| |

বব কুনেছ

৫ জানুয়ারি, ১৯৪১ তারিখে নর্থল্যান্ডের হোয়াঙ্গারেই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ বোলারের দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

হোরা হোরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় জীবন শেষ করার পর ১৯৫২ সালে হোয়াঙ্গারেই বয়েজ হাই স্কুলের ইন্টারমিডিয়েট সেকশনে ফর্ম ওয়াইআইয়ে ভর্তি হন। ১৯৫৩ সালে ফর্ম টুসিতে ছিলেন। ইন্টারমিডিয়েট স্কুলে অধ্যয়নকালীন তাঁর মাঝে সর্বক্রীড়ায় প্রতিভার স্বাক্ষর ধরা পড়ে। অনূর্ধ্ব-১২ শ্রেণীর ৮৮০ গজ দৌঁড়ে প্রথম হন ও পরের বছর অনূর্ধ্ব-১৩ শ্রেণীতেও একই সাফল্য পান। এছাড়াও, রাগবি দ্বিতীয় পঞ্চদশ ও ক্রিকেট প্রথম একাদশে ইন্টারমিডিয়েট স্কুলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। অনূর্ধ্ব-১৩ সাঁতার প্রতিযোগিতায় স্থান লাভ করেন।

অপ্রত্যাশিত ধরনের বোলিং করতেন। অত্যন্ত জটিল বোলিং ভঙ্গীমায় দৃশ্যতঃ ভুল পায়ের বোলার হিসেবে চিত্রিত হয়েছিলেন। এছাড়াও, নিচেরসারির কার্যকর ব্যাটসম্যান হিসেব পরিচিতি পেয়েছিলেন। খুব ছোটবেলা থেকে নর্থল্যান্ডে গ্রেড ক্রিকেটে অংশ নিতেন। এরপর, অকল্যান্ডে চলে যান। ১৯৬০-৬১ মৌসুম থেকে ১৯৭৬-৭৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৬০ সালে অকল্যান্ড দলের সদস্যরূপে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ঐ খেলায় তিনি ৬/৭২ লাভ করেন। পরবর্তী কয়েক মৌসুম প্লাঙ্কেট শীল্ডে ব্যাপক সাফল্য পান। ফলশ্রুতিতে, ১৯৬৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলার জন্যে তাঁকে নিউজিল্যান্ড দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দলে অন্তর্ভূক্তির প্রশ্নে তাঁকে সর্বদাই ফাস্ট বোলিং তারকা ডিক মৎজের সাথে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হতে হতো। ১৯৭৭ সালে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের সদস্যরূপে খেলোয়াড়ী জীবনের সমাপ্তি টানেন। এ সময়ে ২৬.৬৫ গড়ে ৩৮৬টি প্রথম-শ্রেণীর উইকেট পেয়েছিলেন। তন্মধ্যে, ১৮বার পাঁচ-উইকেট ও দুইবার খেলায় দশ উইকেটের সন্ধান পান।

১৯৬৪ থেকে ১৯৭২ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ২০ টেস্টে অংশ নিয়ে ৫১ উইকেট দখল করেন। কেবলমাত্র একবার পাঁচ-উইকেট পেয়েছেন ও ২৯৫ রান সংগ্রহ করেছেন। তন্মধ্যে, ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৫১ রান তুলেছেন। তবে, নিজের স্বর্ণালী সময়ে সুনীল গাভাস্কার, ক্লাইভ লয়েড, জহির আব্বাস ও গ্যারি সোবার্সের ন্যায় তারকা খেলোয়াড়দের সাথে বিশ্ব একাদশের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছিলেন।

১৯৬৩-৬৪ মৌসুমে নিজ দেশে ট্রেভর গডার্ডের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ১৩ মার্চ, ১৯৬৪ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। গ্রায়েম পোলককে বিদেয় করে নিজস্ব প্রথম টেস্ট উইকেটের সন্ধান পান। খেলায় তিনি ০/৮০ ও ২/৪৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ০ ও ৪* রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় শেষ হয়। পাশাপাশি, টেস্ট ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার নিষেধাজ্ঞার কবলের পূর্বে এটিই নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার সর্বশেষ খেলা ছিল।

তবে, ছন্দহীনতার কবলে পড়লে পরের বছর বিদেশ সফর করা থেকে বঞ্চিত হন। দুই বছর পর নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের রেকর্ড বহিতে স্থান নেয়া সিরিজে অংশগ্রহণের পূর্বে নিজ দেশে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অংশ নেন।

