|

ডেনিস মরকেল

২৫ জানুয়ারি, ১৯০৬ তারিখে কেপ প্রভিন্সের প্লামস্টিড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। এছাড়াও, স্লিপ অঞ্চলে ফিল্ডিং করে বেশ সুনাম কুড়িয়েছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

দীর্ঘ ও শক্ত-মজবুত গড়নের অধিকারী ছিলেন। চমৎকারভাবে বলকে অফের দিকে ঠেলে দিতেন। এছাড়াও, যে-কোন ধরনের বোলিংয়ের বিপক্ষে রুখে দাঁড়াতে পারতেন। পাশাপাশি, সিম উপযোগী উইকেটেও দূর্দান্ত বোলিং করতেন। ১৯২৪-২৫ মৌসুম থেকে ১৯৩৮ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৩০ ও ১৯৪০-এর দশকে কিছু কার্যকর ইনিংস খেললেও সচরাচর তেমন সফলতা পাননি ও তাঁর বোলিংও কদাচিৎ ব্যবহৃত হতো। ১৯২৮-২৯ মৌসুমে অরেঞ্জ ফ্রি স্টেটের বিপক্ষে নিজস্ব প্রথম শতরানের সন্ধান পান। পরের মৌসুমে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। এ পর্যায়ে নাটালের বিপক্ষে ২০৮ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দেন। এ মৌসুমে কেপটাউনে বর্ডারের বিপক্ষে ১১৪ রানের ইনিংস খেলেন। অষ্টম উইকেটে এস.এস.এল. স্টেইনের (২৬১*) সাথে ২২২ রানের জুটি গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকান রেকর্ড দাঁড় করান। কারি কাপ ক্রিকেটে তুলনামূলকভাবে কম অংশ নিয়েছেন। তাসত্ত্বেও, ৩০ ইনিংস থেকে ৪৬.৯৬ গড়ে রান সংগ্রহসহ ২৬.৬৫ গড়ে ৪৬ উইকেট দখল করেছিলেন।

১৯২৭ থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সর্বমোট ১৬ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯২৭-২৮ মৌসুমে নিজ দেশে ক্যাপ্টেন আর. টি. স্ট্যানিফোর্থের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের প্রত্যেকটিতে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল। তবে, এ সিরিজে তেমন সুবিধে করতে পারেননি। ২৪ ডিসেম্বর, ১৯২৭ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। জক ক্যামেরন, শান্টার কোয়েন, জ্যাকোবাস ডুমিনি, হেনরি প্রমিৎজ ও সিরিল ভিনসেন্টের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ২ ও ২৯ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে জর্জ গিয়ারি’র বলে বিদেয় নেন। এছাড়াও, ১/৩৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ১০ উইকেটে জয় পেলে সিরিজে এগিয়ে যায়।

এরপর, ৩১ ডিসেম্বর, ১৯২৭ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগতভাবে সফল ছিলেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ২৯ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ৩৬ ও ২৩ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ১/২০ ও ০/৬০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ৮৭ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ২১ জানুয়ারি, ১৯২৮ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৩৬ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১৪ ও ৪২ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৭ ও ০/২৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।

এরপর, ১৯২৯ সালে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর নামি ডিনের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড সফরে যান। প্রত্যেক খেলা থেকেই রান পেয়েছেন। লর্ডসে ৮৮, ওল্ড ট্রাফোর্ডে ৬৩ ও ওভালে ৮১ রান তুলেন। এছাড়াও, এ সফরে কয়েকটি উইকেট পান। লর্ডস টেস্টে ৭ উইকেট দখল করেছিলেন।

১৫ জুন, ১৯২৯ তারিখে বার্মিংহামে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে এমডব্লিউ টেটকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ১/২০। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ৩/৪০ ও ১/৫৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

একই সফরের ২৯ জুন, ১৯২৯ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। কয়েকবার ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৪৫ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ৮৮ ও ১৭* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ইএইচ হেনড্রেনকে বিদেয় করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা ছিল ৩/৪০। বল হাতে নিয়ে ৪/৯৩ ও ৩/৬৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়।

এরপর, ১৭ আগস্ট, ১৯২৯ তারিখে ওভালে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৬৭ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮১ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/২০ ও ০/৪৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ২-০ ব্যবধানে বিজয়ী হয়।

