২৬ মে, ১৮৬৮ তারিখে ইংল্যান্ডের ওয়েস্টবারি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ১৮৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৮৯০ থেকে ১৯০২-০৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্লুচেস্টারশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৯০ থেকে ১৮৯৪ সাল পর্যন্ত গ্লুচেস্টারশায়ারের পক্ষে অনিয়মিতভাবে খেলতেন ও তেমন সফলতার সন্ধান পাননি। এরপর, দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসিত হন। সেখানে, ১৯০২ সাল পর্যন্ত কারি কাপে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের পক্ষে খেলেন।
১৮৯৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয়ক্ষেত্রেই তিনি ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৮৯৮-৯৯ মৌসুমে নিজ দেশে লর্ড হকের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। মারে বিসেট, রবার্ট গ্রাহাম, রবার্ট ডোয়ার, ভিনসেন্ট ট্যানক্রেড ও উইলিয়াম সলোমনের সাথে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৭ ও ২৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ৩২ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ১ এপ্রিল, ১৮৯৯ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট খেলেন। খেলায় তিনি ১ ও ২ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে আলবার্ট ট্রটের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। স্বাগতিকরা ২১০ রানে পরাভূত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবনের শেষদিকে খুব কমই সফলতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। ৭ জানুয়ারি, ১৯৩৬ তারিখে কেপ প্রভিন্সের সী পয়েন্ট এলাকায় ৬৭ বছর ২২৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
