২৪ আগস্ট, ১৯৮৫ তারিখে হারারেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার। উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে মাঝারিসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
দূর্ভাগ্যজনকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার জন্যে দীর্ঘদিন অপেক্ষার প্রহর গুণেন। ২০০৪-০৫ মৌসুমের লোগান কাপ প্রতিযোগিতায় প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। তবে, ক্রমাগত কয়েক মৌসুম ধারাবাহিক ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপনাসহ চমৎকার ছন্দে অবস্থান করায় দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ইস্টার্নস, ম্যাশোনাল্যান্ড, ম্যাশোনাল্যান্ড ঈগলস ও মাউন্টেনিয়ার্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২৬ অক্টোবর, ২০০৪ তারিখে মুতারেতে অনুষ্ঠিত মনিকাল্যান্ড বনাম মিডল্যান্ডসের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। ২০০৬-০৭ ও ২০০৭-০৮ মৌসুমে চমৎকার খেলেন। উভয় মৌসুমেই লোগান কাপের প্রতিযোগিতায় শতক হাঁকিয়েছিলেন। এরফলে, বাংলাদেশ গমনার্থে জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত হন। তবে, ঐ সফরে প্রথম একাদশে খেলার সুযোগ পাননি।
২০০৯ থেকে ২০১২ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট, ১৭টি ওডিআই ও তিনটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ২৭ জানুয়ারি, ২০০৯ তারিখে মোম্বাসায় অনুষ্ঠিত কেনিয়ার বিপক্ষে ওডিআইয়ে অভিষেক হন। অপূর্ব খেলা উপস্থাপন করেন। নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ওডিআইয়ে মনোরম ৬১ রানের ইনিংস খেলেন। এর এক বছর পর ফিরতি সিরিজে আবারও সকলকে বিমোহিত করেন। উপর্যুপরী আরও দুইটি অর্ধ-শতকের ইনিংস উপহার দেন। হারারেতে ৭৯ ও ৫৫ রান সংগ্রহ করেন। ৭৯ রানই পরবর্তীতে তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ সংগ্রহে পরিণত হয়।
পাশাপাশি, ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটেও চমৎকার খেলেন। ২০০৯-১০ মৌসুমের লোগান কাপে ম্যাশোনাল্যান্ডের সদস্যরূপে স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেন। ৬০-এর অধিক গড়ে সহস্রাধিক রান সংগ্রহ করেন। তন্মধ্যে, মিড ওয়েস্ট রাইনোসের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৯০ রান তুলে দলের জয়ে সবিশেষ ভূমিকা রাখেন।
টেস্ট অভিষেকের জন্যে কয়েক বছর সময় অপেক্ষার প্রহর গুণেন। তবে, ২৬ জানুয়ারি, ২০১২ তারিখে নেপিয়ারে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক পর্বটি একেবারেই সুবিধের হয়নি। দূর্ভাগ্যজনকভাবে এটিই তাঁর একমাত্র টেস্ট ছিল। উদীয়মান টাটেন্ডা তাইবু ও ব্রেন্ডন টেলরের উত্থানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে চলে আসতে বাধ্য হন। ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর আম্পায়ার জগতের দিকে ধাবিত হন।