১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে নিজ দেশে গ্যারি সোবার্সের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৬ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১৩ ও ২০* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৩৬ ও ১/৮০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সফরকারীরা ৫ উইকেটে জয়লাভ করলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৬৯ সালে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর গ্রাহাম ডাউলিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের অন্যতম সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২১ আগস্ট, ১৯৬৯ তারিখে লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৩/৪৯ ও ২/৩৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে ০ ও ৭ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে ডেরেক আন্ডারউডের শিকারে পরিণত হন। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। ৮ উইকেটে জয় পেলে সফরকারীরা ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

ঐ বছর ইংল্যান্ড, ভারত ও পাকিস্তান সফরের পর দৃশ্যতঃ দলের প্রধান বোলারে পরিণত হন। কিন্তু, ব্যাট হাতে নিয়েই ক্রিকেট জগতে কিংবদন্তীতে পরিণত হন। তন্মধ্যে, স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলোয়াড়ী জীবনের অন্যতম স্মরণীয় ইনিংস খেলেন। ঢাকায় অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টের পূর্বে ১-০ ব্যবধানে সফরকারীরা এগিয়ে যায় ও সিরিজ জয়ের জন্যে ড্রয়ের প্রয়োজন পড়ে। ঐ টেস্টে ১৭ রানে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় ইনিংসের শেষদিনের মধ্যাহ্নভোজনের পূর্বে দলের সংগ্রহ ১০১/৮ হয়। ডিক ব্রিটেনডেন এ বিষয়ে উল্লেখ করেন যে, তিনি যখন প্রখর রৌদ্রে মাঠে নামেন তখন তিনি জানতেন যে কাঁধে বিরাট বোঝা মাঠে নিয়ে নামছেন। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট প্রথমবারের মতো সিরিজ জয় করবে। তিনি আরও জানতেন যে, যদি তিনি ব্যর্থ হন তাহলে দল খেলায় হারবে। ভারতের তুলনায় পাকিস্তানের আম্পায়ারিংয়ের মান কিছুটা ভালো হলেও সন্দেহজনক ছিল। সর্বোপরি মাসব্যাপী এ সফরে দলীয় সঙ্গীদের প্রাণান্তঃকর প্রচেষ্টা সম্পর্কে সজাগ ছিলেন। তিনি সঙ্গীদের আস্থাভাজন ছিলেন ও তিনি তাঁদেরকে নিরাশ করতে পারেন না। কিছুতেই না। সপ্তম উইকেটে মার্ক বার্জেসের সাথে ৯৬ রানের জুটি গড়েন।

পাকিস্তানী বোলারদেরকে নিরাশ করেন। চল্লিশ হাজার দর্শকদের সামনে দুই ঘণ্টার অধিক সময় নিয়ে বলের পর বল ঠেকাতে থাকেন ও ৯৬ রানের অমূল্য জুটি গড়েন। এক পর্যায়ে ২৩ রানে বোল্ড হন ও নিউজিল্যান্ডের ইনিংস ২০০ রানের কাছাকাছি চলে আসে। ১৫০ মিনিটে ১৮৪ রানে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পাকিস্তান দল আশাবাদী ছিল। কিন্তু, ইনিংসের শুরুতে তিনি বাঁধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান। সাত ওভারে ৪/২১ লাভ করেন। এরফলে, ব্ল্যাক ক্যাপসরা খেলাটিকে ড্রয়ের দিকে নিয়ে যায়। পাশাপাশি, বিদেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ড দল প্রথমবারের মতো সিরিজ জয়ে সমর্থ হয়। তিনি এরচেয়েও বড় ইনিংস ও সেরা বোলিং করলেও ঐ টেস্টের ন্যায় এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অবতীর্ণ হননি। এ সফরসহ ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ ছন্দোময় অবস্থানে থাকার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬৯ সালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট অ্যালমেনাক কর্তৃক বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননা লাভ করেন।

১৯৭০-৭১ মৌসুমে নিজ দেশে রে ইলিংওয়ার্থের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ২৩ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ০ ও ৩৫ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৪৪ ও ০/১৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

