৭ মে, ১৯৪১ তারিখে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ ব্যাটসম্যানের দায়িত্ব পালনে অগ্রসর হতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৬০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দ্বৈত ক্রীড়ায় অংশ নেয়ার গৌরব অর্জন করেন। ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবল খেলায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সহজাত প্রকৃতির ডানহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ছিলেন। অংশগ্রহণকৃত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটের সবগুলো খেলাই ওয়েলিংটনের পক্ষে ঘরোয়া আসরের ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৬৬ সালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সব মিলিয়ে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। তবে, তেমন সাড়া জাগাতে পারেননি। সবগুলোই ১৯৬৫-৬৬ মৌসুমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন। প্লাঙ্কেট শীল্ডে ওতাগোর বিপক্ষে ১৬১ রানের দারুণ ইনিংস খেলার স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় দলে তাঁকে ঠাঁই দেয়া হয়েছিল। ঐ দুই টেস্টের কোন ইনিংসেই ৩০-এর কোটা স্পর্শ করতে পারেননি। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২৮ রান তুলেছিলেন। সুইং বল মোকাবেলায় বেশ দূর্বলতার পরিচয় দেন। চার ইনিংসের তিনটিতেই কট বিহাইন্ডে বিদেয় নিয়েছিলেন।
১৯৬৫-৬৬ মৌসুমে নিজ দেশে মাইক স্মিথের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ড দলকে নেতৃত্ব দেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। নরোত্তম পুনা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ২৮ ও ৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
একই সফরে ইংরেজ দলের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ড দলকে নেতৃত্ব দেন। ৪ মার্চ, ১৯৬৬ তারিখে ডুনেডিনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩ ও ২১ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।
তুলনামূলকভাবে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে বেশ ভালোমানের খেলা উপহার দিয়েছিলেন। তিনটি শতরানের ইনিংস সহযোগে ৩২.৬২ গড়ে ২৯৩৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ১৯৬২-৬৩ মৌসুম থেকে ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম পর্যন্ত ওয়েলিংটনের প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৭৪ সালে নিউজিল্যান্ড অ্যালমেনাক কর্তৃক বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে মনোনীত হন।
১৯৬৭ সালে ‘অল হোয়াইটস’ নামে পরিচিতি নিউজিল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের সদস্যরূপে খেলেন। নিউ ক্যালিডোনিয়ার বিপক্ষে তাঁর দল ৪-০ ব্যবধানে পরাজয়বরণ করেছিল। সব মিলিয়ে আটটি খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। শেষ খেলাটি নিউ ক্যালিডোনিয়ার বিপক্ষে খেলেছিলেন।
