|

জনি ওয়ারডল

৮ জানুয়ারি, ১৯২৩ তারিখে ইয়র্কশায়ারের আর্ডস্লি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স কিংবা লেফট-আর্ম রিস্ট স্পিন বোলিংয়ের পাশাপাশি নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ইয়র্কশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, কেমব্রিজশায়ারের পক্ষে খেলেছেন। ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৭-৬৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন কয়লাখনিতে ফিটার হিসেবে কাজ করতেন। লীগ ক্রিকেটে বেশ প্রভাববিস্তার করেছিলেন। ১৯৪৬ সালে ইয়র্কশায়ারের পক্ষে একটি কিংবা দুইটি খেলায় অংশ নেয়ার পর আর্থার বুথকে অগ্রাধিকার দেয়া হলে তিনি দ্বিতীয় একাদশের পক্ষে সফলতম মৌসুম অতিবাহিত করেন।

১৯৪৭ সালে আর্থার বুথ বাতরোগে আক্রান্ত হলে প্রায় ৭০ বছর পর স্লো বামহাতি বোলার ব্যতিরেকে ইয়র্কশায়ার দল খেলতে নামে। তবে, জুনের মাঝামাঝি সময়ে তাঁকে দলে যুক্ত করে। সমারসেটের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৫/৪১ পান। এর কয়েক সপ্তাহ পর মিডলসেক্সের বিপক্ষে ৭/৬৬ ও সারের বিপক্ষে ৬/২৮ লাভ করেন। ঐ মৌসুম শেষে ২৫.৪৬ গড়ে ৮৬ উইকেটের সন্ধান পান। এরফলে, ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমনার্থে জিও অ্যালেনের নেতৃত্বাধীন উচ্চমানের পরীক্ষামূলক এমসিসি দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভূক্ত হন।

১৯৪৮ থেকে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের পক্ষে ২৮ টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ পর্যায়ে তিনি ইংল্যান্ডের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বোলার ছিলেন। আরও অধিক টেস্টে হয়তোবা খেলতে পারতেন; তবে সমসাময়িক বোলার টনি লক এতে বাদ সাধেন।

১৯৪৭-৪৮ মৌসুমে গাবি অ্যালেনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। বিলি গ্রিফিথের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৪ ও ২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। স্বল্প অভিজ্ঞতার কারণে এ সফরে তিনি তেমন সুবিধে করতে পারেননি। তবে, দৃঢ়চেতা মনোভাবের কারণে ১৯৪৮ সালে ইয়র্কশায়ারের বোলিং গড়ে শীর্ষে থাকেন। ১৭.৬২ গড়ে ১২৯ উইকেট পেয়েছিলেন।

এরপর থেকে তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। প্রত্যেক বছরই শত উইকেটের সন্ধান পেতেন। ১৯৫৩ সালে ওল্ড ট্রাফোর্ডে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেকে বেশ মেলে ধরেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে খেলা ড্র হবার পূর্বে প্রতিপক্ষের সংগ্রহ ৩৫/৮ হলে তিনি ৪/৭ লাভ করেছিলেন। ১৯৫৪ সালে ওভালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭/৩৬ লাভ করেন।

১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে লেন হাটনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ১১ মার্চ, ১৯৫৫ তারিখে ডুনেডিনের কারিসব্রুকে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ২৯ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৩২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ১/৩১ ও ২/৪১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ৮ উইকেটে জয় পেলে স্বাগতিকরা দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ায় তিনি মোটামুটি সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। ১৯৫৫ সালে নিজ দেশে জ্যাক চিদামের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। এ সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বোলিং গড়ে শীর্ষে ছিলেন। ১৮.২০ গড়ে ১৫ উইকেট পেয়েছিলেন। ৯ জুন, ১৯৫৫ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৪/২৪ ও ১/৩৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ঘটনাবহুল এ টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে উপর্যুপরী ১৩ ওভার মেইডেন পেয়েছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৫ রানে জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৫৬-৫৭ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে পিটার মে’র নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন। এ সফরে বেশ সফল ছিলেন। তবে, টেস্ট সিরিজে স্বাগতিক দল ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে ২-২ ব্যবধানে সিরিজে সমতা আনয়ণে সমর্থ হয়। প্রথম-শ্রেণীর খেলাগুলো থেকে ১২.২৫ গড়ে ৯০ ও সবগুলো খেলায় ১০৫ উইকেট নিয়ে গড়ের দিক দিয়ে শীর্ষে থাকেন। তবে, আঘাতের কারণে এক টেস্টে খেলতে পারেননি। অপর চারটি টেস্ট থেকে ১৩.৮০ গড়ে ২৬ উইকেট দখল করেছিলেন। তন্মধ্যে, দ্বিতীয় টেস্টে ৮৯ রান খরচায় ১২ উইকেট পেয়েছিলেন।

২৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৬ তারিখে ওয়ান্ডারার্সে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৩/৫২ ও ০/১৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৬* ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ১৩১ রানে জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। 

এরপর, ১ জানুয়ারি, ১৯৫৭ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ৭/৫৬। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৫/৫৩ ও ৭/৩৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৩  রান সংগ্রহ করেছিলেন। ৩১২ রানে জয়লাভ করে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ২৫ জানুয়ারি, ১৯৫৭ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৫/৬১ ও ২/৪২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ১৩ ও ৮ রান সংগ্রহ করেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।

এরপর, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৭ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসে সিএআর ডাকওয়ার্থের প্রথম উইকেট লাভ করে ১০০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ২/৬৮ ও ২/২৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ১৬ ও ২২ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসেই হিউ টেফিল্ডের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। পাশাপাশি, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, সফরকারীরা ১৭ রানে পরাজিত হলেও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১৯৫৭ সালে নিজ দেশে জন গডার্ডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ২০ জুন, ১৯৫৭ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/৫৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, দলের একমাত্র ইনিংসে ১১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৩৬ রানে জয়লাভ করলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

টেস্টগুলো থেকে ২০.৩৯ গড়ে ১০২ উইকেট ও ১৯.৭৮ গড়ে ৬৫৩ রান তুলেছিলেন। সবগুলো প্রথম-শ্রেণীর খেলা থেকে ১৬.১১ গড়ে ৭৩১৮ রান ও ১৮.৯৫ গড়ে ১৮৪২ উইকেট পেয়েছিলেন।

১৯৭০ সালে ইয়র্কশায়ার কর্তৃপক্ষ তাঁকে সম্মানসূচক আজীবন সদস্য হিসেবে মনোনীত করে ও বোলিং পরামর্শকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও, এমসিসি’র সম্মানসূচক সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২৩ জুলাই, ১৯৮৫ তারিখে ইয়র্কশায়ারের হ্যাটফিল্ড এলাকায় ৬২ বছর বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। ১৯৫০-এর দশকে ইংরেজ ক্রিকেট অন্যতম বিতর্কিত খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেলেও উইজডেনের শোকসংবাদে তাঁকে দূর্দান্ত বোলাররূপে চিত্রিত করা হয়।

Similar Posts

  • |

    রয় মার্শাল

    ২৫ এপ্রিল, ১৯৩০ তারিখে বার্বাডোসের ফারমার্স প্লান্টেশন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন এবং ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৫০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। পিতা স্কটিশ বংশোদ্ভূত গম চাষী ছিলেন। মাঠেই পিচ তৈরি করে খেলতেন। দশ বছরের মধ্যেই টার্ফ, ম্যাট ও কংক্রিট পিচে…

  • |

    সায়মন ডেভিস

    ৮ নভেম্বর, ১৯৫৯ তারিখে ভিক্টোরিয়ার ব্রাইটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ইন-সুইঙ্গার বোলার ছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া এবং ইংরেজ ক্রিকেটে ডারহামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮৩-৮৪ মৌসুম থেকে ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান…

  • | | |

    ডেভ গিলবার্ট

    ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৬০ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের ডার্লিংহার্স্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, রেফারি ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮০ সালে সিডনি প্রথম গ্রেডে প্রথমবারের মতো খেলেন। ১৯৮৩-৮৪ মৌসুম থেকে ১৯৯১-৯২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান…

  • |

    এজাজ প্যাটেল

    ২১ অক্টোবর, ১৯৮৮ তারিখে মহারাষ্ট্রের বোম্বেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে তিনি মূলতঃ বোলার হিসেবে ভূমিকা রাখছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীপক প্যাটেল ও জীতেন প্যাটেলের পদাঙ্ক অনুসরণে নিউজিল্যান্ড দলের পক্ষে খেলেন। খুবই ছোটবেলায় ১৯৯৬ সালে মুম্বই থেকে নিউজিল্যান্ডে অভিবাসিত হন। ২০১২ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    ব্রেন্ট আর্নেল

    ৩ জানুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে ওয়াইকাতোর টি আয়ামুতু এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০১০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘদেহের অধিকারী তিনি। তাঁর বোলিংয়ের ধরন অনেকাংশেই শেন বন্ডকে উজ্জীবিত করেছিল। প্রত্যাশামাফিক নিজেকে খেলোয়াড়ী জীবনকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারেননি। তরুণ অবস্থায় দীর্ঘ…

  • | | |

    ওয়াসিম বারি

    ২৩ মার্চ, ১৯৪৮ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে বোলিংয়েও পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের নেতৃত্বে ছিলেন। পাকিস্তানে মানসম্পন্ন উইকেট-রক্ষক না থাকলেও সেরাদের কাতারে অবস্থানে নিজেকে তুলে ধরেছিলেন স্ব-মহিমায়। রডনি মার্শ কিংবা জেফ ডুজনের ন্যায় দর্শনীয় না হলেও…