|

ক্লাইভ মাদান্দে

১২ এপ্রিল, ২০০০ তারিখে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন।

মাঝারিসারির মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে সুনাম রয়েছে তাঁর। ২০২০-২১ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে মাতাবেলেল্যান্ড তুস্কার্সের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এছাড়াও, জিম্বাবুয়ের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে খেলেছেন। ৩০ মার্চ, ২০২১ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত ম্যাশোনাল্যান্ড ঈগলসের বিপক্ষে খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জীবনের সূত্রপাত ঘটানোর পর থেকে দ্রুততার সাথে তাঁর উত্থান ঘটে। পরবর্তী তিন সপ্তাহের মধ্যে লিস্ট-এ ও ঘরোয়া টি২০ ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো খেলেন।

নিজস্ব দ্বিতীয় প্রথম-শ্রেণীর খেলায় ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন। এর দুই খেলার পর ঈগলসের বিপক্ষে ১১৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। জানুয়ারি, ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলার জন্যে ওডিআই দলে তাঁকে রাখা হয়। তবে, কোন খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। এরপর, মে, ২০২২ সালে নেপাল সফরে তিনটি লিস্ট-এ খেলায় অংশ নিতে তাঁকে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। উল্লেখ করার মতো তেমন ইনিংস না খেললেও পরের মাসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওডিআই ও টি২০আই সিরিজ খেলার সুযোগ পান। ১৪ জুন, ২০২২ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টি২০আইয়ে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এর দুই মাস পর ১০ আগস্ট, ২০২২ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন।

মার্চ, ২০২৪ সালে আফ্রিকান গেমসের ত্রয়োদশ আসরে অংশ নেন। জিম্বাবুয়ের এমার্জিং দলের অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে দলকে স্বর্ণপদক এনে দেন। ১২ জুলাই, ২০২৪ তারিখে ক্রেগ আরভিনের নেতৃত্বাধীন জিম্বাবুয়ে দলের সদস্যরূপে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র-টেস্ট খেলতে ব্রায়ান বেনেটজোনাথন ক্যাম্পবেলের সাথে তাঁকে মনোনীত করা হয়। অতঃপর, ২৫ জুলাই, ২০২৪ তারিখে বেলফাস্টের সিভিল সার্ভিস ক্রিকেট ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রায়ান বেনেট ও জয়লর্ড গাম্বি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। কেবলমাত্র সাবেক জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটার ও আইরিশ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান পিটার মুর (৭৯) ও অতিরিক্ত রানই (৫৯) দলের সর্বোচ্চ রান ছিল। ঐ টেস্টের প্রথম ইনিংসে সর্বাধিক ৪২টি বাই-রান দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের ১৩৭ বছর পর সর্বাধিক ছিল। এছাড়াও, অষ্টম উইকেটে সর্বাধিক ৭৫ রানের জুটি গড়েন। খেলায় তিনি ০ ও ১০ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে অ্যান্ডি ম্যাকব্রায়ানের শিকারে পরিণত হন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে তিনটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক অ্যান্ডি ম্যাকব্রায়ানের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৪ উইকেটে জয়লাভ করে।

সম্পৃক্ত পোস্ট