৩০ ডিসেম্বর, ১৮৮৪ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কিং উইলিয়ামস টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯১০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে বর্ডারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯০৩-০৪ মৌসুম থেকে ১৯২৬-২৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। কারি কাপে বর্ডারের পক্ষে খেলেন। তন্মধ্যে, ১৯১০-১১ মৌসুমে ইস্টার্ন প্রভিন্সের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৭৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন।
১৯১২ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে পাঁচটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯১২ সালে ফ্রাঙ্ক মিচেলের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সাথে ত্রি-দেশীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ইংল্যান্ড গমন করেন। এ সফরে মাত্র ১২ খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। তন্মধ্যে, দুই টেস্ট খেলেন। ডিপ অঞ্চলে ফিল্ডিংকালে হাতে চোঁট পান।
২৭ মে, ১৯১২ তারিখে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে অংশ নেন। টমি ওয়ার্ড, হার্বি টেলর ও রোল্যান্ড বিউমন্টের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ২৫ ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৩১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলায় তাঁর দল ইনিংস ও ৮৮ রানে পরাজয়বরণ করে।
১৯১৩-১৪ মৌসুমে নিজ দেশে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে জে. ডব্লিউ. এইচ. টি. ডগলাসের নেতৃত্বাধীন সফররত এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। সিরিজের প্রথম তিন টেস্টে অংশ নেন। তন্মধ্যে, জোহানেসবার্গ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫১ রান তুলে দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হন।
১৩ ডিসেম্বর, ১৯১৩ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ০ ও ১৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৭২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইনিংস ও ১৫৭ রানে জয়লাভ করে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
এরপর, ২৬ ডিসেম্বর, ১৯১৩ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ২৫ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ৫১ ও ২ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ইনিংস ও ১২ রানে পরাজিত হলে স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ১ জানুয়ারি, ১৯১৪ তারিখে জোহানেসবার্গের ওল্ড ওয়ান্ডারার্সে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ১৮ ও ০ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে সিডনি বার্নসের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। ঐ টেস্টে সফরকারীরা ৯১ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
ক্রিকেট ও ফুটবল – উভয় ক্রীড়াতেই সিদ্ধহস্তের অধিকারী ছিলেন। ৭ জানুয়ারি, ১৯৫৫ তারিখে নাটালের অ্যাডিংটন এলাকার ডারবান হাসপাতালে ৭০ বছর ৮ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
