|

এভারটন মাতাম্বানাদজো

১৩ এপ্রিল, ১৯৭৬ তারিখে সলসবারিতে জন্মগ্রহণকারী পেশাদার ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

জিম্বাবুয়ের অন্যতম উদীয়মান ফাস্ট বোলার ছিলেন। বেশ কয়েক মৌসুম উদীয়মান ক্রিকেটারদের অন্যতম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সফলতা লাভের পাশাপাশি স্পষ্টভাষীরূপেও পরিচিতি পেয়েছেন। ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমের শেষদিকে খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটে। তবে, কেউই ধারনা করতে পারেননি যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক পর্বটি এভাবে ঘটবে। দূর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি বিশের বয়সের সেরা দিনগুলো ফেলে এসেছেন। পুণঃপুণঃ আঘাতে জর্জড়িত হবার ফলে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সম্ভাবনা নষ্টের প্রকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন।

পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে জন্মগ্রহণকারী কনিষ্ঠ ভ্রাতা ডার্লিংটন মাতাম্বানাদজোকে নিয়ে ক্রিকেট খেলতে থাকেন। পারিবারিকভাবে ক্রিকেটের সাথে কোন সম্পর্ক না থাকলেও তাঁদের উত্থান বেশ প্রশংসনীয় ছিল। হারারেভিত্তিক শারন স্কুলে অধ্যয়নকালীন সাঁতারের দিকেই মূলতঃ আগ্রহ ছিল। এ পর্যায়ে ক্রিকেট খেলায় অংশ নিলেও দুই বছর উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন।

ঈগলসভেলে অধ্যয়নকালীন পেস বোলার হিসেবে খেলতে থাকেন। সাবেক জিম্বাবুয়ীয় অধিনায়ক অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেলের পিতা ও লিলফোর্ডিয়া স্কুলের শিক্ষক ইয়ান (পোল) ক্যাম্পবেলের নজর কাড়েন এবং তিনি তাঁদের সমস্যা চিহ্নিতকরণসহ খেলায় আরও গুরুত্বারোপের পরামর্শ দিয়ে উৎসাহিত করেন। এরপর থেকে বোলিংয়ে অধিক মনোনিবেশ ঘটাতে শুরু করেন। পেসের মাত্রা বাড়িয়ে দেন ও অধিক উইকেট পেতে থাকেন। বিদ্যালয় জীবনের শেষদিকে প্রতিনিধিত্বমূলক খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। দক্ষিণ আফ্রিকায় ক্রিকেট সপ্তাহে অংশগ্রহণকল্পে জাতীয় পর্যায়ের বিদ্যালয় দলে খেলার জন্যে উভয়েই মনোনীত হন। যথেষ্ট সফলতা লাভ করলেও নর্দার্ন ট্রান্সভালের বিপক্ষে শেষের ওভারগুলোয় গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ তালুবন্দী করতে না পারায় দলকে খেসারত গুণতে হয়।

এ পর্যায়ে নিজেকে শুধুই বোলার হিসেবে উপস্থাপনে সচেষ্ট হয়েছিলেন। ওয়াটারশেডের বিপক্ষে ৬/২০ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে দলকে জয় এনে দেন। লোমাগান্ডি কলেজের বিপক্ষে ৭/১৪ লাভ করেন। ঈগলসভেলের কোচ ব্যারি লেকের কাছ থেকেও উৎসাহিত হন। ব্যাটিংয়ের দিকেও মনোযোগ দিতে থাকেন।

১৯৯৩-৯৪ মৌসুম থেকে ২০০০-০১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে পুরোটা সময়ই ম্যাশোনাল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ইউনিভার্সালসের পক্ষে খেলেছেন। ১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট প্রতিযোগিতা লোগান কাপের প্রথম আসরে গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ারের নেতৃত্বাধীন ম্যাশোনাল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২৪ দলের সদস্যরূপে অংশ নেন। ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৪ তারিখে হারারে স্পোর্টস ক্লাবে ম্যাশোনাল্যান্ডের বিপক্ষে অংশ নিয়ে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। মার্ক বার্মেস্টার ও ডেভিড ব্রেইনকে ইয়র্কারে পরাস্ত করেন। অন্যদিকে, অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারকে ওয়াইড বলে কভার অঞ্চলে কট আউটের মাধ্যমে বিদেয় করেন। খেলায় তিনি পাঁচটি উইকেট পেয়েছিলেন। পরের খেলায় ম্যাশোনাল্যান্ড কান্ট্রি ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে আরও তিনটি উইকেট পান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে অপরাজিত ৩২ ও ১৭ রান তুলেন। এ ইনিংসগুলো খেলার ফলাফল নির্ধারণে বিরাট ভূমিকা রাখে।

এ ধরনের ক্রীড়াশৈলীর কারণে জিম্বাবুয়ের ‘বি’ দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। সফররত ইংরেজ কাউন্টি ক্লাব ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে খেলেন। খেলায় তেমন ভালো করতে না পারলেও দল নির্বাচকমণ্ডলী তাঁর মাঝে ভবিষ্যত খেলোয়াড়ের সম্ভাবনা দেখতে পান।

বিদ্যালয় জীবন ত্যাগ করার পর তিন বছর মেয়াদী ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে অধ্যয়নের জন্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। জীবনধারা পরিবর্তন ও ক্রিকেটে অনুশীলনে ভারসাম্য বজায় রাখা দূরূহ হয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট ক্লাবে যুক্ত হবার চেষ্টা চালালেও এগুতে পারেননি। দুই মৌসুম অনিয়মিতভাবে খেলেন। ১৯৯৬ সালের শীতকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনের সাথে সমন্বয় করে বড় ধরনের ক্রিকেট খেলায় যুক্ত হবার সিদ্ধান্ত নেন। ঐ মৌসুমের প্রথম খেলায় সফররত ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স দলের বিপক্ষে খেলেন। আশানুরূপ সফলতা না পেলেও পেস, বলে নিখুঁততা ও দমে পরিপূর্ণ অবস্থায় তাঁর উত্তরণ সবিশেষ লক্ষ্যণীয় ছিল।

১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্ট ও সাতটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। অনুশীলনকালে নবনিযুক্ত জিম্বাবুয়ীয় দলের অধিনায়ক অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেলের কাছ থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে জিম্বাবুয়ে দলের সদস্যরূপে পাকিস্তান সফরের প্রস্তাবনা পান। আঘাতের কবলে পড়া হিথ স্ট্রিক ও দল থেকে বাদ পড়া এডো ব্রান্ডেসের পরিবর্তে অপ্রত্যাশিতভাবে এ সুযোগ পান। কুঁচকির আঘাতের ফলে হেনরি ওলোঙ্গা’র অনুপস্থিতিতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলার জন্যে মনোনীত হন।

২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ তারিখে ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত টেস্টে পমি এমবাঙ্গা’র সাথে একযোগে অংশ নেয়ার মাধ্যমে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ইন-সুইঙ্গারে এলবিডব্লিউ’র মাধ্যমে বামহাতি আমির সোহেলের প্রথম উইকেট পান। পরে অপর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান সাঈদ আনোয়ারকে ৮১ রানে বিদেয় করেন। ২/৬২ ও ০/২৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক ওয়াসিম আকরামের অসামান্য অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে ঐ টেস্টে তাঁর দল ১০ উইকেটে পরাজয়বরণ করেছিল ও দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে পরাজিত হয়। ৩ নভেম্বর, ১৯৯৬ তারিখে পেশাওয়ারে একই দলের বিপক্ষে ওডিআই অভিষেক ঘটে।

হিথ স্ট্রিক, এডো ব্রান্ডেস ও হেনরি ওলোঙ্গা’র প্রত্যাবর্তনের ফলে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে ইংল্যান্ড সফরের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। এছাড়াও, মানসম্পন্ন আরও পেস বোলারের উপস্থিতির ফলে খেলায় অংশগ্রহণও সীমিত হয়ে পড়ে। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় সিরিজে একটিমাত্র খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। এ পর্যায়ে বেশ রান খরচ করে ফেলেন। তবে, শারজায় তুলনামূলকভাবে ভালো খেলেন। নিয়মিতভাবে এডো ব্রান্ডেসের সাথে বোলিং উদ্বোধনে নামেন। তিন খেলায় চার উইকেট পান এবং কমপক্ষে একটি উইকেট শুরুরদিকের ছিল।

১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে নিজ দেশে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ০/৫২ ও ০/১৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। গাই হুইটলের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে ঐ টেস্টটি ড্রয়ে পরিণত হলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।

দূর্ভাগ্যবশতঃ ১৯৯৭ সালের শীতকালে নিউজিল্যান্ড সফরে তাঁকে বেশ হতাশাচ্ছন্ন অবস্থায় দেখা যায়। বুলাওয়ে টেস্টে এডো ব্রান্ডেসের আঘাতের কারণে খেলার সুযোগ পান। কিন্তু, খেলায় ছন্দ ও নিখুঁতভাব লক্ষ্য করা যায়নি। ওডিআই সিরিজের কোনটিতেই খেলার সুযোগ পাননি। তাসত্ত্বেও, কেনিয়া গমনের জন্যে মনোনীত হন। অনুপযোগী পিচে প্রথম খেলায় অংশ নিয়ে শুরুতে উইকেট পেলেও বেশ রান খরচ করে ফেলেন। ফলে, আর কোন খেলায় তাঁকে রাখা হয়নি।

