১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ তারিখে বার্বাডোসের হোল্ডার্স হিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন।

‘ডেসি’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে বার্বাডোস, ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্স ও দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, স্কটল্যান্ডের পক্ষে খেলেছেন। ১৯৭৬-৭৭ মৌসুম থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন।

১৯৭৮ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বমোট ১১৬ টেস্ট ও ২৩৮টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। তন্মধ্যে, টেস্টগুলো থেকে ১৮টি শতক সহযোগে ৭৪৮৭ রান সংগ্রহ করেছেন। এ পর্যায়ে গর্ডন গ্রীনিজের সাথে ক্রিকেটের ইতিহাসের সেরা উদ্বোধনী জুটি গড়েন ও বিশ্বব্যাপী বোলারদের উপর ছড়ি ঘোরান। তাঁরা ৬৪৮২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। পেস বোলারদের বলে স্ট্রোক খেলতেই অধিক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। নিজ দেশে অংশগ্রহণকৃত ৪৯ টেস্ট থেকে ৫৬.০৫ গড়ে রান তুলেছিলেন। তবে, স্পিনারদের বিপক্ষে তাঁকে হিমশিম খেতে দেখা যায়। অবশ্য, খেলোয়াড়ী জীবনের শেষদিকে সিডনিতে ৭৫ ও ১৪৩ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।

১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে নিজ দেশে বব সিম্পসনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৮ তারিখে সেন্ট জোন্সে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। স্বল্প কয়েকজন খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে অভিষেক ওডিআইয়ে ১৪৮ রানের মনোজ্ঞ শতক হাঁকানোর গৌরব অর্জন করেন। এরপর থেকে ক্রমাগত রান সংগ্রহ করতে থাকেন। সর্বাধিক রান ও সর্বাধিক শতকের ন্যায় কয়েকটি ওডিআই রেকর্ড গড়েন।

একই সফরের ৩ মার্চ, ১৯৭৮ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ডেরিক প্যারি ও রিচার্ড অস্টিনের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৬১ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ইনিংস ও ১০৬ রানে জয় পেয়ে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।         

১৯৭৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। ঐ প্রতিযোগিতায় তাঁর দল দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয় করে। ১৯৮৩, ১৯৮৭ ও ১৯৯২ সালের প্রতিযোগিতায়ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সদস্য ছিলেন। বিশ্বকাপের ২৫টি খেলায় অংশ নিয়ে একটি শতক ও তিনটি অর্ধ-শতক সহযোগে ৩৭.১৩ গড়ে ৮৫৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন।

১৯৭৯-৮০ মৌসুমে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮০ তারিখে ডুনেডিনে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৭ রানে পৌঁছানোকালে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে টেস্টে নিজস্ব প্রথম শতক হাঁকান। খেলায় তিনি ৫৫ ও ১০৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সফরকারীরা ১ উইকেটে নাটকীয়ভাবে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

এরপর, একই সফরের ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮০ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। এ পর্যায়ে ১০৬ সংগ্রহ করে পূর্বতন সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ০ ও ১২২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, কলিন ক্রফ্ট ও আম্পায়ার ফ্রেড গুডলের টেস্ট নামে পরিচিতি পাওয়া তিক্ততাপূর্ণ খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে সফরকারীরা পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ২৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮০ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ঘটনাবহুল ঐ টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে ৩ রানে থাকাকালে পরবর্তী ৭০ মিনিট তিনি কোন রান সংগ্রহ করতে পারেননি। খেলায় তিনি ৯ ও ৪৮ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে।

১৯৮৪ সালে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড সফরে যান। ৯ আগস্ট, ১৯৮৪ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। ব্যাট হাতে নিয়ে ১০ ও ১২৫ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ডেসমন্ড হেইন্সের অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ১৭২ রানে জয় পেলে ৫-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে ভিভ রিচার্ডসের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের অন্যতম সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৭ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যাটিংয়ে নেমে ১২১ ও ১৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। জন রাইটের অনবদ্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

একই সফরের ১২ মার্চ, ১৯৮৭ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। দল পরাজিত হলেও ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ রানে পৌঁছানোকালে ৪০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ১৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, রিচার্ড হ্যাডলি ও ইয়ান চ্যাটফিল্ডের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে জয় পেলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়।

১৯৯২-৯৩ মৌসুমে নিজ দেশে ওয়াসিম আকরামের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। পুরো সিরিজে অসাধারণ ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রাখেন। ১৬ এপ্রিল, ১৯৯৩ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। ৩১ ও ১৪৩* রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে স্বাগতিকরা ২০৪ রানে জয় পেয়ে সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।

এরপর, একই সফরের ২৩ এপ্রিল, ১৯৯৩ তারিখে ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। এ টেস্টেও দূর্দান্ত খেলেন। ১২৫ ও ১৬* রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।

