| |

এল্টন চিগুম্বুরা

১৪ মার্চ, ১৯৮৬ তারিখে মিডল্যান্ডসের কেউইকেউই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন। জিম্বাবুয়ে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

মারকুটে অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি মিডিয়াম-পেস বোলিং করতে পারেন ও স্ট্যাম্প বরাবর আক্রমণাত্মক ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপন করেন। সীমানা বরাবর ফিল্ডিং করে সেরাদের কাতারে নিজেকে নিয়ে গেছেন। বেশ কিছু দর্শনীয় ক্যাচ তালুবন্দী করেছেন। স্ট্রোক মারতে বেশ পছন্দ করতেন। প্রায়শঃই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে খেলার গতিধারাকে ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে পারতেন। আলতো শটে সোজা বরাবর মাঠের বাইরে ফেলতে বেশ পছন্দ করেন। পাশাপাশি, চমৎকার ড্রাইভ মারতে পারতেন।

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ ছিলেন। হারারেভিত্তিক হাইফিল্ড শহরতলীর চিপেম্বেরে প্রাইমারি স্কুলে প্রথমবারের মতো খেলায় অংশ নেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কোচ স্টিফেন ম্যাঙ্গোঙ্গো তাঁকে চিহ্নিত করেন ও চার্চিল হাই স্কুলে জেডসিইউ বৃত্তি লাভের জন্যে মনোনীত হন।

২০০১-০২ মৌসুম থেকে ২০২০-২১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ড ঈগলস, নর্দার্নস এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে নর্দাম্পটনশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস, কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব, সাউদার্ন রক্স ও সিলেট রয়্যালসের পক্ষে খেলেছেন। মার্চ, ২০১০ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপ ও ৪০-ওভারের লীগ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার লক্ষ্যে নর্দাম্পটনশায়ারের বিদেশী খেলোয়াড় হিসেবে চুক্তিতে উপনীত হন।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে ২০০২ সালে লোগান কাপ প্রতিযোগিতায় ম্যাশোনাল্যান্ডের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। এরপর থেকেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত অল-রাউন্ডারে পরিণত করতে সচেষ্ট রয়েছেন। এক পর্যায়ে জাতীয় দলের অধিনায়কেরও দায়িত্বে ছিলেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে দুইবার আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। এ স্তরের ক্রিকেটে নিজের নামের প্রতি সুবিচারে অগ্রসর হন। ২০০৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চার উইকেট নিয়ে অপ্রত্যাশিতভাবে দলকে জয় এনে দেন।

২০০৪ থেকে ২০২০ সময়কালে জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বমোট ১৪ টেস্ট, ২১৩টি ওডিআই ও ৫৭টি টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ২০০৪ সালের শেষদিকে জিম্বাবুয়ের জাতীয় দলে বিদ্রোহী খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতির কারণে ১৮ বছর বয়সে সম্মুখসারির ক্রিকেটার হিসেবে দলে খেলার সুযোগ পান।

দৃশ্যতঃ ২০০৩-০৪ মৌসুমে নিজ দেশে মারভান আতাপাত্তু’র নেতৃত্বাধীন সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে খেলার অনুপযোগী ছিলেন। তেমন সুবিধে করতে পারেননি। ৬ মে, ২০০৪ তারিখে হারারে স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে অ্যালেস্টার মারেগেদে, প্রসপার উতসেয়া, ব্রেন্ডন টেলর ও টিনাশি প্যানিয়াঙ্গারা’র সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ব্যাট হাতে নিয়ে ১৪ ও ০ রান তুলেন। এছাড়াও, মাহেলা জয়াবর্ধনে’র উইকেট পেয়েছিলেন। পুরোপুরি অভিজ্ঞতাবিহীন অবস্থায় জিম্বাবুয়ে দলের ইনিংস ও ২৪০ রানের পরাজয় পর্যবেক্ষণ করেন।

টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবন স্বল্পকালীন ছিল। পিঠের আঘাতের কারণে খেলোয়াড়ী জীবনে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। এরফলে, দ্রুতগতিতে বোলিং করা থেকে বিরত থাকেন। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ে দল টেস্ট ক্রিকেট থেকে স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে। এছাড়াও, অধিকাংশ সময়ই মাঠের বাইরে ছিলেন।

