্রিকেট অঙ্গনে অন্যতম বড় ধরনের অঘটনের নজির স্থাপন করেন। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। নর্দাম্পটনে ইনজামাম-উল-হকের নেতৃত্বাধীন দলের বিপক্ষে ব্যাট হাতে নিয়ে সর্বদাই প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার স্বাক্ষর রাখতে প্রয়াস চালান। ব্যাট হাতে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ২৭ রান তুলেন। এরপর, শহীদ আফ্রিদি, ইনজামাম-উল-হক ও সেলিম মালিককে বিদেয় করে ৩/৩১ লাভ করেন। এভাবেই বাংলাদেশ দল পূর্ণাঙ্গ সদস্যের মর্যাদাপ্রাপ্তির কাছাকাছি পর্যায়ে চলে আসে।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। ২০০১-০২ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ে দলের মুখোমুখি হন। ৮ নভেম্বর, ২০০১ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে মাশরাফি বিন মর্তুজা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্টে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০/৫৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ব্যাট হাতে ৬ রান সংগ্রহ করেন। অবশ্য, খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়েছিল।

এর দুই বছর পর ২০০৩ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের শোচনীয় ফলাফলের প্রেক্ষিতে খালেদ মাসুদের কাছ থেকে দলের অধিনায়কত্ব তাঁর উপর বর্তায়। এরফলে, টেস্টে তৃতীয় অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত হন। সীমিত প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও একাগ্রতা ও প্রাণবন্তঃ ভূমিকার কারণে এ দায়িত্ব পান। তাঁর সময়কালেও অবশ্য বাংলাদেশ দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশ হিমশিম খেতে থাকে। সব মিলিয়ে ৯ টেস্ট ও ১৫ ওডিআইয়ে দলের নেতৃত্বে ছিলেন। ঐ সময়ে দলের বিজয় লাভ বেশ দুষ্কর ছিল। তবে, প্রত্যেকবারই মাঠে থাকাকালীন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মনোভাব বা কমপক্ষে প্রাণান্তকর চেষ্টা চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট দলের তৃতীয় অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। পূর্ববর্তী দুইজনের তুলনায় অধিকতর ভালো ফলাফলের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রাখতে পারেননি। তাসত্ত্বেও বাংলাদেশের ক্রিকেটের ইতিহাসে ভিন্নভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

২০০৩ সালে দলকে নিয়ে পাকিস্তান গমন করেন। মুলতানে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে মাত্র এক উইকেটের ব্যবধানে পাকিস্তানের বিপক্ষে নাটকীয়ভাবে পরাজিত হয়েছিল বাংলাদেশ দল। প্রথম ইনিংসে মূল্যবান ২৯ রান তুলেন। এরপর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানদ্বয় – মোহাম্মদ হাফিজ ও সালমান বাটকে বিদেয় করেন। এছাড়াও, ইনজামাম-উল-হক ও ইউনুস খানের ন্যায় সেরা ব্যাটসম্যানদেরকে আউট করেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও বেশ ভালো করেন। মনেপ্রাণে বোলিং করে ইয়াসির হামিদ, রশীদ লতিফসাকলাইন মুশতাকের উইকেট পান। তবে, ইনজামাম-উল-হক বাঁধার প্রাচীর গড়ে অপরাজিত ১৩৮ সংগ্রহ করে স্বাগতিক দলের বিজয়ে বিশাল ভূমিকা রাখেন।

২০০৩ সালে নিজ দেশে মাইকেল ভনের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দূর্বল সিরিজ খেলেন ও পরবর্তীতে বাদ পড়েন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ২৯ অক্টোবর, ২০০৩ তারিখে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। ১/৪৬ ও ০/৬৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে ১৫ ও ৩৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ঐ টেস্টে ইংরেজ দল ৩২৯ রানে জয় পেয়েছিল।

তবে, ওডিআই দলের সদস্য ছিলেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ৪/১৯ লাভ করলেও বাংলাদেশ দল পরাজিত হয়েছিল। ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন। ৩৬ রান তুলে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেও দল পরাজয়বরণ করে। খেলোয়াড়ী জীবনের এক পর্যায়ে টেস্টে তাঁর গড় চার শতাধিক ছিল।

