১৬ সেপ্টেম্বর, ১৮৬৩ তারিখে ভিক্টোরিয়ার কলিংউড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। ১৮৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
তুলনামূলকভাবে খ্যাতি পাওয়া সহোদর হিউ ট্রাম্বলের তুলনায় খুব কমই সফলতার সন্ধান পেয়েছেন। তবে, কার্যকর অল-রাউন্ডার হিসেব দলে বেশ ভূমিকা রাখতেন। ১৮৮৩-৮৪ মৌসুম থেকে ১৮৯৩ পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ইংল্যান্ড জেন্টলম্যানের পক্ষে খেলেছেন। ১৮৮৪ সালে ভিক্টোরিয়ার পক্ষে প্রথম খেলতে নামেন। দলটির পক্ষে ৪৮৬ রান ও ৫২ উইকেট দখল করেছিলেন। বেশ উঁচুতে লাফিয়ে নিখুঁত নিশানা বরাবর বল ফেলতেন।
১৮৮৫ থেকে ১৮৮৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সাতটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো টেস্টই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছেন। ১৮৮৪-৮৫ মৌসুমে নিজ দেশে আর্থার শ্রিউসবারি’র নেতৃত্বাধীন দলের মুখোমুখি হন। ১ জানুয়ারি, ১৮৮৫ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। অ্যাফি জার্ভিস, আলফ্রেড মার, হ্যারি মাসগ্রোভ, জ্যাক ওরেল, রোল্যান্ড পোপ, স্যাম মরিস, উইলিয়াম ব্রুস ও ডিগার রবার্টসনের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৫৯ ও ১১ রান তুলে ঐ টেস্টের উভয় ইনিংসে বিলি বার্নসের বলে কট এন্ড বোল্ডে বিদেয় নিয়েছিলেন। এছাড়াও, খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ০/৪১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ১০ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
১৮৮৬ সালে এইচজেএইচ স্কটের অধিনায়কত্বে অজি দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। তবে, নিজেকে কখনো দলীয় সঙ্গীদের সমপর্যায়ে নিয়ে যেতে পারেননি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইংল্যান্ড দল এগিয়েছিল ও তিন টেস্টের প্রত্যেকটিতে জয় পায়। তন্মধ্যে, দুই টেস্টে তাঁর দল ইনিংসের ব্যবধানে নাস্তানুবাদ হয়।
১২ আগস্ট, ১৮৮৬ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ ও ১৮ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৮৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ২১৭ রানে জয় পেলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
অংশগ্রহণকৃত টেস্টগুলো থেকে ২০.২০ গড়ে ২৪৩ রান ও ২২.২০ গড়ে দশ উইকেট দখল করেছিলেন। পেশায় তিনি আইনজীবী ছিলেন। তবে, ক্রিকেটের সাথে সর্বদাই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতেন। মেলবোর্ন ক্লাবের অন্যতম প্রবীণ সদস্য ছিলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। অতঃপর, ১৭ আগস্ট, ১৯৪৪ তারিখে ভিক্টোরিয়ার ব্রাইটন এলাকায় ৮০ বছর ৩৩৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
