| |

জোনাথন ক্যাম্পবেল

১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ তারিখে ম্যাশোনাল্যান্ডের হারারেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী তিনি। জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি, দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

পিতা এডিআর ক্যাম্পবেল জিম্বাবুয়ের পক্ষে টেস্ট ও কাকা ডিজেআর ক্যাম্পবেল প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান ও কার্যকর লেগ-স্পিনার হিসেবে তাঁর সুনাম রয়েছে। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে মিড ওয়েস্ট রাইনোজের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বুস্ট ডিফেন্ডার্স, সাউদার্নস, জিম্বাবুয়ে ‘এ’ ও জিম্বাবুয়ে নির্বাচিত একাদশের পক্ষে খেলেছেন। ২০ বছর বয়সে ২০১৭ সালে আফগানিস্তানের শাগিজা ক্রিকেট লীগে বুস্ট ডিফেন্ডার্সের পক্ষে খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে টি২০ ক্রিকেটে প্রথম খেলেন। তবে, দুই বছরের অধিক সময় পর জিম্বাবুয়ের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।

২০১৯-২০ মৌসুমের লোগান কাপে র‌্যাঞ্জার্সের সদস্যরূপে ম্যাশোনাল্যান্ড ঈগলসের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নেন। ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত র‌্যাঞ্জার্স বনাম ঈগলসের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। এ আসরের ছয় খেলায় অংশ নিয়ে ২৮.০০ গড়ে ৩০৮ রান সংগ্রহ করেন। এরপর, ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সালে প্রো৫০ চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতায় র‌্যাঞ্জার্সের পক্ষে লিস্ট-এ ক্রিকেটে অংশ নেন। এ প্রতিযোগিতায় তিনি তৃতীয় সর্বাধিক রান সংগ্রাহকে পরিণত হন।

পরের মৌসুমে দল বদল করে মিড ওয়েস্ট রাইনোতে চলে যান। দলটিতে দুই বছর খেলার পর ২০২৩-২৪ মৌসুমের লোগান কাপে সাউদার্ন রক্সের পক্ষে খেলেন। রক্সের পক্ষে চমৎকার মৌসুম কাটান। ছয় খেলায় অংশ নিয়ে চার শতক সহযোগে ৬১.৩৬ গড়ে ৬৭৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। দূর্দান্ত খেলার কল্যাণে বাংলাদেশের বিপক্ষে টি২০আই সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ের জ্যেষ্ঠ দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রিত হন। এ সিরিজে তিনি দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ছিলেন। মার্চ, ২০২৪ সালের আফ্রিকান গেমসের ত্রয়োদশ আসরে অংশ নেন। জিম্বাবুয়ে এমার্জিং দলের সদস্যরূপে দলের স্বর্ণপদক বিজয়ে অংশ নেন।

৫ মে, ২০২৪ তারিখে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে পদার্পণ করেন। ২৪ বল থেকে ৪৫ রান তুলে পুরুষদের টি২০আই অভিষেকে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। ১২ জুলাই, ২০২৪ তারিখে ক্রেগ আরভিনের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ে দলের সদস্যরূপে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র-টেস্ট খেলতে ক্লাইভ মাদান্দে ও ব্রায়ান বেনেটের সাথে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ২০২৪-২৫ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যান্ডি বালবির্নি’র নেতৃত্বাধীন আইরিশ দলের মুখোমুখি হন। ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সফররত আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। নিয়াশা মেয়াভো ও নিক ওয়েলশের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। অভিষেক টেস্টে দলের অধিনায়কত্ব করেন। খেলায় তিনি ৪ ও ৩৩ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, ১/৪৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, অ্যান্ডি ম্যাকব্রায়ানের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৬৩ রানে পরাজিত হয়।

Similar Posts

  • |

    জন নিয়ুম্বু

    ৩১ মে, ১৯৮৫ তারিখে বুলাওয়েতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সম্মুখসারিতে ডানহাতে অফ-স্পিন বোলিং করেন। কঠোর পরিশ্রমী বোলার হিসেবে পরিচিত। দলীয় অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রিমারের সাথে বোলিং জুটি গড়ে সবিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। ২০০৩-০৪ মৌসুম…

  • | |

    রবি হার্ট

    ২ ডিসেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ওয়াইকাতোর হ্যামিল্টনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ২০০০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সহোদর ও নিউজিল্যান্ডীয় টেস্ট স্পিনার ম্যাথু হার্টের চেয়ে দুই বছরের ছোট তিনি। ১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে ২০০৩-০৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    সিড বার্নস

    ৫ জুন, ১৯১৬ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের অ্যানানডেল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। চমৎকার ক্রিকেটার ও অদ্ভূত চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। ডন ব্র্যাডম্যানের নেতৃত্বাধীন ‘অপরাজেয় দলের’ সদস্য ছিলেন। সচরাচর ইনিংস উদ্বোধনে নামতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে খেলতেন। অগণিত দূর্ভাগা খেলোয়াড়ের অন্যতম…

  • |

    নীল জনসন

    ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭০ তারিখে সলসবারিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং শৈলী প্রদর্শন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। পাশাপাশি, মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষণ কর্মেও অগ্রসর হতেন। পিতা হাউইকভিত্তিক ফার্মিং কনসালটেন্ট হিসেবে নাটালে নিয়োগ পেলে ১০ বছর বয়সে দক্ষিণ আফ্রিকায় চলে যান। হাউইক হাই স্কুলে অধ্যয়নের পর পোর্ট এলিজাবেথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কিংসউড…

  • |

    রমন লাম্বা

    ২ জানুয়ারি, ১৯৬০ তারিখে উত্তর প্রদেশের মীরাটে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৮০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৭৮-৭৯ মৌসুম থেকে ১৯৯৭-৯৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে দিল্লির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, আয়ারল্যান্ড…

  • | |

    হিউ ম্যাসি

    ১১ এপ্রিল, ১৮৫৪ তারিখে ভিক্টোরিয়ার বেলফাস্টের কাছাকাছি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধিত্ব করতেন। ১৮৭৭-৭৮ মৌসুম থেকে ১৮৯৫ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ১৮৮১…