১৮ মার্চ, ১৮৯৪ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কিম্বার্লীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯২০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯১০-১১ মৌসুম থেকে ১৯২৮-২৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ‘ডুডলস’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্টের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯১১ সালে গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্টের পক্ষে প্রথম খেলেন। কারি কাপের খেলায় ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১০২ রানের ইনিংস খেলেন।
১৯২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন। উভয় টেস্টই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯২২-২৩ মৌসুমে নিজ দেশে ফ্রাঙ্ক মানের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৩ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। ডগ মেইনজেসের সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে অগ্রসর হতে থাকে।
এরপর, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৩ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২ ও ৬ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে জর্জ ম্যাকাউলি’র বলে বিদেয় নেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ১০৯ রানে পরাভূত হলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
ক্রিকেটের পাশাপাশি লন টেনিসেও দক্ষতার ছাঁপ রেখেছিলেন। ১৯১২ সালের স্টকহোম অলিম্পিক গেমসে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। একক প্রতিযোগিতার চতুর্থ রাউন্ডে লাদিস্লাভ জেমলা’র কাছে পরাজিত হন। একই বছরের উইম্বলেডনের দ্বৈত প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় রাউন্ডে ওয়ালিস মায়ার্সের সাথে জুটি গড়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছেন।
৭ জুলাই, ১৯৩৪ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেনিলওয়ার্থ এলাকায় মাত্র ৪০ বছর ১১১ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। তাঁর ভ্রাতা জর্জ দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে খেলেছেন। ভগ্নী ডাফনি রুথ বিলি ট্যাপস্কট টেনিস খেলোয়াড় ছিলেন।
