৩ মার্চ, ১৯৫৬ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা পালন করেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। পাশাপাশি, উইকেট-রক্ষণেও মাঝে-মধ্যে অংশ নিতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

অকল্যান্ডের অন্যতম ও নিউজিল্যান্ডের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তারকা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেয়েছেন। তবে, জন আরের চেয়ে তিনি অধিক পরিচিতি লাভ করেননি। ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম থেকে ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। অকল্যান্ডের পক্ষে ৬৯টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেন। পাঁচ শতক সহযোগে ৩৭৩৩ রান তুলেছেন। এছাড়াও, উইকেট-রক্ষক হিসেবে ১৩ বছরব্যাপী খেলোয়াড়ী জীবনে ৯০ ক্যাচ ও ৮টি স্ট্যাম্পিং করেছেন।

১৯৭৯ থেকে ১৯৮৬ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বমোট ১৯ টেস্ট ও ২৫টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। তন্মধ্যে, টেস্ট ক্রিকেটে ৪৬.২৮ গড়ে ১২৯৬ রান পেয়েছেন। ধ্রুপদীশৈলীর অধিকারী বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ছয়টি শতক ও দুইটি অর্ধ-শতক হাঁকিয়েছেন। ১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে নিজ দেশে মুশতাক মোহাম্মদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০ ও ১৯ রান সংগ্রহ করেন। খেলাটি ড্রয়ের দিক গড়ালে সফরকারীরা তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে।

১৯৮০-৮১ মৌসুমে নিজ দেশে প্রথমবারের মতো টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নেন। ঐ মৌসুমে সুনীল গাভাস্কারের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। পুরো সিরিজে অসাধারণত্বের পরিচয় দেন। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮১ তারিখে ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৯ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ৪৬ ও ৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। দলীয় অধিনায়ক জিওফ হাওয়ার্থের অসাধারণ ব্যাটিং সাফল্যে ৬২ রানে পরাজিত হলে সফরকারীরা তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ১৩ মার্চ, ১৯৮১ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৭৪ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, জন রাইটের প্রাণান্তঃকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। এ সিরিজে ২৫০ রান সংগ্রহ করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে জিওফ হাওয়ার্থের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা সফরে যান। ২৪ মার্চ, ১৯৮৪ তারিখে কলম্বোর সিসিসিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণ ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন ও কয়েকটি ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১২৩ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে ১৬৮ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। দলের একমাত্র ইনিংসে ১৮০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এ পর্যায়ে ৬৮৫ মিনিটে ৪৪৫ বল সংগ্রহ করে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস দাঁড় করান। তন্মধ্যে, এসএল বুকের সাথে চতুর্থ উইকেটে ৮২ রানের জুটি গড়ে রেকর্ড গড়েন। পরবর্তীতে, ১৯৯৮ সালে কলম্বোর আরপিএসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে উদ্বোধনী টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে সিডি ম্যাকমিলানএসপি ফ্লেমিংয়ের মধ্যকার চতুর্থ উইকেটে ২৪০ রানের জুটি গড়লে তাঁদের এ রেকর্ড ম্লান হয়ে পড়ে। ইনিংস ও ৬১ রানে জয় পেলে স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে জেরেমি কোনি’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে পাকিস্তান গমন করেন। ১৬ নভেম্বর, ১৯৮৪ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২ ও ৬ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। ইকবাল কাশিমের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে সফরকারীরা ৬ উইকেটে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই মৌসুমে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফর থেকে নিজেকে দূরে সড়িয়ে রাখেন। তাঁর টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবনের সর্বাধিক সাফল্য ছিল নিউজিল্যান্ডের বিজয়ে অংশ নেয়া। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে জেরেমি কোনি’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের অন্যতম সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। ৮ নভেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। গাব্বায় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জয়ে দারুণ ভূমিকা রাখেন। মার্টিন ক্রো’র সাথে তৃতীয় উইকেট জুটিতে তৎকালীন রেকর্ডসংখ্যক ২২৪ রান সংগ্রহ করে দলকে ৫৫৩/৭ তুলে ইনিংস ঘোষণায় অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাট হাতে নিয়ে ১০৮ রান তুলেন ও রিচার্ড হ্যাডলি খেলায় ১৫ উইকেট দখল করলে নিউজিল্যান্ড দল ইনিংস ও ৪১ রানে জয় পায়। এরফলে, তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই মৌসুমে নিজ দেশে ফিরতি সফরে অ্যালান বর্ডারের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১৩ মার্চ, ১৯৮৬ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৬ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। জন ব্রেসওয়েলের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে জয় পেলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

১৯৮১ ও ১৯৮৫ সালে দুইবার নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট অ্যালমেনাক বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে মনোনীত হন। ক্রিকেটের চেয়ে শিক্ষকতা পেশাকেই অধিক অগ্রাধিকার দিতেন। ভূগোল বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন। তবে, পরবর্তীকালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের অপারেশন্স ডিরেক্টর, হাই পারফরম্যান্স ম্যানেজারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ১৯৯৫ সালে ক্যান্টারবারি অংশে জাতীয় দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন। দায়িত্ব পালনকালে লিঙ্কন বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যাশনাল হাই পারফরম্যান্স সেন্টারসহ বার্ট সাটক্লিফ ওভালের অবকাঠামো উন্নয়নে অংশ নেন। এছাড়াও, স্পোর্ট নিউজিল্যান্ডের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে সম্প্রদায়ে ক্রীড়া ও জাতীয় পর্যায়ে তরুণ খেলোয়াড়দের চিহ্নিতকরণসহ তাঁদের প্রশিক্ষণে যুক্ত থাকেন।

২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে ৬৪ বছর ৩০২ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    আতা-উর-রেহমান

    ২৮ মার্চ, ১৯৭৫ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ১৯৯০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পাকিস্তানের নতুন প্রজন্মের পেস বোলিং আক্রমণে আতা-উর-রেহমানের উদ্ভব ঘটে। ওয়াসিম-ওয়াকার জুটিকে আরো শক্তিশালী ও সহায়তাকরণে তাঁকে দলে যুক্ত করা হয়। ১৯৯০-৯১…

  • |

    সাঞ্জামুল ইসলাম

    ১৭ জানুয়ারি, ১৯৯০ তারিখে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামেন। বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০০৯ সালে রাজশাহী বিভাগের পক্ষে লিস্ট-এ ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। দারুণ খেলে প্রতিপক্ষীয় সিলেটের চার উইকেট পান। ২০০৯-১০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান…

  • |

    মোহাম্মদ রমজান

    ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৭০ তারিখে পাঞ্জাবের লায়লপুর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮৬-৮৭ মৌসুম থেকে ২০০৪ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে ফয়সালাবাদ, খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজ, পাকিস্তান কাস্টমস, পাকিস্তান…

  • | |

    ক্রিস ওল্ড

    ২২ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ তারিখে ইয়র্কশায়ারের মিডলসবোরা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। দ্রুত গতিসম্পন্ন ও নিখুঁতমানের সিমার ছিলেন। কিছুটা দেরীতে আউট-সুইঙ্গারে পারদর্শী ছিলেন। বব উইলিস ও ইয়ান বোথামের পর ইংল্যান্ডের তৃতীয় পেসার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তবে, খেলোয়াড়ী জীবনের…

  • |

    ফারুক হামিদ

    ৩ মার্চ, ১৯৪৫ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের লাহোর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৬০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৬১-৬২ মৌসুম থেকে ১৯৬৯-৭০ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে লাহোর ও…

  • |

    স্যামি কার্টার

    ১৫ মার্চ, ১৮৭৮ তারিখে ইয়র্কশায়ারের নর্থোরাম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণের সাথে যুক্ত ছিলেন। উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করলেও পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসিত হন। ক্ষীপ্রগতিসম্পন্ন উইকেট-রক্ষক ছিলেন। তবে, সমসাময়িক অনেকে স্ট্যাম্পের কাছে থাকলেও তিনি তা করতেন না। ব্যাটিংকালে কাঁধের উপর দিয়ে স্কুপ করতেন। ব্যাটিংয়ে…