|

অ্যান্ডি ম্যাকব্রায়ান

৩০ এপ্রিল, ১৯৯৩ তারিখে লন্ডনডেরি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে কার্যকর অফ-ব্রেক বোলিং করেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিং করে থাকেন। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

কিশোর বয়স থেকেই ক্রিকেটের সাথে যুক্ত রয়েছেন। ২০১৩ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর আইরিশ ক্রিকেটে নর্থ ওয়েস্ট ওয়ারিয়র্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আয়ারল্যান্ডের সকল স্তরের অধিনায়ক উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের ন্যায় ডনেমানাভিত্তিক নর্থ ওয়েস্ট ক্লাবে একত্রে খেলেছিলেন। ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে আন্তঃপ্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ঐ ক্লাবের অধিনায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। রঙিন পোশাক পরিহিত অবস্থায় দলে নিয়মিতভাবে খেলছেন। পাশাপাশি, আয়ারল্যান্ডের সাদা-বলের দলের সদস্যরূপে আন্তঃমহাদেশীয় কাপের অন্যতম চালিকা শক্তিতে পরিণত হয়েছেন। জর্জ ডকরেলের পূর্বে ব্যাটিং অবস্থানে নামছেন।

১৯৮৫ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিত্বকারী কাকা জেমস ম্যাকব্রায়ানের পর আয়ারল্যান্ডের দ্বিতীয় প্রজন্মের ক্রিকেটার হিসেবে খেলছেন। এছাড়াও, জুনিয়র ম্যাকব্রায়ান নামে পরিচিত পিতা আলেকজান্ডার ম্যাকব্রায়ান আয়ারল্যান্ডে খেলেছেন। জর্জ ডকরেলের অধিনায়কত্বে আয়ারল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে ব্যাটিং অল-রাউন্ডার ছিলেন। ২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় চার নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন। তবে, ঐ প্রতিযোগিতায় তেমন সুবিধে করতে পারেননি।

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ তারিখে ডাবলিনে অনুষ্ঠিত স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের সদস্যরূপে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। আট নম্বর অবস্থানে নেমে ২৬ বল মোকাবেলা ২১ রান তুলেন। কয়েক মাস পর জানুয়ারি, ২০১৪ সালে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত নাগিকো সুপার৫০ প্রতিযোগিতায় গায়ানার বিপক্ষে লিস্ট-এ ক্রিকেটে অভিষেক হয়। এ খেলায় তেমন সুবিধে করতে পারেননি ও উইকেট-শূন্য অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

২০১৪ সাল থেকে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ তারিখে ডাবলিনের মালাহাইডে অনুষ্ঠিত স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জগতে প্রবেশ করেন। ডাবলিনে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় নয় ওভারে ২/৩৮ লাভ করেছিলেন। রিচি বেরিংটন ও জন ডেভি তাঁর শিকারে পরিণত হন।

নিচেরসারির কার্যকরী ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি অফ-স্পিন বোলিংয়ে দক্ষতার সুবাদে প্রথমবারের মতো তাঁকে বড়দের দলে খেলার সুযোগ এনে দেয়। মার্চ, ২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডে অংশ নেন। ২০১৪ সালে বিশ্ব টি২০ প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নির্ধারিত চার ওভারে ২/২৬ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন। এরফলে, টেস্টভুক্ত দলের বিপক্ষে নিজস্ব প্রথম খেলায় দলের বিজয়ে প্রভূতঃ ভূমিকা পালন করেছিলেন। কিন্তু, পরের খেলায় তুলনামূলকভাবে কম সফল হয়েছিলেন। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে এক ওভারে ২৪ রান খরচ করে ফেলেন। চার ছক্কায় গড়া ঐ ওভারেই আয়ারল্যান্ড দলের পরাজয় নির্ধারিত হয়ে যায়।

২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় প্রস্তুতি নেয়ার উদ্দেশ্যে ২০১৪ সালের শরৎকালে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও দুবাই সফরে আয়ারল্যান্ড দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। তন্মধ্যে, দুবাইয়ে নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বিপক্ষে বেশ ভালো খেলেন। ২/৩৮ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে নিয়ে ৪৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। এ সফরে একই দক্ষতার অধিকারী ও খেলোয়াড়ী জীবনের শেষ প্রান্তে উপনীত হওয়া অ্যান্ড্রু হোয়াইটের চেয়েও বেশ ভালোমানের ক্রীড়াশৈলী উপহার দেন। এরফলে, দল নির্বাচকমণ্ডলীর সুনজরে ছিলেন। ১৫-সদস্যের আয়ারল্যান্ড দলের সদস্যরূপে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশ নেন। তবে, তিন খেলায় অংশ নিয়ে কেবলমাত্র তিন উইকেটের সন্ধান পেয়েছিলেন। ৯ মে, ২০১৭ তারিখে তাঁকে আয়ারল্যান্ড দল থেকে বাদ দেয়া হয় ও সিমি সিংকে যুক্ত করা হয়।

