৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯০ তারিখে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পেশাওয়ার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। পাশাপাশি, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
২০১১-১২ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রেখেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, পেশাওয়ার, পাঞ্জাব, সিন্ধু, সুই গ্যাস কর্পোরেশন অব পাকিস্তান, ওয়াটার এন্ড পাওয়ার ডেভেলপম্যান্ট অথরিটির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ইসলামাবাদ ইউনাইটেড, করাচী কিংস, খাইবার-পাখতুনখোয়া ফাইটার্স, পেশাওয়ার প্যান্থার্স ও পেশাওয়ার জালমির পক্ষে খেলেছেন।
২০১৫ সাল থেকে পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ১৩ নভেম্বের, ২০১৫ তারিখে আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ২০১৫-১৬ মৌসুমে দলের সাথে বাংলাদেশ গমন করেন। ৪ মার্চ, ২০১৬ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি২০আইয়ে প্রথম খেলেন। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ড সফর করেন।
২০১৬ সালে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১১ আগস্ট, ২০১৬ তারিখে ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০/১২ ও ১/১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ইউনুস খানের দূর্দান্ত ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে পরাজিত হলে ২-২ ব্যবধানে অমিমাংসিত অবস্থায় সিরিজটি শেষ হয়।
২২ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে নেপিয়ারে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টি২০আইয়ে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে ছক্কা হাঁকিয়ে দলের বিজয় নিশ্চিত করেছিলেন। ২০২১-২২ মৌসুমে নিজ দেশে প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৪ মার্চ, ২০২২ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। একবার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে ১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। এছাড়াও, ০/২০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। তবে, ইমাম-উল-হকের জোড়া শতকে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় ও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