তবে, জিম্বাবুয়ে দল ওডিআই খেলায় অংশ নিতে থাকে ও পরবর্তীতে ক্ষুদ্র সংস্করণের খেলায় আরও উত্তরণ ঘটাতে সচেষ্ট হন। আগ্রাসী ব্যাটসম্যান হিসেবে বড় ধরনের মারের দিকে অগ্রসর হতেন। শেষদিকের ওভারগুলো যে-কোন দলের কাছে সমীহের পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, কার্যকর পেস বোলিং করতেন। বল থেকে রান আসলেও নিয়মিতভাবেই উইকেট লাভে তৎপরতা দেখাতেন। পাঁচ মাস পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশ নেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চমৎকার অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। ৫৭ রান সংগ্রহের পাশাপাশি ৩/৩৭ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান।

বলে বিস্ময়করভাবে পেস আনয়ণে সক্ষম ছিলেন। তবে, ২০০৫ সালের অধিকাংশ সময়ই পিঠের আঘাতে কাবু ছিলেন। ঐ বছরের মার্চ মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও এ সমস্যায় আক্রান্ত হন। মে, ২০০৬ সালে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমনার্থে দলের সদস্য ছিলেন। আঘাতের কারণে কেবলমাত্র ব্যাটিংয়ে অভিজ্ঞ হিসেবে অংশ নেন। এরপর, নিজ দেশে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেন। বোলিংয়ে উত্তরণ ঘটাতে সমর্থ হন। ফলশ্রুতিতে, ২০০৭ সালে আফ্রিকা একাদশ বনাম এশিয়া একাদশের খেলার জন্যে মনোনীত হন। ব্যাঙ্গালোরে প্রথম খেলায় নিজেকে মেলে ধরতে সচেষ্ট হন। শন পোলকের সাথে ৬৭ রানের জুটি গড়েন। নিজে করেন ৪০ রান।

এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। প্রতিপক্ষীয় উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানদ্বয়কে ফেরৎ পাঠান ও চূড়ান্ত ওভারে মিতব্যয়ী বোলিং করে জিম্বাবুয়ে দলকে বিজয়ীর বেশে নিয়ে যান। ২০০৭ সালে ক্যারিবীয় দ্বীপপু্ঞ্জে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ের দলের সদস্য ছিলেন। ৩০ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দলের চমকপ্রদ বিজয়ে দারুণ ভূমিকা রাখেন। এ পর্যায়ে ওডিআইয়ে ব্যক্তিগত সেরা ৩/২৫ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান ও ৩৪ বলে ৩৮ রান তুলে নাটকীয় জয় এনে দেন।

২০০৮ সালে মাঝারিমানের ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছিলেন। ২০০৯ সালে নিজেকে খেলার জগতে ফিরিয়ে আনেন। নিজ দেশে কেনিয়ার বিপক্ষে সুন্দর খেলেন। ধারাবাহিকভাবে ৭৯, ৬৮, ৪৩ ও ৩৬ রান সংগ্রহের পাশাপাশি বলের চেয়ে রান বেশী পান। এছাড়াও, বেশ ভালো গড়ে সাত উইকেট দখল করেছিলেন। এরপর, বাংলাদেশ গমন করেন। স্বাগতিক দলের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওডিআইয়েও অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলী অব্যাহত রাখেন। স্বল্প রান খরচ করে তিন উইকেট লাভসহ অপরাজিত ৬০ রান তুলে দলের জয়ে ভূমিকা রাখেন। তবে, সিরিজের বাদ-বাকী খেলাগুলোয় তেমন সুবিধে করতে পারেননি।

