৬ মার্চ, ১৯৮৯ তারিখে উইটব্যাংক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। ২০১০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
৬ ফুট ৪ ইঞ্চি (১.৯২ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। পাইত বিলজোয়েন ও রিয়ানা কোয়েন দম্পতির সন্তান। দ্রুততার সাথে বোলিং করেন। বাউন্সার প্রদানের দিকেই তিনি অধিক মনোনিবেশ ঘটান। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরু থেকে তিনি এ ধারা অব্যাহত রাখছেন। ২০০৮-০৯ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্নস, লায়ন্স ও টাইটান্স এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ার ও কেন্টের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, কিংস ইলাভেন পাঞ্জাব, লাহোর কালান্দার্স, মুলতান সুলতান্স, সেন্ট লুসিয়া জুকসের পক্ষে খেলেছেন। ২৩ অক্টোবর, ২০০৮ তারিখে বেনোনিতে ইস্টার্নস বনাম ইস্টার্নস প্রভিন্সের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।
ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্রমাগত সফলতার স্বাক্ষর রাখলেও জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর উপেক্ষার পাত্রে পরিণত হচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে খেলোয়াড়ী জীবনে মনোনিবেশের লক্ষ্যে নিউজিল্যান্ড গমন করতে চেয়েছিলেন। ২০১৪-১৫ মৌসুমে ২৩.০২ গড়ে ৪৭ উইকেট নিয়ে বোলিং গড়ে শীর্ষে চলে আসেন। ফলশ্রুতিতে, জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলী কর্তৃক আহুত হন।
২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০১৫-১৬ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যালাস্টার কুকের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ১৪ জানুয়ারি, ২০১৬ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। প্রথম বল থেকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে যাত্রা শুরু করেন। খেলায় তিনি ২০* ও ৬ রান সংগ্রহ করেন। নিজের প্রথম বল থেকে প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক অ্যালাস্টার কুকের উইকেট তুলে নেন। ১/৯৪ লাভ করেছিলেন। বল হাতে নিয়ে ১/৭৯ ও ০/১৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ঐ খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকা দল পরাজিত হলে টেস্ট ও সিরিজ খোঁয়ায়। স্টুয়ার্ট ব্রডের অসাধারণ বোলিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে পরাজিত হলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। এরপর তিনিও দল থেকে বাদ পড়েন। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
দক্ষিণ আফ্রিকার ‘এ’ দলের সাথে খেলতে থাকেন ও স্ট্যাম্পে তাঁর কর্তৃত্ব বজায় রাখেন। সীমিত সুযোগের কারণে তিন বছরের চুক্তিতে কোলপ্যাক খেলোয়াড় হিসেবে ডিসেম্বর, ২০১৬ সালে ডার্বিশায়ারে যুক্ত হন। আইপিএলে কিংস ইলাভেন পাঞ্জাবের পক্ষে ৭৫ লক্ষ রূপীর বিনিময়ে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ওভারপ্রতি ৯.৫ রানের অধিক রান খরচায় ২০১৯ সালের আইপিএল আসরকে স্মরণীয় করে রাখতে পারেননি। তবে, ২০২০ সালের আসরকে ঘিরে বিশেষ প্রাধিকারপ্রাপ্ত পাঞ্জাব দলে চলে যান।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। সুপারগ্রুপ-হেঙ্কেলের প্রধান হিসাব ব্যবস্থাপক রেমি রাইনার্স নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। ফাফ ডু প্লিসি সম্পর্কে তাঁর শ্যালক।
