৫ মার্চ, ১৯৭৮ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
৬ ফুট উচ্চতার অধিকারী। দীর্ঘ বাহু নিয়ে উচ্চ ভঙ্গীমা প্রদর্শনে ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলতেন। পর্যাপ্ত পেস আনয়ণে সক্ষম হলেও খেলোয়াড়ী জীবনে অধিকাংশ সময়ই বলে নিখুঁততা আনয়ণ করতে পারেননি। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে বার্গার রিক্রিয়েশন ক্লাব, কোল্টস ক্রিকেট ক্লাব, নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব, গল ক্রিকেট ক্লাব, ওয়েয়াম্বা ও রাগামা ক্রিকেটে ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ইউনিচেলা স্পোর্টস ক্লাবের পক্ষে খেলেছেন।
১৯৯৯ সাল থেকে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন। ঐ বছর অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছিলেন। প্রিমিয়ার লীগে কলম্বো কোল্টসের সদস্যরূপে ১২ খেলা থেকে ৫৮ উইকেটের সন্ধান পান। সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৮-০৯ মৌসুমে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০০৮ তারিখে পচেফস্ট্রুমের সেনিস পার্কে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে প্রথম অনানুষ্ঠানিক ওডিআইয়ে অংশ নিয়ে পাঁচ-উইকেট পান ও দলকে নাটকীয়ভাবে জয় এনে দেন। দূর্দান্ত খেলে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন। এরপর ইংল্যান্ড গমন করেন। শ্রীলঙ্কা দলের ফাস্ট-বোলিং কোচ চম্পকা রামানায়েকে ও ‘এ’ দলের কোচ চণ্ডীকা হাথুরুসিংহা’র সহায়তায় কঠোর অনুশীলন করতে থাকেন। এ পর্যায়ে নিখুঁত নিশানায় বোলিং করতে না পারার ত্রুটি দূরীকরণে সচেষ্ট হন।
২০০৭ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও আটটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০০২ সালে দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। তবে, জাতীয় দলে খেলার জন্যে তাঁকে আরও পাঁচ বছর অপেক্ষার প্রহর গুণতে হয়। অবশ্য ঐ সফরে পিঠের আঘাতপ্রাপ্তি আংশিকভাবে দায়ী ছিল।
২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে ৩০-সদস্যের প্রাথমিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন। তবে, বিশ্বকাপের মূল দলে তাঁকে রাখা হয়নি। বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার পর ১৮ মে, ২০০৭ তারিখে আবুধাবিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। ২০০৮ সালের শুরুরদিকে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। তিনি দিলহারা ফার্নান্দো’র স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।
২০০৭-০৮ মৌসুমে একটি টেস্ট ও কয়েকটি ওডিআইয়ে অংশ নেন। ঐ মৌসুমে মাহেলা জয়াবর্ধনে’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ৩ এপ্রিল, ২০০৮ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১/৬২ ও ০/৪৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, রামনরেশ সারওয়ানের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৬ উইকেটে জয় পেলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ করতে সমর্থ হয়। আশানুরূপ ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় খেসারত গুণতে হয় ও জাতীয় দল থেকে উপেক্ষিত হন। একই সফরের ১০ এপ্রিল, ২০০৮ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন।
