২২ এপ্রিল, ১৯৫৮ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৮০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
অপ্রত্যাশিত বৃহৎ গড়নের উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭৪-৭৫ মৌসুম থেকে ১৯৯৩-৯৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া পর্যায়ের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে ইনকাম ট্যাক্স, লাহোর, পাকিস্তান রেলওয়েজ ও ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয় দলে পক্ষে খেলেছেন। ১৯৮০-৮১ মৌসুমের ঘরোয়া আসরে ১০৫৩ রান সংগ্রহের পাশাপাশি ৩৭টি ডিসমিসাল ঘটিয়ে জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর নজরে পড়েন।
১৯৮০ থেকে ১৯৮৭ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে আটটিমাত্র টেস্ট ও ১৬টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ৫ ডিসেম্বর, ১৯৮০ তারিখে শিয়ালকোটে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু করেন।
১৯৮১-৮২ মৌসুমে নিজ দেশে দিলীপ মেন্ডিসের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ১৪ মার্চ, ১৯৮২ তারিখে ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৫৮ ও ২৯* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ ও একটি স্ট্যাম্পিংয়ের সাথে নিজেকে জড়ান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা এগিয়ে যায়।
নিয়মিতভাবে রান পেলেও ওয়াসিম বারি’র প্রত্যাবর্তনে তাঁকে মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়। এক পর্যায়ে ওয়াসিম বারি অবসর গ্রহণ করলে সেলিম ইউসুফের পর পাকিস্তানের বিকল্প উইকেট-রক্ষকের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন।
১৯৮৭-৮৮ মৌসুমে নিজ দেশে মাইক গ্যাটিংয়ের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮৭ তারিখে করাচীতে সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। একবার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে ১২ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। তবে, আব্দুল কাদিরের অল-রাউন্ড ক্রীড়ানৈপুণ্যে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় ও স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। ১৯৮৮-৮৯ মৌসুমে অস্ট্রেলীয় একাদশের বিপক্ষে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন।
