২৬ জুন, ১৯৬১ তারিখে গিসবোর্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ ডানহাতে ইনিংস উদ্বোধন কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

১৯৭৯-৮০ মৌসুম থেকে ১৯৯৩-৯৪ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ না নিলেও ১৫ বছর দলটির সদস্যরূপে খেলেন। ১০৬টি প্রথম-শ্রেণীর খেলার পাশাপাশি ৪৪টি লিস্ট-এ ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৯৫ সালে সর্বশেষ খেলেন।

১৯৯০ সালে পাকিস্তান সফরে অংশগ্রহণকৃত দুই টেস্ট ও তিনটি ওডিআই খেলেন। ১৯৯০-৯১ মৌসুমে মার্টিন ক্রো’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে পাকিস্তান গমন করেন। ১০ অক্টোবর, ১৯৯০ তারিখে করাচীতে অনুষ্ঠিত তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ক্রিস প্রিঙ্গলগ্র্যান্ট ব্র্যাডবার্নের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৯ ও ১৮ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। শোয়েব মোহাম্মদের অসাধারণ দ্বি-শতকের কল্যাণে ঐ খেলায় তাঁর দল ইনিংস ও ৪৩ রানের ব্যবধানে পরাভূত হলে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ১৮ অক্টোবর, ১৯৯০ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩ ও ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, ওয়াকার ইউনুসের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৯ উইকেটে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

গোটা সফরে তিনি মোটেই সফলতার সন্ধান পাননি। ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনুসের তোপে পড়েন। সাত ইনিংসের পাঁচটিতেই তাঁদের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এরপর আর তাঁকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে দেখা যায়নি। তিনি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শারীরিক শিক্ষক ছিলেন। ১৯৯০ সালে ম্যাসি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রীধারী হন।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ক্রিকেট প্রশাসনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। অকল্যান্ড রাগবি ও ওয়েলিংটন রাগবির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন। এরপর, ডিসেম্বর, ২০১১ সালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী হিসেবে মনোনীত হন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত।

সম্পৃক্ত পোস্ট