|

জেমস ফ্রাঙ্কলিন

৭ নভেম্বর, ১৯৮০ তারিখে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি বামহাতি মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯৯৮-৯৯ মৌসুম থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওয়েলিংটন এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে এসেক্স, গ্ল্যামারগন, গ্লুচেস্টারশায়ার, মিডলসেক্স ও নটিংহ্যামশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স, বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস, গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স, লাহোর কালান্দার্স, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও রাজশাহী কিংসের পক্ষে খেলেছেন। তন্মধ্যে, ২০১২ সালে ফ্রেন্ডস লাইফ টি২০ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে এসেক্সের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের চতুর্থ আসরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের পক্ষে $১০০,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে খেলেন।

১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে সফরকারী ভারতের প্রথম প্রস্তুতিমূলক খেলায় ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডসের সদস্যরূপে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ২০০৫-০৬ মৌসুমের স্টেট চ্যাম্পিয়নশীপের খেলায় স্টেট সেন্ট্রাল স্ট্যাগসের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ৭/৩০ বোলিং করেন। ২০০৮-০৯ মৌসুমে ব্যাট হাতে নিয়ে দারুণভাবে সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। তিনটি শতক ও দুইটি অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। তন্মধ্যে, স্টেট চ্যাম্পিয়নশীপের খেলায় স্টেট অকল্যান্ড এইসেসের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ২১৯ রান তুলেন। এ ইনিংসটি তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনের দ্বিতীয় শতক ছিল। পাঁচ ইনিংস থেকে ৬৩১ রান তুলে স্টেট চ্যাম্পিয়নশীপে দলের শীর্ষ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। এছাড়াও, স্টেট শীল্ড ও স্টেট টি২০ প্রতিযোগিতায় সম্মিলিতভাবে পাঁচ শতাধিক রানের সন্ধান পেয়েছিলেন। ২০০৭-০৮ মৌসুমে আঘাতের কারণে মাঠের বাইরে অবস্থান করেন। পরের মৌসুমের শুরুতে পুণরায় ফায়ারবার্ডস দলে খেলতে থাকেন।

২০০১ থেকে ২০১৩ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বমোট ৩১ টেস্ট, ১১০টি ওডিআই ও ৩৮টি টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ২ জানুয়ারি, ২০০১ তারিখে টাওপোতে অনুষ্ঠিত সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনের সূত্রপাত ঘটান। অল্পকিছুদিন পর ২০০০-০১ মৌসুমে নিজ দেশে মঈন খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ৮ মার্চ, ২০০১ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, অপর অভিষেকধারী মোহাম্মদ সামি’র অসামান্য বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ২৯৯ রানে জয় পেয়ে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ১/৫৫ ও ১/৫৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে উভয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন।

২০০৪ সালে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড গমন করেন। ১০ জুন, ২০০৪ তারিখে নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে ৪* ও ১৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৪/১০৪ ও ২/৫৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, গ্রাহাম থর্পের অসামান্য ব্যাটিংয়ের কল্যাণে চার উইকেটে পরাজিত হলে সফরকারীরা ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। এ টেস্ট শেষে কিউই অল-রাউন্ডার ক্রিস কেয়ার্নস অবসর গ্রহণ করেন।

২০০৪-০৫ মৌসুমে বাংলাদেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলেন। এ মৌসুমে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে বাংলাদেশ সফরে যান। ১৯ অক্টোবর, ২০০৪ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অনেকগুলো ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৭ রান অতিক্রম করেন। দলের একমাত্র ইনিংসে ২৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এরপর, বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তাপস বৈশ্যকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ৪/২৬। এ পর্যায়ে টেস্টে প্রথমবারের মতো পাঁচ-উইকেট লাভ করেন। পাশাপাশি, মঞ্জুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ রফিক ও তাপস বৈশ্যকে একাধারে বিদেয় করে টেস্টে হ্যাট্রিক করেন। বল হাতে নিয়ে ৫/২৮ ও ০/১৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ব্রেন্ডন ম্যাককালামের অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যে সফরকারীরা ইনিংস ও ৯৯ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই মৌসুমে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ২৬ নভেম্বর, ২০০৪ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৭ ও ১৩ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১০২ ও ০/১৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। জাস্টিন ল্যাঙ্গারের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা খেলায় ২১৩ রানে পরাজয়বরণসহ ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

২০০৪-০৫ একই মৌসুমে নিজ দেশে ফিরতি সফরে রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১৮ মার্চ, ২০০৫ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ২৩ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৪/১২৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, অ্যাডাম গিলক্রিস্টের অসাধারণ শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

এরপর, ২৬ মার্চ, ২০০৫ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে জিডি ম্যাকগ্রাকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ৫/২৮। খেলায় তিনি ৬/১১৯ ও ০/৪০ লাভ করেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৩ ও ২৩ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে শেন ওয়ার্নের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। তবে, প্রতিপক্ষীয় দলনায়কের অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যে সফরকারীরা ৯ উইকেটে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

২০০৫-০৬ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের অন্যতম সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন। ১৫ এপ্রিল, ২০০৬ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ৮ ও ০* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে ৪/৭৫ ও ২/৬০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। মাখায়া এনটিনি’র অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যের কল্যাণে সফরকারীরা ১২৮ রানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ২৭ এপ্রিল, ২০০৬ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৫৫ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে নিজস্ব প্রথম টেস্ট শতক হাঁকান। একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১২২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৯৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। দলনায়কের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০০৬-০৭ মৌসুমে নিজ দেশে মাহেলা জয়াবর্ধনে’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ১৫ ডিসেম্বর, ২০০৬ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ১ ও ৪৪ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৪৬ ও ০/৬৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান।  তবে, চামারা সিলভা’র অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২১৭ রানে পরাজিত হলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।

২০১২-১৩ মৌসুমে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২ জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১ ও ২২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৫০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ভার্নন ফিল্যান্ডারের বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ২৭ রানে পরাজয়বরণ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেলার ছয় মাস পর জুন, ২০১৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআই খেলেন। দৃশ্যতঃ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ তারিখে মিডলসেক্সের পক্ষে দুই বছরের চুক্তিতে খেলার স্বাক্ষরের কথা ঘোষণা করেন।

Similar Posts

  • | | |

    জাভেদ মিয়াঁদাদ

    ১২ জুন, ১৯৫৭ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, কোচ ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। পাকিস্তানের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। সোজা-সাপ্টা, ক্রেতাদূরস্ত, বিচক্ষণ ও হাল ছেড়ে না দেয়ার মানসিকতা নিয়ে গড়ার ফলে খুব সহজেই স্বতন্ত্র…

  • | |

    বলবিন্দর সাঁধু

    ৩ আগস্ট, ১৯৫৬ তারিখে মহারাষ্ট্রের বোম্বেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ১৯৮০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সুপরিচিত কবি হরনাম সিং নাজের সন্তান ছিলেন। কপিল দেবকে পছন্দের তালিকার শীর্ষে রেখেছেন। ১৯৮০-৮১ মৌসুম থেকে ১৯৮৬-৮৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে…

  • | |

    লিটন দাস

    ১৩ অক্টোবর, ১৯৯৪ তারিখে দিনাজপুরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করেন। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১০-১১ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী ক্রিকেটে পূর্বাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল ও রংপুর বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ঢাকা…

  • | |

    সরফরাজ আহমেদ

    ২২ মে, ১৯৮৭ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে মাঝারিসারিতে ব্যাটিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরের অংশ নিয়েছেন ও পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। সহজাত প্রকৃতির উইকেট-রক্ষক ছিলেন না। কেবলমাত্র আক্রমণাত্মক স্ট্রোকপ্লের কারণে উত্তরোত্তর নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন। ২০০৬ সালের আইসিসি…

  • |

    ডেল হ্যাডলি

    ৬ জানুয়ারি, ১৯৪৮ তারিখে ক্রাইস্টচার্চের রিকার্টন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার ছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পেস বোলিং করতেন। দ্রুতগতিসম্পন্ন বোলিং না করলেও ব্যাটসম্যানদের সমীহের পাত্রে পরিণত হতেন। এছাড়াও, বলকে সুইং করাতে পারতেন। শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে পারতেন না। ক্রমাগত পিঠের আঘাতের…

  • |

    জয়দেব উনাদকট

    ১৮ অক্টোবর, ১৯৯১ তারিখে গুজরাতের পোরবন্দরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি (১.৭৫ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। ২০০৯ সালে সেন্ট মেরিজ স্কুল থেকে পড়াশুনো শেষ করেন। পোরবন্দরে দিলীপ ক্রিকেট স্কুলে কোচ রাম ওদেদ্রা’র…