| |

জো ট্রাভার্স

১০ জানুয়ারি, ১৮৭১ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯০০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৮৯৫-৯৬ মৌসুম থেকে ১৯০৬-০৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯০০-০১ মৌসুমের শেফিল্ড শীল্ডে নিজেকে নাটকীয়ভাবে উত্থান ঘটান। সাউথ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে দুই খেলা থেকে ২১ উইকেট দখল করেছিলেন। তন্মধ্যে, ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে ৯/৩০ লাভ করে দুমড়ে মুচড়ে দেন।

১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯০০-এর দশকে ৩৩ টেস্ট অনুষ্ঠিত হয় ও দূর্ভাগ্যজনকভাবে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে একটিমাত্র টেস্ট খেলার সুযোগ পান। ১৯০১-০২ মৌসুমে নিজ দেশে আর্চি ম্যাকলারিনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯০২ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। শেষ মুহূর্তে জে. ভি. সন্ডার্সের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। মাত্র আট ওভার বোলিং করার সুযোগ পেয়ে ১/১৪ লাভ করেন। স্বাগতিকরা ৩২৩ রানে জয় পেয়ে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। এরপর আর তাঁকে অস্ট্রেলিয়া দলে খেলতে দেখা যায়নি। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর একমাত্র টেস্টে পরিণত হয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে প্রত্যাখ্যাত হলেও শেফিল্ড শীল্ডে খেলা চালিয়ে যেতে থাকেন। এ পর্যায়ে তাঁর বোলিংয়ে ছন্দপতন লক্ষ্য করা গেলেও ব্যাটিংয়ে বেশ উত্তরণ ঘটে। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর আম্পায়ার জগতের দিকে ধাবিত হন। প্রচলিত রয়েছে যে, ১৯৩৫ সালে ডন ব্র্যাডম্যানকে সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় যুক্ত করতে প্রধান ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪২ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে ৭১ বছর ২৪৮ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    রাহাত আলী

    ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮ তারিখে পাঞ্জাবের মুলতানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ২০১০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। কৌণিকভাবে ও ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার গতিবেগে বোলিংয়ে সক্ষম। তবে, তিনি মুলতঃ সুইংয়ের দিকেই অধিক মনোনিবেশ ঘটান। ২০০৭-০৮ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান…

  • | |

    অব্রে ফকনার

    ১৭ ডিসেম্বর, ১৮৮১ তারিখে কেপ প্রভিন্সের পোর্ট এলিজাবেথ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং উদ্বোধনের পাশাপাশি লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলেছেন। ১৯০২-০৩ মৌসুম থেকে…

  • |

    যশস্বী যশওয়াল

    ২৮ ডিসেম্বর, ২০০১ তারিখে উত্তরপ্রদেশের ভাদোহির সূর্য্যবন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে মুম্বই ও বহিঃভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, রাজস্থান রয়্যালস, ভারত ‘এ’ অনূর্ধ্ব-১৯, ভারত ‘বি’, ভারত অনূর্ধ্ব-২৩ দলের পক্ষে খেলেছেন। অনূর্ধ্ব-১৯ দলে…

  • | |

    গারেথ ব্রিস

    ৯ জানুয়ারি, ১৯৭৬ তারিখে জ্যামাইকার মন্টেগো বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলেছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছেন। ২০০০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘ব্রিগি’ ডাকনামে ভূষিত গারেথ ব্রিস ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। কিংস্টনভিত্তিক উলমার্স বয়েজ স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমের রেড…

  • | | |

    মার্ক টেলর

    ২৭ অক্টোবর, ১৯৬৪ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের লিটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রিকেট অধিনায়ক হিসেবে চিত্রিত হয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ ও কার্যকরী অধিনায়কের গুণাবলীর কারণে খেলোয়াড়ী জীবনে ‘টাবি’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ…

  • |

    ইয়াসির হামিদ

    ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৮ তারিখে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষণে এগিয়ে আসেন। পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। শক্ত মজবুত গড়নের অধিকারী। সময়ের পাশে থেকে সহজাত দক্ষতা নিয়ে খেলায় অগ্রসর হন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতেই শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে…