| |

এমিলি ম্যাকমাস্টার

১৬ মার্চ, ১৮৬১ তারিখে আয়ারল্যান্ডের গিলফোর্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, আম্পায়ার ও ব্যারিস্টার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

‘এমিলি’ নামেই অধিক পরিচিতি লাভ করেন। হ্যারোতে পড়াশুনো করেছেন। ১৮৮৮-৮৯ মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। একই মৌসুমে কয়েকজন ক্লাব ক্রিকেটারের অন্যতম হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা গমনের জন্যে মনোনীত হয়েছিলেন।

১৮৮৯ সালে ইংল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। মেজর হোয়ার্টনের ব্যবস্থাপনায় ১৮৮৮-৮৯ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকায় মন্টি বাউডেনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের প্রথম সফরে যান। সফরের অধিকাংশ প্রাদেশিক খেলাগুলোয় অংশ নিয়েছিলেন। তবে, সেগুলো প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ছিল না। সাউথ ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে ৩৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ও এ সফরে তাঁর সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল।

২৫ মার্চ, ১৮৮৯ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক ঘটে। নয় নম্বর অবস্থানে মাঠে নেমে গবো অ্যাশলে’র প্রথম বলেই শূন্য রানে ফেরৎ যান। দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৪৭ ও ৪৩ রানে গুটিয়ে গেলেও তিনি কোন বোলিংয়ের সুযোগ পাননি। খেলায় জনি ব্রিগসের ২৮ রান খরচায় ১৫ উইকেট দখল করলে দুই-দিনেই শেষ হয়ে যায়। এরফলে, তাঁর টেস্ট ও প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন মাত্র দুইদিন স্থায়ী ছিল। ইনিংস ও ২০২ রানে জয়লাভ করে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

টেস্ট সিরিজে অংশগ্রহণ করা সত্ত্বেও স্বল্প কয়েকজন খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে জীবদ্দশায় জানতে পারেননি যে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। এছাড়াও, একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে টেস্টের মাধ্যমেই একমাত্র প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। টেস্টে শূন্য রান সংগ্রহের পাশাপাশি কোন কোচও তালুবন্দী করতে পারেননি।

এ সময়ে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসের সিদ্ধান্ত নেন। ১৮৮৮ সালে নাটাল সিভিল সার্ভিসে আবেদন করেন। নাটালের হিল্টনে বসবাসকালে নাটাল ও এর অধিবাসীদেরকে ঘিরে ‘দ্য হাইল্যান্ডস অব নাটাল’ শীর্ষক সমসাময়িক পর্যালোচনা ১৮৯৬ সালে প্রকাশ করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। ১৮৮৯ সালে এথিল হ্যানকক নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। এ দম্পতির তিন পুত্র ও দুই কন্যা ছিল। মাইকেল ম্যাকমাস্টার নামীয় সন্তান প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে রয়্যাল নেভির পক্ষে অংশ নিয়েছে। ১৮৯১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় তিনটি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯০১ সালের পর নাটালের প্রধান বিচারপতি স্যার হেনরি বেলের অধীনে চাকুরী করেন।

৭ জুন, ১৯২৯ তারিখে লন্ডনের ব্লুমসবারি এলাকায় ৬৮ বছর ৮৩ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    ক্রিস জর্ডান

    ৪ অক্টোবর, ১৯৮৮ তারিখে বার্বাডোসে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলার হিসেবে খেলছেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনের অগ্রসর হন। ইংল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘সিজে’ ডাকনামে ভূষিত ক্রিস জর্ডান ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। ক্রীড়া বৃত্তি নিয়ে ডালউইচ কলেজে ভর্তি হন। ২০০৭ সাল থেকে…

  • |

    অর্মার্ড পিয়ার্স

    ১০ অক্টোবর, ১৮৮৪ তারিখে নাটালের পিটারমারিৎজবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকর মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯১০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ধ্রুপদীশৈলীর ব্যাটসম্যান ও পরিবর্তিত বোলার হিসেবে দলে খেলতেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নাটালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯০৫-০৬ মৌসুম থেকে…

  • | |

    উপুল থারাঙ্গা

    ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৫ তারিখে বালাপিতিয়ায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনে অগ্রসর হতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। শ্রীলঙ্কা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। শৈশবকাল থেকেই ক্রিকেটের সাথে নিজেকে জড়ান। ২০০০-০১ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান…

  • |

    বিল মেরিট

    ১৮ আগস্ট, ১৯০৮ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চের সামনার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯২৬-২৭ মৌসুম থেকে ১৯৪৬ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারি ও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে নর্দাম্পটনশায়ারের…

  • |

    লি আরভিন

    ৯ মার্চ, ১৯৪৪ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। ১৯৭০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। নির্ভিকচিত্তে ব্যাটিং করতেন ও আক্রমণাত্মক স্ট্রোকপ্লে মারতেন। উইকেটের পিছনে গ্লাভস হাতে সরব উপস্থিতির কারণে সমসাময়িকদের তুলনায় নিজেকে বেশ এগিয়ে রেখেছিলেন। ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স আমন্ত্রিত একাদশের সদস্যরূপে রিচি বেনো’র…

  • |

    মঞ্জুরুল ইসলাম, ১৯৮৪

    ৪ মে, ১৯৮৪ তারিখে খুলনায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘রানা’ ডাকনামে পরিচিত ছিলেন। তিন ভাইয়ের সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন। ২০০০-০১ মৌসুম থেকে ২০০৬-০৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের…