|

ফাহিম মুনতাসির

১ নভেম্বর, ১৯৮০ তারিখে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিং করতেন। ২০০০-এর দশকে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

‘সুমিত’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুম থেকে ২০০৬-০৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনে বামহাতি স্পিনারদের আধিপত্য থাকলেও অফ-স্পিনার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে ঢাকা বিভাগের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নেয়ার মাধ্যমে খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। পরবর্তীতে খুলনা বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ঘরোয়া পর্যায়ের ক্লাব ক্রিকেটে ও আঞ্চলিক পর্যায়ের ক্রিকেটে সফল হয়েছিলেন। তবে, এনামুল হক কিংবা মোহাম্মদ রফিকের ন্যায় ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করতে পারেননি। ২০০৭ সাল পর্যন্ত ঘরোয়া আসরের ক্রিকেটে দৃপ্ত পদচারণ করেছিলেন।

২০০১ থেকে ২০০২ সময়কালে বাংলাদেশের পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্ট ও সমসংখ্যক ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। স্বল্পকালীন খেলোয়াড়ী জীবনে অফ-স্পিন বোলিং করে টেস্টে পাঁচটি উইকেট লাভ করেন। ২৩ নভেম্বর, ২০০১ তারিখে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সফররত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওডিআই অভিষেক ঘটে। নভেম্বর, ২০০১ থেকে সেপ্টেম্বর, ২০০২ সালের মধ্যে তিনটি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েও কোন উইকেট লাভে সক্ষম হননি।

এরপর, ২০০১-০২ মৌসুমে বাংলাদেশে সফররত ওয়াকার ইউনুসের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান দলের মুখোমুখি হন। ৯ জানুয়ারি, ২০০২ তারিখে সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে দুই বল খেলে ওয়াকার ইউনুসের বলে শূন্য রানে বিদেয় নেন। তবে, দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৩ রান তুলে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকে পরিণত হয়েছিলেন। দানিশ কানেরিয়া’র শিকারে পরিণত হবার পূর্বে একটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। তবে, পাকিস্তানের একমাত্র ইনিংসে বল হাতে নিয়ে সফলতা পাননি। ইনিংস ও ১৭৮ রানে জয় পেয়ে সফরকারীরা সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০০২ সালে খালেদ মাসুদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দলের সাথে শ্রীলঙ্কা সফরে যান। ২৮ জুলাই, ২০০২ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন। ২/৪৬ ও ০/৫৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৭ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ঐ টেস্টে স্বাগতিক দল ২৮৮ রানে জয় পায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

Similar Posts

  • | |

    মোহসিন খান

    ১৫ মার্চ, ১৯৫৫ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৭০-৭১ মৌসুম থেকে ১৯৮৫-৮৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে হাবিব ব্যাংক লিমিটেড, করাচী,…

  • |

    জেডেন সিলস

    ১০ সেপ্টেম্বর, ২০০১ তারিখে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। কার্টলি অ্যামব্রোস ও কোর্টনি ওয়ালশের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বাপেক্ষা চিত্তাকর্ষক খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হন। অষ্টাদশ জন্মদিন উদযাপনের পর ২০২০ সালে ইয়ান বিশপ মন্তব্য করেন…

  • | |

    নরি কন্ট্রাক্টর

    ৭ মার্চ, ১৯৩৪ তারিখে গুজরাতের গোধরা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ইনিংস উদ্বোধনে নামতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। ভারত দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দাহুদ থেকে বোম্বে গমনকালে তাঁর মাতা অনুধাবন করেন যে, দ্রুত তিনি সন্তান প্রসব করবেন। রেলগাড়ী চালক কাকা জরুরীভিত্তিতে তাঁকে গোধরায় নামিয়ে দেন। সেখানেই নরি কন্ট্রাক্টরের জন্ম। নাসিকে শৈশবকাল…

  • |

    কুলদীপ যাদব

    ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৪ তারিখে উত্তরপ্রদেশের কানপুরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। স্লো লেফট-আর্ম চায়নাম্যান বোলিং করেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১.৬৮ মিটার উচ্চতার অধিকারী। রাম সিং ও ঊষা যাদব দম্পতির সন্তান তিনি। প্রিয়া যাদব নাম্নী জ্যেষ্ঠা ভগ্নী রয়েছে। পিতা ইট ভাটার মালিক।…

  • |

    আব্দুল্লাহ শফিক

    ২০ নভেম্বর, ১৯৯৯ তারিখে শিয়ালকোটে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে সেন্ট্রাল পাঞ্জাব ও বালুচিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, লাহোর কালান্দার্স ও মুলতান সুলতান্সের…

  • |

    চন্দ্রকান্ত পাটনকর

    ২৪ নভেম্বর, ১৯৩০ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের মহারাষ্ট্রের পেন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৫০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৪৯-৫০ মৌসুম থেকে ১৯৬৭-৬৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে মহারাষ্ট্র ও বোম্বে দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৫০-এর দশকের…