প্রসপার উতসেয়া’র পদত্যাগের ফলে ২০১০ সালে জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত হন। জাতীয় দলকে পরিচালনার পূর্বে ম্যাশোনাল্যান্ড ঈগলসের অধিনায়কের দায়িত্ব পালনকালে দাঁত ভেঙ্গে যায়। এ দায়িত্ব লাভের শুরুতে কিছুটা সফল হন। তন্মধ্যে, নিজ দেশে ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের দলের চূড়ান্ত খেলায় অংশগ্রহণে ভূমিকা রাখেন। কিন্তু, এরপর থেকেই তাঁর খেলার মান দূর্বলতর হতে থাকে। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দলীয় ব্যর্থতায় অধিনায়কত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। জুন, ২০১১ সালে ব্রেন্ডন টেলরকে অধিনায়ক হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করা হয়। তবে, জেডসি’র পরিকল্পনা অনুযায়ী নেতৃত্বের বিভাজনের ফলে জুলাই, ২০১৪ সালে সীমিত-ওভারের ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব ফিরে পান ও ব্রেন্ডন টেলরকে টেস্টের অধিনায়কত্ব প্রদান করা হয়।

২০১৪-১৫ মৌসুমে ব্রেন্ডন টেলরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফরে যান। ১২ নভেম্বর, ২০১৪ তারিখে চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ৮৮ ও ৫ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৫৯ রান খরচ করলেও কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। ঐ টেস্টে স্বাগতিক দল ১৮৬ রানে জয় পায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

ছন্দে থাকাকালে দলের মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে ভূমিকা পালন করে থাকেন। বলকে উঁচিয়ে মারার মাধ্যমেই খেলায় অগ্রসর হন। এছাড়াও, সীমানা এলাকায় ফিল্ডার হিসেবে চমৎকার ভূমিকা রাখছেন। ৭ নভেম্বর, ২০২০ তারিখে পাকিস্তান সিরিজ শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন। ১০ নভেম্বর, ২০২০ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টি২০আইয়ে সর্বশেষ খেলেন। তাঁকে সতীর্থরা গার্ড অব অনার প্রদান করে।

Similar Posts

  • | |

    বিরাট কোহলি

    ৫ নভেম্বর, ১৯৮৮ তারিখে দিল্লিতে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ভীতিহীন, মারকুটে প্রতিভাবান ডানহাতি ব্যাটসম্যান। নিজ প্রজন্মের সময়কালে সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। সন্দেহাতীতভাবে ভারতের অন্যতম সেরা ক্রিকেটারদের…

  • |

    জর্জ মাডি

    ২৬ নভেম্বর, ১৯১৫ তারিখে জ্যামাইকার স্পেনিশ টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। দীর্ঘকায় গড়নের অধিকারী ছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৩১-৩২ মৌসুম থেকে ১৯৫১-৫২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে…

  • |

    রবার্ট ডোয়ার

    ৪ জুন, ১৮৭৬ তারিখে কেপ কলোনির ককস্টাড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। দলে মূলতঃ ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন। ১৮৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৯৬-৯৭ মৌসুম থেকে ১৯০৬-০৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ১৮৯৯ সালে…

  • |

    স্যাম মরিস

    ২২ জুন, ১৮৫৫ তারিখে তাসমানিয়ার হোবার্টে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৮৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। আইজাক মরিস ও এলিজাবেথ অ্যান দম্পতির সন্তান ছিলেন। তাঁর জনপ্রিয়তা বেশ তুঙ্গে অবস্থান করে ও দি অস্ট্রালাসিয়ানের প্রতিবেদক ফেলিক্স মন্তব্য করেন যে, স্যামকে…

  • |

    প্রফ অ্যাডওয়ার্ডস

    ৩ জুন, ১৯৪০ তারিখে বার্বাডোসের গার্ডেন গ্যাপ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৬০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৬১-৬২ মৌসুম থেকে ১৯৬৯-৭০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন।…

  • | | |

    টনি হাওয়ার্ড

    ২৭ আগস্ট, ১৯৪৬ তারিখে বার্বাডোসের লোয়ার কলিমোর রক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, প্রশাসক ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৭০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। বেশ মজবুত আকৃতি ও ছোটখাটো গড়নের অধিকারী। স্পার্টান ক্রিকেট ক্লাবের মাধ্যমে ক্রিকেট খেলায় সূত্রপাত ঘটান। ঘরোয়া আসরের…