৪ আগস্ট, ১৯০১ তারিখে জ্যামাইকার কিংস্টনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২৯-৩০ মৌসুম থেকে ১৯৩৮-৩৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। সব মিলিয়ে মাত্র ১২টি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণ করে ৫৩ গড়ে রান সংগ্রহ করেছিলেন। একটিমাত্র প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণের পরপরই তাঁকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। শৈশবকালে জর্জ হ্যাডলি’র সাথে অন্তরঙ্গপূর্ণ বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। ১৯২৯-৩০ মৌসুমে নিজ দেশে সফররত এমসিসি’র বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজস্ব প্রথম খেলায় ১৮৩ রান তুলেছিলেন।
১৯৩০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। তুলনামূলক দূর্বল খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া ফ্রেডি ক্যালথর্পের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের বিপক্ষে অংশ নেন। ৩ এপ্রিল, ১৯৩০ তারিখে কিংস্টনের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। জর্জ গ্ল্যাডস্টোন, ইভান ব্যারো ও অস্কার ডা কস্তা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ টেস্টে ৪৪ ও ২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে শেষ হয়। পরবর্তীকালে, এটিই তাঁর একমাত্র টেস্টে পরিণত হয়।
দূর্ভাগ্যবশতঃ ১৯৩০-৩১ মৌসুমের অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে উপেক্ষিত হন। এছাড়াও, আর তাঁকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে রাখা হয়নি। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটেও মাঝে-মধ্যে খেলার সুযোগ পেতেন। আট বছরে জ্যামাইকা কিংবা ত্রিনিদাদের পক্ষে মাত্র দশটি খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৩১-৩২ মৌসুমে লর্ড টেনিসন একাদশের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হয়েছিলেন। নিজস্ব তৃতীয় প্রথম-শ্রেণীর খেলায় ২৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এ পর্যায়ে জর্জ হ্যাডলি’র সাথে ষষ্ঠ উইকেটে নিরবিচ্ছিন্ন ৪৮৭ রান তুলেন। অদ্যাবধি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সর্বকালের সেরাদের তালিকায় ষষ্ঠ উইকেটে বিশ্বরেকর্ড হিসেবে টিকে আছে স্ব-মহিমায়। ৭ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে জ্যামাইকার মন্টেগো বে এলাকায় ৭০ বছর ১৫৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