কোচ ডেভ হোয়াটমোরের সাথে দৃঢ় চিত্তে দল পরিচালনায় অগ্রসর হন। তিনি উচ্চ মানসম্পন্ন কোচের সুনজরে ছিলেন। তাসত্ত্বেও ডেভ হোয়াটমোর কখনো তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী জনসমক্ষে প্রকাশ করেননি। নভেম্বর, ২০০৩ সালের পর অল-রাউন্ডার হিসেবে আর কোন টেস্টে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর, হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বাধীন ওডিআই দলে খেলা চালিয়ে যেতে থাকেন। ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সাল পর্যন্ত ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ঐ বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম খেলায় অংশ নেয়ার পর অশ্রুসিক্ত অবস্থায় অবসর গ্রহণ করেন।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর কোচিং জগতের দিকে ধাবিত হন। ২০০৯-১০ মৌসুমে জেমি সিডন্সের সহকারী হিসেবে জাতীয় দলকে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে পরিচালনা করেছিলেন। বাংলাদেশ দলের ভিত্তি আনয়ণে বিভিন্ন দায়িত্বের সাথে সম্পৃক্ত থাকেন। তন্মধ্যে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশের অস্থায়ী কোচ হিসেবে নিযুক্তি লাভ করেন। এছাড়াও, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগেও জড়িত রয়েছেন।

২০২০ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় ভারতের বিপক্ষে চূড়ান্ত খেলায় বাংলাদেশের প্রথম শিরোপা বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। এক পর্যায়ে কারিগরী ক্রিকেট পরিচালকের দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে বাংলাদেশের উন্নয়নমূলক পদ্ধতির দায়িত্বে থেকে দুই বছর মেয়াদী পরিকল্পনায় অগ্রসর হন যাতে দলটি দেশ-বিদেশে পর্যাপ্ত খেলায় অংশ নিতে পারে। ২০১৮ সালের অনূর্ধ্ব-১৭ দল থেকে ২০ জন খেলোয়াড়কে নির্বাচিত করে অনূর্ধ্ব-১৯ দল গঠন করেন। ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন করে দলের স্থিরতা আনয়ণে এ অসম্ভব বিজয়ের ভিত রচনা করেন।

Similar Posts

  • | |

    জুলফিকার আহমেদ

    ২২ নভেম্বর, ১৯২৬ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিং করতেন। ১৯৫০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। লখনউ দলের পক্ষে খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটে। ১৯৪৭-৪৮ মৌসুম থেকে ১৯৬৪-৬৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী…

  • | |

    ইকবাল কাসিম

    ৬ আগস্ট, ১৯৫৩ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ধারাবাহিকভাবে আগ্রাসী ভূমিকা নিয়ে আম্পায়ার ও স্ট্যাম্পের মাঝখান দিয়ে বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন। আলতোভাবে বলকে পিচে ফেলতেন। মিতব্যয়ী বোলিং করলেও সূক্ষ্মতার সাথে…

  • |

    আরপি সিং

    ৬ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে উত্তরপ্রদেশের রে বারেলি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০০৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে পাদপ্রদীপে চলে আসেন। ঐ প্রতিযোগিতায় ৮ উইকেট দখল করেছিলেন তিনি।…

  • |

    স্যাম মরিস

    ২২ জুন, ১৮৫৫ তারিখে তাসমানিয়ার হোবার্টে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৮৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। আইজাক মরিস ও এলিজাবেথ অ্যান দম্পতির সন্তান ছিলেন। তাঁর জনপ্রিয়তা বেশ তুঙ্গে অবস্থান করে ও দি অস্ট্রালাসিয়ানের প্রতিবেদক ফেলিক্স মন্তব্য করেন যে, স্যামকে…

  • |

    রডনি রেডমন্ড

    ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৪ তারিখে নর্থল্যান্ডের হোয়াঙ্গারেই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন ও স্ট্রোকের ফুলঝুঁড়ি ছোটাতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাশাপাশি, দূর্দান্ত ফিল্ডিং করতেন। ১৯৭০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘদেহী ও আক্রমণাত্মক ধাঁচের অধিকারী ব্যাটসম্যান হিসেবে সামনের পায়ে ভর রেখে খেলতেন। ১৯৬৩-৬৪ মৌসুম…

  • | |

    সেলিম মালিক

    ১৬ এপ্রিল, ১৯৬৩ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারিতে আক্রমণধর্মী ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে ডানহাতে স্লো-মিডিয়াম কিংবা ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে অংশ নিতেন। পাকিস্তানের অধিনায়কের মর্যাদা লাভ করেছিলেন। সহজাত প্রকৃতির প্রতিভাবান ডানহাতি ব্যাটসম্যান ছিলেন। বর্ণাঢ্যময় চরিত্রের অধিকারী থেকে ব্যাটকে বেশ উঁচুতে তুলে ধরতেন। অফ-সাইডে স্কয়ার অঞ্চলে খেলতেই অধিক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন।…