১১ এপ্রিল, ১৯৬৯ তারিখে সলসবারিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। আক্রমণাত্মক ধাঁচে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, কভার অঞ্চলে দূর্দান্ত ফিল্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন ও ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। এছাড়াও, উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। ১৯৯০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
এক মৌসুম ওরচেস্টারশায়ার দ্বিতীয় একাদশের সদস্য ছিলেন। এরপর, ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে জিম্বাবুয়ে ‘বি’ দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড ‘এ’ দলের বিপক্ষে ১০৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। ১৯৯০-৯১ মৌসুম থেকে ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশনাল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৯০ সালে আইসিসি ট্রফির শিরোপা বিজয়ী জিম্বাবুয়ে দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। তবে, এরপর থেকে দূর্বলমানের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করতে থাকেন ও এক পর্যায়ে ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ে দলের সদস্যরূপে মনোনীত করা হয়নি।
১৯৯৩ সালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও পাঁচটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। টেস্ট অভিষেকের পূর্বেই একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নেয়ার সুযোগ পান। ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৩ তারিখে শারজায় পাকিস্তানের প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন। তাসত্ত্বেও জিম্বাবুয়ের প্রথম বিদেশ সফরের জন্যে বিবেচিত হন।
১৯৯২-৯৩ মৌসুমে ডেভ হটনের নেতৃত্বে ভারত সফরে যান। একটিমাত্র টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ১৩ মার্চ, ১৯৯৩ তারিখে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। উজেশ রনচোডের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ইনিংস ও ১৩ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয় তাঁর দল। ১ ও ১৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। পরবর্তীতে, এটি তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
ঐ মৌসুমে আরও চারটি ওডিআই খেলার সুযোগ পান ও ইংল্যান্ড গমন করেন। এরপর থেকেই তাঁর খেলায় ভাঁটার ভাব পরিলক্ষিত হতে থাকে। যে-কোন স্তরের খেলায় খুব কম ভূমিকা রাখতে থাকেন।