এরপর, ১ মে, ১৯৯৩ তারিখে সেন্ট জোন্সে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ২৩ ও ৬৪* রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, কার্ল হুপারের অসাধারণ অল-রাউন্ড নৈপুণ্যে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় ও স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। ৪০২ রান সংগ্রহ করে তিনি ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে নিজ দেশে মাইক অ্যাথার্টনের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ৮ এপ্রিল, ১৯৯৪ তারিখে ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩৫ ও ১৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। অ্যালেক স্টুয়ার্টের জোড়া শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ২০৮ রানে পরাজয়বরণ করলেও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

১৯৯৭ সালে ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করেন। অবসর গ্রহণের পর কোচিং জগতের দিকে ধাবিত হন। সাসেক্স ও হ্যাম্পশায়ারের কোচ হিসেবে কাজ করেছেন। তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য ইসিবি ন্যাটওয়েস্ট ডেভেলপম্যান অব এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে যুক্ত ছিলেন। বার্বাডোস ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের দল নির্বাচকমণ্ডলীর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। কার্লটন ক্রিকেট ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদকসহ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। গল্ফের প্রতি অধিক আসক্ত হয়ে পড়েন। এছাড়াও, অবসর গ্রহণের পর নৈশভোজন পরবর্তী বক্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।

১৯৯১ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। তাঁর সম্মানার্থে গর্ডন গ্রীনিজের সাথে কেনসিংটন ওভালের একটি ছাউনি ‘দ্য গ্রীনিজ এন্ড হেইন্স স্ট্যান্ড’ নামে নামকরণ করা হয়। ২ অক্টোবর, ২০১৯ তারিখে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরবর্তী কোচ হিসেবে মনোনয়নের প্রশ্নে ফিল সিমন্সের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৩ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, কুমার সাঙ্গাকারা, মন্টি নোবেল, অব্রে ফকনার, লিয়ারি কনস্ট্যান্টাইন, স্ট্যান ম্যাককাবে, বিনু মানকড়, টেড ডেক্সটার ও বব উইলিসের সাথে একযোগে আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত হন।

Similar Posts

  • |

    জন ডার্সি

    ২৩ এপ্রিল, ১৯৩৬ তারিখে ক্যান্টারবারির ক্রাইস্টচার্চে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৫০-এর দশকের শেষদিকে দূর্বলতর নিউজিল্যান্ড দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সহজাত প্রকৃতির গুণাবলী ছাড়াই অসম্ভব ধৈর্য্যশীলতার পরিচয় দিয়ে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামতেন। সীমিত পর্যায়ের স্ট্রোক প্লের অধিকারী ও অপ্রচলিত পন্থা অবলম্বনে বল মুঠোয় রেখে বোলিং কর্মে…

  • |

    দিলীপ লিয়ানাগে

    ৬ জুন, ১৯৭২ তারিখে কালুতারায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯১-৯২ মৌসুম থেকে ২০০৫-০৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে বার্গার রিক্রিয়েশন ক্লাব ও কোল্টস ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব…

  • | | |

    পার্সি শারওয়েল

    ১৭ আগস্ট, ১৮৮০ তারিখে নাটালের ইসিপিঙ্গো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষণে অগ্রসর হতেন। উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের নেতৃত্বে ছিলেন। নাটালে জন্মগ্রহণ করলেও ইংল্যান্ডে অবস্থানকালে তাঁর ক্রিকেটে উত্তরণ ঘটে। কর্নওয়ালের পক্ষে মাইনর কাউন্টি ক্রিকেটে অংশ নেন। এক পর্যায়ে দেশে ফিরে আসেন ও খনিজ প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করেন।…

  • | |

    ডেনিস কম্পটন

    ২৩ মে, ১৯১৮ তারিখে মিডলসেক্সের হেনডন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে রিস্ট স্পিন বোলিং করতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। উইকেটের সর্বত্র বিস্তৃত স্ট্রোকপ্লের কারণে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ১৯৩৬ থেকে ১৯৬৪ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    জিম স্লাইট

    ২০ অক্টোবর, ১৮৫৫ তারিখে ভিক্টোরিয়ার অ্যাশবি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৭৪-৭৫ মৌসুম থেকে ১৮৮৭-৮৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ১৮৮০ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ…

  • |

    হিউ টেফিল্ড

    ৩০ জানুয়ারি, ১৯২৯ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা পালন করতেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ক্রিকেটপ্রিয় পরিবারের সন্তান ছিলেন। ‘টোই’ ডাকনামে পরিচিত ছিলেন। বলকে তেমন বাঁক খাওয়াতেন না। পেসে ভিন্নতা আনয়ণে সচেষ্ট থাকতেন। জিম লেকার কিংবা ল্যান্স…