|

জিমি সিনক্লেয়ার

১৬ অক্টোবর, ১৮৭৬ তারিখে কেপ প্রভিন্সের সুয়েলেন্ডাম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ছিলেন। উঁচু থেকে বলে বৈচিত্র্যমূখী পেস বোলিং করতেন। দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করে তুলতে অন্যতম পথিকৃতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ১৮৯২-৯৩ মৌসুম থেকে ১৯১১-১২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, লন্ডন কাউন্টির পক্ষে খেলেছেন।

১৬তম জন্মদিনের কয়েক সপ্তাহ পর ১৮৯২-৯৩ মৌসুমের কারি কাপে ট্রান্সভালের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনে প্রবেশ করেন। বোলিং ও ব্যাটিং – উভয় বিভাগেই উদ্বোধনে নেমেছিলেন। আট উইকেটসহ ৩৭ ও ১১ রান তুলেন। ১৮৯৫-৯৬ মৌসুমে জোহানেসবার্গ পঞ্চদশের সদস্যরূপে লর্ড হকের একাদশের বিপক্ষে ১০ উইকেট ও ৭৫ রান তুলেছিলেন। এর পরপরই তাঁকে টেস্ট দলের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর পূর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা দল তিনটি টেস্টে অংশ নিলেও কোন ব্যাটসম্যানই ২৯ রানের অধিক সংগ্রহ করতে পারেনি। সিরিজের প্রথম টেস্টেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে।

১৮৯৬ থেকে ১৯১১ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সর্বমোট ২৫ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ১৮৯৫-৯৬ মৌসুমে নিজ দেশে টিম ও’ব্রায়ানের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৬ তারিখে পোর্ট এলিজাবেথের জিকিবার্হায় অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। যোসেফ উইলোবি, চার্লস হাইম, ফ্রেডরিক কুক, বোনর মিডলটন, রবার্ট গ্লিসন ও রবার্ট পুরের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ৪ ও ০ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে জর্জ লোহম্যানের শিকারে পরিণত হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৩৪ ও ৩/৬৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। খেলায় তাঁর দল ২৮৮ রানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

২ মার্চ, ১৮৯৬ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশের সদস্যরূপে খেলেন। পরবর্তীতে খেলাটি টেস্টের মর্যাদা পায়। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪০ রান তুলে তিনি নতুন রেকর্ড গড়েন। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ব্যক্তিগতভাবে বেশ সফল ছিলেন। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ককে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ৩/৬৮। খেলায় তিনি ৪/১১৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১৯৭ রানে পরাভূত হলে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

এ সিরিজে ১৭.১৬ গড়ে ১৯৩ রান তুলে দলের দ্বিতীয় সর্বাধিক রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। এছাড়াও, বোলিং উদ্বোধনে নেমে ৩০.৩৭ গড়ে আট উইকেট নিয়ে দলের দ্বিতীয় সর্বাধিক উইকেট শিকারী হন। তবে, তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের প্রত্যেকটিতে তাঁর দল বিশাল ব্যবধানে শোচনীয়ভাবে পরাস্ত হয়েছিল।

১৮৯৮-৯৯ মৌসুমে নিজ দেশে লর্ড হকের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। এ সিরিজে ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে খেলে খ্যাতির শিখরে পৌঁছেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৪০ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ৮৬ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ৩২ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা পিছিয়ে পড়ে।

পাশাপাশি, প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে একই টেস্টে শতক ও পাঁচ-উইকেট লাভের ন্যায় কৃতিত্বের অধিকারী হন। এ দুটো খেলার মাধ্যমেই তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা অল-রাউন্ডারে পরিণত করেছিলেন। ১ এপ্রিল, ১৮৯৯ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। বেশ কয়েকবার ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৮৬ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে পূর্বেকার খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম অর্ধ-শতক হাঁকানোর পর দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্টে প্রথম শতক হাঁকানোসহ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজস্ব প্রথম শতক হাঁকান। নিউল্যান্ডসে সংগৃহীত ১০৬ রানের ইনিংসটি দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্টের ইতিহাসের প্রথম শতক হাঁকানোর ঘটনা ছিল। সপ্তম টেস্ট পর্যন্ত দলটির কোন খেলোয়াড় অর্ধ-শতরানের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি। অবশেষে অষ্টম টেস্টে এসে তিনি শতকধারীর মর্যাদা পান। তবে, দলটির পরাজয় রোধ করতে পারেননি। পরবর্তীতে, দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে প্রথম তিনটি শতরানের সাথে নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে এফডব্লিউ মিলিগানকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ৪/১১৮। এ পর্যায়ে টেস্টে নিজস্ব প্রথম পাঁচ-উইকেট লাভ করেন। বল হাতে নিয়ে ৬/২৬ ও ৩/৬৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। পাশাপাশি, টেস্টের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে একই টেস্টের প্রথম ইনিংসে শতক হাঁকানোসহ ছয়-উইকেট লাভের গৌরব অর্জন করেন। স্বাগতিকরা ২১০ রানে পরাভূত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯০২-০৩ মৌসুমে নিজ দেশে জো ডার্লিংয়ের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১৮ অক্টোবর, ১৯০২ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১০১ ও ১৮ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে বিল হাওয়েলের বলে বিদেয় নেন। এছাড়াও, ০/৩০ ও ৩/১১৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ১৫৯ রানে জয়লাভ করে সফরকারীরা তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ৮ নভেম্বর, ১৯০২ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে খেলেন। ব্যক্তিগতভাবে সফল ছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ০ ও ১০৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৫৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

