৯ নভেম্বর, ১৯০৩ তারিখে ট্রান্সভালের রাস্টেনবার্গ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে অপূর্ব ব্যাটিংশৈলীর স্বাক্ষর রাখতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২৮-২৯ মৌসুম থেকে ১৯৩৭-৩৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। সকল ধরনের খেলাধূলায় নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন। ক্রিকেটের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে রাগবি, ফুটবল ও অ্যাথলেটিক্সে অংশ নিতেন। তন্মধ্যে, ট্রান্সভালের পক্ষে ক্রিকেট ও রাগবিতে অংশ নিয়েছেন।
১৯২৯ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে মাত্র দুই টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উইকেট-রক্ষক হিসেবে তিনি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মুখর ছিলেন। ১৯২৯ সালে ইংল্যান্ড এবং ১৯৩১-৩২ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে নিয়মিত উইকেট-রক্ষক জক ক্যামেরনের সহকারী ছিলেন। ছয় বছরে অংশ নেয়া দুই টেস্টের প্রথমটি ১৯২৯ সালে ইংল্যান্ড ও দ্বিতীয়টি ১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছিলেন।
১৯২৯ সালে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর নামি ডিনের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড সফরে যান। ১৩ জুলাই, ১৯২৯ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ১৯ ও ১ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে টিচ ফ্রিম্যানের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণের সাথে নিজেকে জড়ান। ৫ উইকেটে পরাজিত হলে সফরকারীরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।
এরপর, ১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে নিজ দেশে ভিক রিচার্ডসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৭* ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৬ রানে পরাজিত হলে ৪-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ তারিখে ট্রান্সভালের অকল্যান্ড পার্ক এলাকায় ৬৭ বছর ১০৯ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
