|

বিউরেন হেনড্রিক্স

৮ জুন, ১৯৯০ তারিখে কেপটাউনের লুইস লিপোল্ট হাসপাতালে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করে থাকেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংয়ে পারদর্শী। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

বলে পেস ও সুইং আনয়ণে সক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন। ক্রমাগত ১৪০ কিলোমিটার গতিবেগে বোলিং করতে পারেন। ২০০৯-১০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, কেপ কোবরাজ, ইম্পি, কিংস ইলাভেন পাঞ্জাব, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, সেন্ট লুসিয়া জুকসের পক্ষে খেলেছেন। ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ তারিখে ডারবানভিলে অনুষ্ঠিত ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স বনাম নর্দার্নসের মধ্যকার খেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

২০১২-১৩ মৌসুমের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ৭ খেলায় অংশ নিয়ে ৩৫ উইকেটের সন্ধান পান। এরফলে, দক্ষিণ আফ্রিকার ‘এ’ দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। ২০১৩ সালে প্রিটোরিয়ায় অনুষ্ঠিত ভারত ‘এ’ দলের বিপক্ষে ১১ উইকেট দখল করে দলের জয়ে ভূমিকা রাখেন।

২০১৩-১৪ মৌসুমের র‌্যাম স্ল্যাম টি২০ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দারুণ প্রভাব ফেলেন। ১১ খেলা থেকে ১০.২৮ গড়ে ২৮ উইকেট নিয়ে সর্বাধিক উইকেট সংগ্রাহকে পরিণত হন। ঐ প্রতিযোগিতায় কেপ কোবরাজের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। এছাড়াও, আইপিএলে কিংস ইলাভেন পাঞ্জাবের সাথে ১.৮ কোটি রূপীর বিনিময়ে চুক্তিবদ্ধ হন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্রমাগত দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ দক্ষিণ আফ্রিকার টি০২আই দলের সদস্যরূপে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

২০১৪ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ১২ মার্চ, ২০১৪ তারিখে ডারবানে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি২০আইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের আইসিসি বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতায় তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকা দলে রাখা হয়। প্রথম দুই খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। মর্নে মরকেলের পরিবর্তে তাঁকে খেলানো হয়। তিন খেলা থেকে চার উইকেট দখল করেন ও বলে বৈচিত্র্যতা আনয়ণে মিতব্যয়ী বোলিং করেন।

২০১৯-২০ মৌসুমে নিজ দেশে জো রুটের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ২৪ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে টেস্টে নিজস্ব প্রথম পাঁচ-উইকেট লাভ করেন। খেলায় তিনি ১/১১১ ও ৫/৬৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৫* ও ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। প্রতিপক্ষীয় মার্ক উডের অসাধারণ অল-রাউন্ড সাফল্যে স্বাগতিকরা ১৯১ রানে পরাভূত হলে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

২৩ মার্চ, ২০২০ তারিখে সিএসএ’র জাতীয় চুক্তিনামায় তাঁকে রাখা হয়। কিগান পিটারসনের সাথে তাঁকেও দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট দলের বাইরে রাখা হয়। তবে, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকা দলে ঠাঁই দেয়া হয়।

Similar Posts

  • | |

    ফিল হর্ন

    ২১ জানুয়ারি, ১৯৬০ তারিখে ওয়েলিংটনের আপার হাটে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও রেফারি। দলে মূলতঃ ইনিংস উদ্বোধনে নামতেন। বামহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। এছাড়াও, কভার অঞ্চলে অসাধারণ ফিল্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ম্যাট হর্নের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা তিনি। তবে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ হন। ১৯৭৯-৮০ মৌসুম থেকে ১৯৯০-৯১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে…

  • |

    পল হোয়াইটল’

    ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯১০ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ইনিংস উদ্বোধন কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। আক্রমণাত্মক ধাঁচ অবলম্বনে ব্যাটিং করতেন। দৃষ্টিনন্দন না হলেও কার্যকর খেলতেন। ১৯২৮-২৯ মৌসুম থেকে ১৯৪৬-৪৭ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব…

  • | | |

    রবি শাস্ত্রী

    ২৭ মে, ১৯৬২ তারিখে মহারাষ্ট্রের বোম্বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। ভারত দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। যেখানে ক্রিকেট ও ক্রিকেটবিষয়ক আলোচনা রয়েছে সেখানেই তাঁর নিত্য অবস্থান। টেলিভিশনের পর্দায় তাঁর চেহারা ও কণ্ঠস্বরকে ঘিরে গণমাধ্যমে…

  • |

    নেভিল কুইন

    ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৮ তারিখে অরেঞ্জ ফ্রি স্টেটের টিফন্তেইন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। নতুন বলে বেশ সুইং আনতে পারতেন। ১৯২৭-২৮ মৌসুম থেকে ১৯৩৩-৩৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের…

  • |

    উইলিয়াম চ্যাটারটন

    ২৭ ডিসেম্বর, ১৮৬১ তারিখে ডার্বিশায়ারের থর্নসেট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৮৯০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৮৮২ থেকে ১৯০২ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ডার্বিশায়ারের অন্যতম সেরা তারকা খেলোয়াড় ছিলেন। অনেকগুলো বছর পেশাদারী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শীর্ষ…

  • |

    পিটার কার্লস্টেইন

    ২৮ অক্টোবর, ১৯৩৮ তারিখে ট্রান্সভালের ক্লার্কসডর্প এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। ১৯৬০-এর দশকের আগে-পিছে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৫৪-৫৫ মৌসুম থেকে ১৯৭৯-৮০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে রোডেশিয়া, নাটাল, অরেঞ্জ…