একই সফরের ৫ মার্চ, ১৯৭১ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে কেন সাটলওয়ার্থের উইকেট লাভ করে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তাঁর পূর্বেকার সেরা সাফল্য ছিল ৪/২১। এ পর্যায়ে প্রথমবারের মতো পাঁচ-উইকেট লাভ করেন। খেলায় তিনি ৬/৭৬ ও ৩/৫২ লাভ করেন। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ৫* রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

১৯৭১-৭২ মৌসুমে গ্রাহাম ডাউলিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের অন্যতম সদস্যরূপে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ৯ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। আবারও, ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ৩৫ রান সংগ্রহকালীন পূর্বতন ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানকে অতিক্রম করেন। একবার ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ পেয়ে ৫১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/৬৭ ও ০/৩৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৭১-৭২ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অষ্টম উইকেটে বেভান কংডন ও বব কুনেছের সংগৃহীত ১৩৬ রান নিউজিল্যান্ডীয় রেকর্ডের মর্যাদা পাচ্ছে।

একই সফরের ২০ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সিরিজের চূড়ান্ত ও পঞ্চম টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে এআই কালীচরণকে বিদেয় করে নিজস্ব প্রথম উইকেটের সন্ধান পান। এ পর্যায়ে তিনি টেস্টে ৫০ উইকেট লাভের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ১/৬১ ও ১/২১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। অবশ্য, খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

বিবিসি’র ধারাভাষ্যকার ও সাংবাদিক জন আর্লট তাঁর সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন যে, ‘তিনি এটিও না, ওটিও না।’ ক্রিকেটের পাশাপাশি রাগবি খেলোয়াড় হিসেবেও তাঁর সুনাম ছিল। থ্রী-কোয়ার্টার অবস্থানে খেলতেন।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর কোচিং জগতের দিকে ধাবিত হন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত চার বছর নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের কোচ ছিলেন। ৯ আগস্ট, ২০০৮ তারিখে নর্থল্যান্ডের হোয়াঙ্গারেই এলাকায় নিজ গৃহে ৬৭ বছর ২১৭ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    আড্রিয়ান কুইপার

    ২৪ আগস্ট, ১৯৫৯ তারিখে ট্রান্সভালের জোহানেসবার্গে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ওয়েস্টার্ন কেপের এলগিনে তাঁদের ফলমূল ও পোল্ট্রি খামার রয়েছে। ক্রিকেটপ্রিয় পরিবারের সন্তান তিনি। জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা জেন কুইপার প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটার ও ভ্রাতৃষ্পুত্র…

  • |

    ফারভিজ মাহারুফ

    ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৪ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। দীর্ঘদেহী, লিকলিকে ও উন্মুক্ত বক্ষের অধিকারী ডানহাতি ফাস্ট বোলার। অফ-স্ট্যাম্প বরাবর বল ফেলাসহ বলকে বাঁক খাওয়ানোর কারণে নিজেকে বিপজ্জ্বনক বোলারে পরিণত করেছিলেন। ছন্দোবদ্ধ দৌঁড়ে বোলিং…

  • | | |

    ফারুক ইঞ্জিনিয়ার

    ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৮ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বোম্বেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, রেফারি ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। উইকেট-রক্ষণের পাশাপাশি ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। দীর্ঘকায় ও মজবুত গড়নের অধিকারী তিনি। পাশাপাশি আগ্রাসী ব্যাটসম্যান ছিলেন এবং ক্ষীপ্রগতিতে উইকেট-রক্ষণে এগিয়ে আসতেন। ভারতের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে…

  • |

    জিম স্লাইট

    ২০ অক্টোবর, ১৮৫৫ তারিখে ভিক্টোরিয়ার অ্যাশবি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮৭৪-৭৫ মৌসুম থেকে ১৮৮৭-৮৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ১৮৮০ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ…

  • |

    সেলিম ইলাহী

    ২১ নভেম্বর, ১৯৭৬ তারিখে পাঞ্জাবের শাহীওয়ালে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম থেকে ২০১০-১১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে হাবিব ব্যাংক লিমিটেড, লাহোর ও ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।…

  • | |

    নাজমুল হোসেন শান্ত

    ২৫ আগস্ট, ১৯৯৮ তারিখে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ধ্রুপদীশৈলীর বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। দর্শনীয় ব্যাটিং নৈপুণ্যের অধিকারী হিসেবে পিছনে ব্যাট উঁচু করে বামহাতে বল মোকাবেলা করার সক্ষমতা…