শ্রীলঙ্কা ও নিউজিল্যান্ড গমন করলেও সফল হননি। শ্রীলঙ্কায় কেবলমাত্র একদিনের প্রস্তুতিমূলক খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। এরপর নিউজিল্যান্ডে মাঠে অনুশীলনকালে কাঁধে চোট পান ও দেশে তাঁকে ফিরে আসতে হয়। আবারও বোলিং কর্মে অগ্রসর হন তবে বেশ ব্যথা অনুভব করতে থাকেন। মে, ১৯৯৮ সালে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন ও স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন গ্রহণ করে সমস্যা সমাধানে অগ্রসর হন। আগস্টে প্রথমবারের মতো অনুশীলনে যান ও ব্যথামুক্ত অবস্থায় বোলিং করতে সক্ষম হন। কিন্তু, বল নিক্ষেপ করতে পারতেন না।

পরের মৌসুমেও সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ না করেও খেলতে থাকেন। নতুন বোলিং ভঙ্গীমায় অগ্রসর না হলেও ছন্দ ধরে রাখা ও নিখুঁত নিশানা বরাবর বল ফেলার দিকে অধিক মনোযোগী হন। ক্লাব ক্রিকেটে অ্যালিস্টার ক্যাম্পবেলের অনুপস্থিতিতে ইউনিভার্সালসের অধিনায়কের দায়িত্বে থাকতেন। এমনকি ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেও খেলায় উন্নতি ঘটাতে অগ্রসর হন।

১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে পাকিস্তান সফরের জন্যে মনোনীত হন। তবে, কোন টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ হয়নি। আগস্ট, ১৯৯৯ সালে অস্ট্রেলিয়ান একাডেমি পরিদর্শনে যান ও খেলার মোড় ঘুরে যায়। ঐ মৌসুম শেষে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের সদস্যরূপে হারারেতে অনুষ্ঠিত এমার্জিং ন্যাশন্স প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বেশ ভালো করেন। শ্রীলঙ্কা সফরে ‘এ’ দলের পক্ষে খেলেন। প্রথম অনানুষ্ঠানিক টেস্টে ব্যাটিং উপযোগী পিচে হাঁটুর আঘাতের কবলে পড়েন ও আর খেলতে পারেননি।

পরের মৌসুমে আর নিজের সেরা ছন্দে অবস্থান করতে পারেননি। ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে নিজ দেশে সনথ জয়সুরিয়া’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হন। ২৬ নভেম্বর, ১৯৯৯ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সফরকারী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় সফরকারীরা ৬ উইকেটে জয়লাভসহ তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। ২/৯৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

বেশ কয়েক মৌসুম দল থেকে উপেক্ষিত হয়েছেন। লোগান কাপ প্রতিযোগিতায় ম্যাশোনাল্যান্ড ‘এ’ দলের অধিনায়কের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ও ২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসিত হন।

Similar Posts

  • | | |

    লিন্ডসে হ্যাসেট

    ২৮ আগস্ট, ১৯১৩ তারিখে ভিক্টোরিয়ার জিলং এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১.৬৯ মিটার উচ্চতার অধিকারী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে বিবেচিত হয়েছিলেন। ১৯৩২-৩৩ মৌসুম থেকে ১৯৫২-৫৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন…

  • | |

    মোহাম্মদ নাজির

    ৮ মার্চ, ১৯৪৬ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের রাওয়ালপিন্ডি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘নাজির জুনিয়র’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৬৪-৬৫ মৌসুম থেকে ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন।…

  • | |

    হ্যারি মোজেস

    ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৫৮ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের উইন্ডসর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। বামহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। অসম্ভব ধৈর্য্যশক্তি ধারণপূর্বক রক্ষণাত্মক ভঙ্গীমায় ব্যাট হাতে মাঠে নামতেন। ১৮৮১-৮২ মৌসুম থেকে ১৮৯৪-৯৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    ইভান ব্যারো

    ১৬ জানুয়ারি, ১৯১১ তারিখে জ্যামাইকার বেলমন্ট পেন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণে অগ্রসর হয়েছিলেন। উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে খুব সম্ভবতঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বাপেক্ষা ভালোমানের উইকেট-রক্ষক ছিলেন। এ দেশ থেকে প্রথম উইকেট-রক্ষক হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে নিয়মিতভাবে…

  • | |

    গ্যারি সোবার্স

    ২৮ জুলাই, ১৯৩৬ তারিখে বার্বাডোসের চেলসী রোড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স কিংবা বামহাতে রিস্ট-স্পিন বোলিংয়ে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী তিনি। ১৯৫২-৫৩ মৌসুম থেকে ১৯৭৪ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন…

  • |

    রিচার্ড ডি গ্রোন

    ৫ আগস্ট, ১৯৬২ তারিখে ওয়াইকাতোর অটোরোহাঙ্গায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৯০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম থেকে ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলা চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৪…