১৪ অক্টোবর, ১৯০০ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে মাঝারিসারিতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯২০-২১ মৌসুম থেকে ১৯৪০-৪১ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও ওয়েলিংটন দলের পক্ষে খেলেছেন। ১৯২০-২১ মৌসুম থেকে ১৯২৩-২৪ মৌসুম পর্যন্ত অকল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন। এরপর, ১৯২৫-২৬ মৌসুম থেকে ১৯৪০-৪১ মৌসুম পর্যন্ত ওয়েলিংটনের সদস্য ছিলেন। তন্মধ্যে, ১৯৩৯-৪০ ও ১৯৪০-৪১ মৌসুমে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

টেস্ট মর্যাদাপ্রাপ্তির পর ১৯২৯-৩০ মৌসুমে হ্যারল্ড জিলিগানের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দল প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড সফরে আসে। অনুশীলনীমূলক খেলায় তিনি ৩৭ ও ২১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এরপর খেলায় ৬৩ রান খরচায় ৭ উইকেট দখল করেন।

সিরিজের প্রথম টেস্টে নিউজিল্যান্ড দল পরাজিত হলে তাঁকে দ্বিতীয় টেস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২৪ জানুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। লিন্ডসে উইয়ারজ্যাকি মিলসের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, অভিষেক টেস্টে মোটেই সুবিধে করতে পারেননি। ১৬ ও ২* রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।

এরপূর্বে, ১০ জানুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। এরপর, আর তাঁকে ব্ল্যাক ক্যাপসের পক্ষে খেলতে দেখা যায়নি।

ক্রিকেটের পাশাপাশি হকি খেলায় নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৯ তারিখে অকল্যান্ডে ৮৮ বছর ৩৩৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

সম্পৃক্ত পোস্ট