|

চার্লি স্মিথ

২৫ ডিসেম্বর, ১৮৭২ তারিখে কেপ কলোনির গ্যামটুস রিভার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। এছাড়াও, কার্যকর বোলিং করতেন। ১৯০০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভালের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৯৩-৯৪ মৌসুম থেকে ১৯০৪-০৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ১৯০২ সালে সফররত অস্ট্রেলীয় একাদশের বিপক্ষে ট্রান্সভাল পঞ্চদশের সদস্যরূপে ৫৮ ও অপরাজিত ৭১ রান তুলেছিলেন।

১৯০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো টেস্টই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছেন। ১৯০২-০৩ মৌসুমে নিজ দেশে জো ডার্লিংয়ের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ১১ অক্টোবর, ১৯০২ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ডেভ নোর্স, মেইটল্যান্ড হথর্ন, জর্জ থর্নটন, হেনরি টাবেরার ও লুইস ট্যানক্রেডের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক ঘটে। খেলায় তিনি ১৩ ও ১৬* রান সংগ্রহ করেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

এরপর, একই সিরিজের ৮ নভেম্বর, ১৯০২ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। কয়েকবার ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৬ রানের সমকক্ষ হন। দ্বিতীয় ইনিংসে এ সফলতাকে আরও ছাঁপিয়ে যান। এ পর্যায়ে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৬ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১৬ ও ৪৫ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

টেস্টগুলো থেকে ২১.২০ গড়ে ১০৬ রান তুলতে পেরেছিলেন। তন্মধ্যে, কেপটাউন টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৪৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন।

২৭ মার্চ, ১৯৪৭ তারিখে ট্রান্সভালের জোহানেসবার্গে ৭৪ বছর ৯২ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। ১৯০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের পক্ষে অংশগ্রহণকারী এইচ. ই. স্মিথের জ্যেষ্ঠ ও সৎ ভাই।

Similar Posts

  • |

    ম্যাথু ফিশার

    ৯ নভেম্বর, ১৯৯৭ তারিখে ইয়র্কে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। জুন, ২০১৩ সালে সর্বপ্রথম তাঁর প্রতিভা সর্বসমক্ষে ধরা পড়ে। ১৫ বছর ২১২ দিন বয়স নিয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী কাউন্টি ক্রিকেটার হিসেবে ৪০ ওভারের খেলায় অংশ নেন। ঐ…

  • |

    লাহিরু গামাগে

    ৫ এপ্রিল, ১৯৮৮ তারিখে মারাদানা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ২০১০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ‘নয়া’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছেন। নতুন বল নিয়ে পেস ও সুইং সহযোগে বেশ চমৎকার দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। এছাড়াও, শ্রীলঙ্কার অনুপযোগী পিচেও বলকে সুইং করানোয় সক্ষমতা…

  • |

    নোয়েল হারফোর্ড

    ৩০ আগস্ট, ১৯৩০ তারিখে সাউথল্যান্ডের উইন্টন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৫০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৫৩-৫৪ মৌসুম থেকে ১৯৬৬-৬৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস ও অকল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তন্মধ্যে, ১৯৫৩-৫৪ মৌসুম থেকে ১৯৫৮-৫৯…

  • |

    টাইরেল জনসন

    ১০ জানুয়ারি, ১৯১৭ তারিখে ত্রিনিদাদের টুনাপুনা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। বামহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বেশ লম্বাটে ও শীর্ণকায় গড়নের অধিকারী ছিলেন। ক্ষীপ্রতা সহকারে মিডিয়াম পেস বোলিং করতেন। এছাড়াও, প্রয়োজনে কার্যকর ইন-সুইং করতেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট…

  • |

    জুনায়েদ সিদ্দিকী

    ৩০ অক্টোবর, ১৯৮৭ তারিখে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে অগ্রসর হন। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সচরাচর ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে থাকেন। পিছনের পায়ে ভর রেখে বেশ উঁচুতে ব্যাট তুলে দৃষ্টিনন্দন ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হন। তামিম ইকবালের সাথে ব্যাটিংয়ে নেমে…

  • | |

    ফয়সাল ইকবাল

    ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৮১ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। রক্ষণাত্মক জ্ঞান নিয়ে সাহসী স্ট্রোক খেলোয়াড় হিসেবে ফয়সাল ইকবালের সুনাম ছিল। সামগ্রীকভাবে তিনি পাকিস্তানের মাঝারিসারিতে বেশ ভালো খেলা উপহার দিতেন। কিশোর পর্যায়ের…