১৯১০-১১ মৌসুমে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে পার্সি শেরওয়েলের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া গমন করেছিলেন। ৯ ডিসেম্বর, ১৯১০ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১ ও ৬ রান সংগ্রহ করেন উভয় ইনিংসে টিবি কটারের শিকারে পরিণত হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৮০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ইনিংস ও ১১৪ রানে পরাজিত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ৩ মার্চ, ১৯১১ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১ ও ১২ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৮৩ ও ০/২২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ৭ উইকেটে পরাজিত হলে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

ক্রিকেটের বাইরে রাগবি খেলায় পারদর্শী ছিলেন। ফরোয়ার্ড অবস্থানে খেলতেন। ২৬ আগস্ট, ১৯০৩ তারিখে জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার সদস্যরূপে সফররত গ্রেট ব্রিটেন দলের বিপক্ষে একটি টেস্টে অংশ নেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৩ তারিখে ট্রান্সভালের ইওভিল এলাকায় মাত্র ৩৬ বছর ১৩০ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    টিচ রিচমন্ড

    ২৩ জুন, ১৮৯০ তারিখে নটিংহ্যামশায়ারের র‍্যাডক্লিফ-অন-ট্রেন্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলতেন। লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯২০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বৃক্ষ পরিচর্যাকারী থমাস ও জেন দম্পতির পাঁচ সন্তানের অন্যতম ছিলেন। দ্য শেরউড ফরেস্টার্সে সার্জেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে, ১ মার্চ, ১৯১৯ তারিখে গ্যাসট্রিটিসের কারণে…

  • |

    লরেন্স রো

    ৮ জানুয়ারি, ১৯৪৯ তারিখে জ্যামাইকার হুইটফিল্ড টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। এছাড়াও, বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। হাত ও চোখের অপূর্ব সমন্বয় ঘটাতেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকা এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।…

  • | |

    স্ট্যানলি জ্যাকসন

    ২১ নভেম্বর, ১৮৭০ তারিখে ইয়র্কশায়ারের অ্যালার্টন হল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। দলে মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। উইলিয়াম লয়িস জ্যাকসন ও গ্রেস দম্পতির সন্তান ছিলেন। শৈশবকাল থেকেই ক্রিকেটের প্রতি তাঁর দূর্নিবার আকর্ষণ জন্মায়। হ্যারোতে বিদ্যালয় জীবন শেষ করার পর…

  • | | | |

    গ্রাহাম গুচ

    ২৩ জুলাই, ১৯৫৩ তারিখে এসেক্সের হুইপস ক্রস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত পেশাদার ক্রিকেটার, কোচ ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাশাপাশি, স্লিপ অঞ্চলে দূর্দান্ত ফিল্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন। ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ‘জ্যাপ’ কিংবা ‘গুচি’ ডাকনামে ভূষিত গ্রাহাম গুচ ৬ ফুট…

  • | |

    সিড গ্রিগরি

    ১৪ এপ্রিল, ১৮৭০ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের মুর পার্কে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে বোলিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হতেন। অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। জন্মসনদে তিনি এডওয়ার্ড সিডনি গ্রিগরি নামে পরিচিত ছিলেন। ক্রিকেটপ্রিয় পরিবারের সন্তান ছিলেন। পিতা নেড গ্রিগরি ১৮৭৭ সালে এমসিজিতে অনুষ্ঠিত ক্রিকেটের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে…

  • |

    ইমরান তাহির

    ২৭ মার্চ, ১৯৭৯ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০১০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন। ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি (১.৭৮ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। রমজান তাহির ও আতিয়া তাহির দম্পতির সন্তান। তাঁর আরও দুই ভ্রাতা রয়েছে।…