২০ জুন, ১৮৯৭ তারিখে ইংল্যান্ডের লুইশাম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিং শৈলী প্রদর্শন করেছিলেন। ১৯২০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
মারকুটে ব্যাটিং করতেন। ১৯২০-২১ মৌসুম থেকে ১৯২৭-২৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্টের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কারি কাপের খেলাগুলোয় দলের নিয়মিত সদস্যরূপে খেলে ১৭.৯৪ গড়ে ৬১০ রান ও ২৫.৯৮ গড়ে ৭৬ উইকেট দখল করেছিলেন। ১৯২২-২৩ মৌসুমে খ্যাতির শিখরে পৌঁছেন। গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্টের সদস্যরূপে সফররত এমসিসি দলের বিপক্ষে ১১৪ রান খরচায় সাত উইকেট পান। এরফলে, দক্ষিণ আফ্রিকা দলে খেলার সুযোগ পান।
১৯২২ থেকে ১৯২৩ সাল পর্যন্ত সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে পাঁচটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো টেস্টই ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯২২-২৩ মৌসুমে নিজ দেশে ফ্রাঙ্ক মানের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২৩ ডিসেম্বর, ১৯২২ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। বব ক্যাটারল, জর্জ হার্ন, আইজাক বাইস ও উইলিয়াম ব্রানের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ১৯ ও ৯ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে ভ্যালেন্স জাপের শিকারে পরিণত হন। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দীসহ ৩/২৩ ও ১/৫২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ১৬৮ রানে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
একই সফরের ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৩ তারিখে ডারবানে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৪৩ ও ১৮ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, ১/৩৩ ও ১/১৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ১০৯ রানে পরাভূত হলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
গোটা সিরিজে মাত্র ছয় উইকেট দখল করেছিলেন। তন্মধ্যে, প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩/২৩ লাভ করেন। তবে, ব্যাট হাতে বেশ ভালো করেছিলেন। ৩১.৫০ গড়ে ২৫২ রান তুলেন। তন্মধ্যে, ৭২, ৪৩ ও ৪১ রানের ইনিংস ছিল।
দূর্ভাগ্যবশতঃ ১৯২৪ সালের ইংল্যান্ড গমনার্থে তাঁকে দলের সদস্যরূপে রাখা হয়নি। তবে, পরের মৌসুমে সম্মানীয় এল. এইচ. টেনিসনের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের বিপক্ষে একটি অনানুষ্ঠানিক টেস্ট খেলেন। ০ ও ৩৫ রান তুলেছিলেন। ১৯২৭-২৮ মৌসুমে শেষবারের মতো দুইটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেন। এমসিসি’র বিপক্ষে ৫৪ এবং অরেঞ্জ ফ্রি স্টেটের বিপক্ষে ৯৭ ও ৫৪ রান তুলেন। সবগুলো প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ২২.৮১ গড়ে ১২৩২ রান ও ২৮.৪৪ গড়ে ১০১ উইকেট দখল করেছিলেন।
ক্রিকেটের বাইরে এয়ার সার্জেন্ট পদবীধারী ছিলেন। ২৬ মে, ১৯৪৪ তারিখে ট্রান্সভালের প্রিটোরিয়ায় মাত্র ৪৬ বছর ৩৪১ দিন বয়সে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। এ সময়ে তিনি মোটর সাইকেল দূর্ঘটনার কবলে পড়েন।
