১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৭ তারিখে লন্ডনের ক্যাটফোর্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিং করতেন। ১৯৪০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্টের প্রতিনিধিত্ব করতেন। ১৯৩৯ থেকে ১৯৫৩ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। সপ্রতিভ ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি কার্যকর ব্যাটসম্যান হিসেবে ভূমিকা রাখতেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে কেন্টের পক্ষে তিনটি খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।
লিগ্যাল এন্ড জেনারেল অ্যাসুরেন্সের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালনের ফলে খুব কমই খেলায় অংশ নেয়ার সুযোগ পেতেন। ১৯৪৭ সালে প্রকৃত মানসম্পন্ন দ্রুতগতির বোলারের ঘাটতি থাকায় তাঁকে ইংল্যান্ড দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের পক্ষে মাত্র একটি টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালে নিজ দেশে অ্যালান মেলভিলের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। স্মর্তব্য যে, ঐ গ্রীষ্মে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নশীপের খেলায় অংশ নিয়ে মাত্র নয় উইকেট দখল করেছিলেন। ৭ জুন, ১৯৪৭ তারিখে নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। টম ডলারি ও স্যাম কুকের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। অ্যালেক বেডসারের সাথে বোলিং উদ্বোধন করার সুযোগ পান। ১/১১১ লাভ করেন ও প্রতিপক্ষ ৫৩৩ রান সংগ্রহ করে। ইংল্যান্ড দল ২০৮ রানে গুটিয়ে যায় ও ফলো-অনের কবলে পড়ে। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে ০/১৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। নিশ্চিত পরাজয়ের মুখোমুখি থাকা অবস্থায় এরিক হোলিসের সাথে দশম উইকেট জুটিতে ৫১ রান তুলেছিলেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ২৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। এরপর, আর তাঁকে ইংল্যান্ড দলে খেলতে দেখা যায়নি। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
এরপর, প্রতি গ্রীষ্মে সময় নিয়ে কেন্ট ও এমসিসি’র পক্ষে আরও কয়েকটি খেলায় অংশ নিতে থাকেন। ক্লাব ক্রিকেটে ক্যাটফোর্ড ওয়ান্ডারার্সের পক্ষেও খেলা চলমান রাখেন।
৪ জানুয়ারি, ১৯৮৭ তারিখে লন্ডনের উলউইচ এলাকায় ৬৯ বছর ৩২২ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
