|

চামিলা গামাগে

৪ জানুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে ইউনাওয়াতুনা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ২০০০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

৫ ফুট ১১ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে বলকে সুইং করাতে পারতেন। গলভিত্তিক রিচমন্ড কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ইংল্যান্ড সফরে বিপর্যয়মূলক সফরের প্রেক্ষিতে ২৩ বছর বয়সে শ্রীলঙ্কা দলের সদস্যরূপে মনোনীত হন। বিসিসিএসএলের ফাস্ট বোলিং ইউনিটের মাধ্যমে তাঁকে চিহ্নিত করা হয়। বিমানবাহিনীতে কাজ করেন। ২০০০-০১ মৌসুম থেকে ২০১১-১২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে সেন্ট্রাল প্রভিন্সেস ও শ্রীলঙ্কা এয়ার ফোর্স স্পোর্টস ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

২০০২ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্ট ও সাতটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ২০০২ সালে নিজ দেশে খালেদ মাসুদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ২৮ জুলাই, ২০০২ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। জিহান মুবারক ও নাভিদ নওয়াজের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে দারুণ খেলেন। টেস্ট ক্রিকেটে নিজস্ব প্রথম বলে উইকেট নিয়ে বিরল কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। এছাড়াও, অভিষেক টেস্টে ব্যাট হাতে নিয়ে সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। এগারো নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৪৬ বলে ৪০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, মাইকেল ভ্যানডর্টের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৬৮ রানে জয় পেয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

এরপর, একই সফরে তিনটি ওডিআই নিয়ে গড়া সিরিজের সবকটিতেই অংশ নেয়ার সুযোগ পান। ৪ আগস্ট, ২০০২ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন। পাকিস্তান সফরে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের সদস্যরূপে খেলেও যথেষ্ট সফল ছিলেন। এরফলে, ২০০২-০৩ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা গমনার্থে মারভান আতাপাত্তু’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সদস্যরূপে মনোনীত হন। ঐ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলেন। ১৫ নভেম্বর, ২০০২ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ২ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৭১ ও ০/৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। শন পোলকের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩ উইকেটে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

সম্পৃক্ত পোস্ট