২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৭ তারিখে লন্ডনের মেরিলেবোন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
এটন কলেজে অধ্যয়ন করেছেন তিনি। কভেন্ট্রি আর্লের দ্বিতীয় ও কনিষ্ঠ পুত্র ছিলেন। ১৮৮৮-৮৯ মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সরব ছিলেন। এরপূর্বে মাইনর ক্রিকেটে ওরচেস্টারশায়ারের পক্ষে খেলতেন।
১৮৮৮-৮৯ মৌসুমে এমসিসি দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন। স্বল্প কয়েকজন খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে জীবদ্দশায় জানতে পারেননি যে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। মেজর হোয়ারটনের অদ্ভূত চিন্তাধারার ফসল হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় যাবার সুযোগ পান ও তিনি তেমন ভালোমানের ক্রিকেটার ছিলেন না। দৃশ্যতঃ দ্বিতীয়সারির দলের সদস্য হিসেবে সেখানে দুইটি খেলায় অংশ নেন। পরবর্তীতে এ দুই খেলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম দুই টেস্ট হিসেবে চিত্রিত হয়।
প্রথম টেস্টে অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নেন। ১২ মার্চ, ১৮৮৯ তারিখে পোর্ট এলিজাবেথের জিকিবার্হায় স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ফ্রাঙ্ক হার্ন, মন্টি বাউডেন, ব্যাসিল গ্রিভ, আর্নল্ড ফদারগিল ও অব্রে স্মিথের সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। দশ নম্বর অবস্থানে ব্যাটিং নামেন ও ১২ রান তুললেও কোন বোলিং করেননি। একবার আউট হন। ৮ উইকেটে জয়লাভ করলে তাঁর দল দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।
দ্বিতীয়টিতে ১ রানে অপরাজিত ছিলেন ও সব মিলিয়ে ১২ রান তুলেন। এভাবেই তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনের সমাপ্তি ঘটে। ৫ মার্চ, ১৮৮৯ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ইনিংস ও ২০২ রানে জয়লাভ করে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৮৯৩ সালে আফ্রিকার সংঘর্ষে লিপ্ত অনেকগুলো এলাকার অন্যতম মাতাবেলেল্যান্ড অভিযানে অংশ নেন। ১৮৯৬ সালে কুখ্যাতি পাওয়া জেমসন অবরোধে যোগ দেন ও তাঁর নিহত হবার খবর রটে যায়। তাঁকে ঘিরে ইংল্যান্ডে শোকানুষ্ঠান আয়োজনকালে তিনি উপস্থিত হন। এ অবরোধে তাঁকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হলেও ২৪ দিন পর দূর্বল স্বাস্থ্যের কারণে তাঁকে মুক্তি দেয়া হয়েছিল। দুই দশক পর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ডার্ডানেলেস অভিযানে যোগ দিয়েছিলেন। ফিলিস্তিনে তিনি আটক হন। অনেকগুলো বছর জকি ক্লাবের পক্ষে ঘোড়দৌড়ে অংশ নিতেন। ২ জুন, ১৯২৯ তারিখে ওরচেস্টারশায়ারের আর্লস ক্রুম এলাকায় ৬২ বছর ৯৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
