২৪ ডিসেম্বর, ১৮৬৭ তারিখে ইংল্যান্ডের স্কিপটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯০০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
স্কিপটন গ্রামার স্কুলে অধ্যয়নের পর এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে অংশ না নিলেও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্স ও ইয়র্কশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৯১ থেকে ১৯০২-০৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় চলে যাবার পূর্বে ইয়র্কশায়ার ও মিডলসেক্সের পক্ষে মাঝে-মধ্যে খেলতেন।
মিডলসেক্সে খেলাকালীন ১৮৯৫ সালে নিজের স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেন। ৩১ গড়ে রান ও ২৩ উইকেট দখল করেছিলেন। লর্ডসে বল হাতে নিয়ে গ্লুচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে অপূর্ব খেলেন। পঞ্চম বোলার হিসেবে ডব্লিউ. জি. গ্রেসকে (১৬৯) বোল্ড করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে পতনকৃত পাঁচ-উইকেটের সবকটি ২০ রান খরচায় লাভ করেন। এরফলে, খেলায় ৭২ রানের বিনিময়ে নয় উইকেট পেয়েছিলেন। পরবর্তী মৌসুমে মিডলসেক্সের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ১৬১ রান তুলে দলের ইনিংস ও ৭৭ রানের বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। তিনি বোলার হতে চাননি।
ক্রিকেটের বাইরে চিকিৎসা পেশায় জড়িত ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার যুদ্ধ শুরু হলে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে চিকিৎসা প্রদান করেন। প্রিটোরিয়াভিত্তিক সরকারী হাসপাতালের প্রধান হিসেবে মনোনীত হন। দক্ষিণ আফ্রিকায় নয় বছর অবস্থান করেন। এ সময়ে ট্রান্সভালের পক্ষে খেলেন।
১৯০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেন। ১৯০২-০৩ মৌসুমে নিজ দেশে জো ডার্লিংয়ের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হন। ১১ অক্টোবর, ১৯০২ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ডেভ নোর্স, চার্লি স্মিথ, মেইটল্যান্ড হথর্ন, হেনরি টাবেরার ও লুইস ট্যানক্রেডের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক ঘটে। খেলায় তিনি ১/২০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। পিএ থর্নটন নামীয় সন্তানের জনক। ৩১ জানুয়ারি, ১৯৩৯ তারিখে ইংল্যান্ডের কেনসিংটনে ৭১ বছর ৩৮ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