১৯৩১-৩২ মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে জক ক্যামেরনের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। এ সফরে বিশাল ব্যর্থতার পরিচয় দেন। ব্যাট কিংবা বল – কোন ক্ষেত্রেই সফলতার সন্ধান পাননি। কেবলমাত্র সফরের শেষ খেলায় কিছুটা প্রভাব ফেলেছিলেন। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৫০ রান ও ৮ উইকেট পান। এরপর, আর তাঁকে কোন টেস্ট খেলতে দেখা যায়নি।

২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩২ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। স্মর্তব্য যে, নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার এটিই প্রথম টেস্ট ছিল। দলের একমাত্র ইনিংসে তিনি ৫১ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। খেলায় সফরকারীরা ইনিংস ও ১২ রানে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সেনাবাহিনীতে যুক্ত ছিলেন। এরপর থেকে ৮৬টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে আট শতক সহযোগে ৩৪.৩০ গড়ে ৪৪৯৪ রান তুলেছেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২৮.৫৮ গড়ে ১৭৪ উইকেট দখল করেছেন। তন্মধ্যে, ছয়বার ইনিংসে পাঁচ-উইকেট পেয়েছেন। স্যার জুলিয়ান কানের সহায়তায় নটিংহামে মোটর ব্যবসা পরিচালনা করতেন। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। মার্গারি নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। ৬ অক্টোবর, ১৯৮০ তারিখে ইংল্যান্ডের নটিংহামের হাসপাতালে আকস্মিকভাবে ৭৪ বছর ২৫৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। তাঁর ভ্রাতা রে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের পক্ষে খেলেছেন।

Similar Posts

  • |

    জর্জ ডকরেল

    ২২ জুলাই, ১৯৯২ তারিখে ডাবলিনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। স্লো লেফট-আর্ম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিং করেন। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন। কিশোর অবস্থা থেকে উত্তরণের পর দূর্লভ প্রতিভাবান বামহাতি স্পিনার হিসেবে চিহ্নিত হন। ১৭ বছর বয়সে ২০১০ সালে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। ৩১…

  • | |

    জন গাই

    ২৯ আগস্ট, ১৯৩৪ তারিখে নেলসনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দ্রুত পদসঞ্চালনায় মজবুত প্রতিরক্ষাব্যূহ সহকারে ও অসম্ভব ধৈর্য্যশক্তির পরিচয় দিয়েছেন। এছাড়াও, বলকে সজোরে আঘাত করাসহ উঁচুতে বলকে প্রেরণ করার অধিকারী ছিলেন। ১৯৫৩-৫৪ মৌসুমে ১৯ বছর বয়সে ৫৭ ও ১১৫ রানের ইনিংস…

  • |

    ব্লেসিং মুজারাবানি

    ২ অক্টোবর, ১৯৯৬ তারিখে হারারের হাইফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘ ৬ ফুট ১০ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। সহজাত পেস ও বাউন্স সহযোগে বোলিং কর্মে অগ্রসর হন এবং মরনে মরকেলের চেয়েও নিজেকে এগিয়েছিলেন। ২০১০-এর…

  • | | |

    জো রুট

    ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৯০ তারিখে ইয়র্কশায়ারের শেফিল্ডে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক কিংবা লেগ-ব্রেক বোলিং করেছেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। হেলেন ও ম্যাট রুট দম্পতির জ্যেষ্ঠ সন্তান তিনি। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে শেফিল্ড কলেজিয়েট সিসি’র পক্ষে খেলেছেন। এ…

  • | | |

    ডাডলি নোর্স

    ১২ নভেম্বর, ১৯১০ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, লেখক ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। এছাড়াও, ডানহাতে বোলিং করতে পারতেন। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাসূলভ স্ট্রোকপ্লে মারতেন। ১৯৩১-৩২ মৌসুম থেকে ১৯৫২-৫৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান…

  • | | | |

    নজর মোহাম্মদ

    ৫ মার্চ, ১৯২১ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ, আম্পায়ার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৫০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৪০-৪১ মৌসুম থেকে ১৯৫২-৫৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে…