|

দুনিথ বেল্লাগে

৯ জানুয়ারি, ২০০৩ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

কলম্বোভিত্তিক সেন্ট যোসেফস কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ২০১৯ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কোল্টস ক্রিকেট ক্লাব, লঙ্কান ক্রকেট ক্লাব ও জাফনার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ৯ মে, ২০১৯ তারিখে বিলিসারায় অনুষ্ঠিত লঙ্কান ক্রিকেট ক্লাব বনাম শ্রীলঙ্কা নেভি’র মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

২০২২ সাল থেকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ১৪ জুন, ২০২২ তারিখে পল্লেকেলেতে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। এ পর্যায়ে তিনি ১১টি প্রথম-শ্রেণীর খেলা থেকে ৩৪ উইকেট দখল করেছিলেন। দাসুন শানাকা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কা দলের সদস্যরূপে পাঁচ-ওডিআই নিয়ে গড়া সিরিজে চমৎকার ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছেন। এছাড়াও, প্রথম টেস্টকে ঘিরে দুইজন অতিরিক্ত খেলোয়াড়ের অন্যতম ছিলেন।

৫ জুলাই, ২০২২ তারিখে মহেশ থিক্সানা’র সাথে তাঁকে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দলে ঠাঁই দেয়া হয়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়াবিক্রমা ও এম্বালদেনিয়া দলের প্রধান স্পিনার হিসেবে খেললেও পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজকে ঘিরে তাঁদের পরিবর্তে প্রভাত জয়সুরিয়া ও দুনিথ বেল্লাগেকে দলে খেলানো হয়। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দলে রাখা হলেও খেলার সুযোগ পাননি। অতঃপর, স্বীয় বিদ্যালয়ের বড় ধরনের খেলায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে তাঁকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। কলম্বোয় সেন্ট যোসেফস কলেজের সদস্যরূপে সেন্ট পিটার্স কলেজের মুখোমুখি হন। এ বছরের শুরুতে শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালে নিজ দেশে বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১৯ বছর বয়সে ২৪ জুলাই, ২০২২ তারিখে গলেতে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের কাছ থেকে টেস্ট ক্যাপ গ্রহণ করেন। ১১ ও ১৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/১৮ ও ০/১৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। পাশাপাশি, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছেন। তবে, ধনঞ্জয় ডি সিলভা’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ২৪৬ রানে জয় পেলেও সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।

Similar Posts

  • |

    আশীষ কাপুর

    ২৫ মার্চ, ১৯৭১ তারিখে তামিলনাড়ুর মাদ্রাজে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দারুণ অফ-স্পিন বোলিং করতেন। বলকে শূন্যে ভাসিয়ে মারতেন ও বৈচিত্র্যতা আনয়ণে সক্ষম ছিলেন। সর্বদাই মিতব্যয়ীভাব বজায় রাখতেন ও হাল ছেড়ে দিতেন না। সচরাচর সাত নম্বর অবস্থানে…

  • |

    জর্জ রো

    ১৫ জুন, ১৮৭৪ তারিখে কেপ প্রভিন্সের গ্রাহামসটাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৯৩-৯৪ মৌসুম থেকে ১৯০৬-০৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন…

  • |

    কুপার কনলি

    ২২ আগস্ট, ২০০৩ তারিখে পার্থে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। বামহাতে ব্যাটিং করে থাকেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী তিনি। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০২৩-২৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করছেন। এছাড়াও, পার্থ স্কর্চার্স ও অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের…

  • |

    আর্টি ডিক

    ১০ অক্টোবর, ১৯৩৬ তারিখে ওতাগোর মিডলমার্চ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৬০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৫৬-৫৭ মৌসুম থেকে ১৯৬৮-৬৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওতাগো ও ওয়েলিংটনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান ছিলেন।…

  • | | |

    লালচাঁদ রাজপুত

    ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৬১ তারিখে মহারাষ্ট্রের বোম্বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, প্রশাসক ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৮০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮১-৮২ মৌসুম থেকে ১৯৯৮-৯৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে আসাম, বোম্বে ও বিদর্ভের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, স্কটল্যান্ডের পক্ষে…

  • | |

    সরফরাজ আহমেদ

    ২২ মে, ১৯৮৭ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে মাঝারিসারিতে ব্যাটিং করে থাকেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরের অংশ নিয়েছেন ও পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। সহজাত প্রকৃতির উইকেট-রক্ষক ছিলেন না। কেবলমাত্র আক্রমণাত্মক স্ট্রোকপ্লের কারণে উত্তরোত্তর নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন। ২০০৬ সালের আইসিসি…