২৮ মার্চ, ১৯৫৬ তারিখে কালুতারায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতি লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতের নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৮৩-৮৪ মৌসুম থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে গল ক্রিকেট ক্লাব ও নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৮৫ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে সর্বমোট ১০ টেস্ট ও ২৮টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে নিজ দেশে কপিল দেবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৩০ আগস্ট, ১৯৮৫ তারিখে কলম্বোর এসএসসিতে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। সলিয়া অহঙ্গামা’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০/১৮ ও ০/২০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।
খেলোয়াড় হিসেবে স্বল্পকালীন মাঠে অবস্থান করেছিলেন। তবে, দ্বিতীয় পর্যায়ে পুণরায় মাঠে নেমেছেন। ১৯৯০-৯১ মৌসুমে অর্জুনা রানাতুঙ্গা’র নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ১ মার্চ, ১৯৯১ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ২ ও ০ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, ২/৬৭ ও ০/৬১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, অরবিন্দ ডি সিলভা’র অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় ও ফলাফলবিহীন অবস্থায় সিরিজটি শেষ হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর শ্রীলঙ্কার সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ক্রিকেট আম্পায়ার হিসেবে আবির্ভূত হন। ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর পরিপূর্ণভাবে প্রশিক্ষিত কোচ হন। এরপর, আম্পায়ারিত্বের দিকে ধাবমান হন।
১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে গলেতে শ্রীলঙ্কা বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার টেস্ট খেলাটি প্রথমবারের মতো পরিচালনায় অগ্রসর হন। সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে আইসিসি’র এলিট আম্পায়ার প্যানেলের সদস্য হন। তবে, ২০০৪ সালের শুরুরদিকে অবনমনের শিকার হন। তাসত্ত্বেও, আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল আম্পায়ার্স প্যানেলের সদস্য হিসেবে রয়ে যান। প্রায়শঃই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততম সময়সূচীর কারণে খেলায় তাঁকে মনোনীত করা হয়। ১৯৯৯ থেকে ২০১২ সময়কালে সর্বমোট ৪৯ টেস্ট, ১২২টি ওডিআই ও ১১টি টি২০আই পরিচালনা করেছেন। এ পর্যায়ে ২০০৩, ২০০৭ ও ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দুই খেলায় আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