মে, ২০১৮ সালে সম্মুখসারির স্পিনার হিসেবে আয়ারল্যান্ডের টেস্ট দলে অন্তর্ভুক্ত হন। ২২ জুন, ২০১৮ তারিখে ভারতের বিপক্ষে টি২০আই সিরিজ খেলার উদ্দেশ্যে জশুয়া লিটলের সাথে আয়ারল্যান্ড দলে পুণরায় যোগ দেন।

২০১৮-১৯ মৌসুমে আসগর আফগানের নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তানের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের উদ্বোধনী টেস্টে অংশগ্রহণের গৌরব অর্জন করেন। ১৫ মার্চ, ২০১৯ তারিখে ভারতের দেরাদুনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জর্জ ডকরেল, জেমস ক্যামেরন-ডাউ, জেমস ম্যাককলাম ও স্টুয়ার্ট পয়েন্টারের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ টেস্টে ৪ ও ৪ রান তুলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/৭৭ ও ১/৩৫ লাভ করেন। ঐ খেলায় তাঁর দল ৭ উইকেটে পরাজিত হয়। প্রতিপক্ষীয় রহমত শাহের ৯৮ ও ৭৬ রানের বদৌলতে তাঁর দল ৭ উইকেটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল।

২০১৯ সালে উইলিয়াম পোর্টারফিল্ডের নেতৃত্বাধীন আইরিশ দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২৪ জুলাই, ২০১৯ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের প্রথম ও সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ০/৪৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ১১ ও ০ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে স্টুয়ার্ট ব্রডের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। জ্যাক লিচের অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে ঐ টেস্টে তাঁর দল ১৪৩ রানে পরাজয়বরণ করেছিল।

২০২৩-২৪ মৌসুমে অ্যান্ডি বালবির্নি’র অধিনায়কত্বে সিরিজের একমাত্র টেস্ট খেলতে দলের সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে আবুধাবির টলারেন্স ওভালে ৬০ রান খরচ করলেও কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। এছাড়াও, প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ৩৮ রান সংগ্রহ করে দলের ৬ উইকেটের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়ের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে আইরিশ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জিম্বাবুয়ে সফরে যান। ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। কয়েকবার ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৮৬ রান অতিক্রম করেন। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ৯০* ও ১৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। পাশাপাশি, ৩/৫৯ ও ১/৬৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, তাঁর অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া সাফল্যে সফরকারীরা ৬৩ রানে জয়লাভ করে। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২৫-২৬ মৌসুমে অ্যান্ডি বালবির্নি’র নেতৃত্বাধীন আইরিশ দলের সদস্যরূপে বাংলাদেশ গমন করেন। ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টে তিনি ০ ও ২১ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে তাইজুল ইসলামের শিকারে পরিণত হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৬/১০৯ ও ১/৮২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। মুশফিকুর রহিমের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে খেলায় তাঁর দল ২১৭ রানে জয় পেয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

Similar Posts

  • | |

    বিজয় দাহিয়া

    ১০ মে, ১৯৭৩ তারিখে দিল্লিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান-উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে ব্যাটিংকর্মে অগ্রসর হতেন। ২০০০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দৃষ্টিনন্দন খেলা উপহারের তুলনায় নিজেকে গুটিয়ে রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি মারকুটে ব্যাটিং করতেন না কিংবা নিজস্ব ভঙ্গীমায়ও তেমন দর্শনীয় খেলতেন না। তাসত্ত্বেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাথে…

  • |

    বিল প্লেল

    ১ ডিসেম্বর, ১৯৩৮ তারিখে মানাওয়াতুর পালমারস্টোন নর্থ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান ছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৫৬-৫৭ মৌসুম থেকে ১৯৬৭-৬৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে অকল্যান্ড…

  • | |

    হ্যান্স এবলিং

    ১ জানুয়ারি, ১৯০৫ তারিখে ভিক্টোরিয়ার অ্যাভোকা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্র্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২৩-২৪ মৌসুম থেকে ১৯৩৭-৩৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ১৯২৮-২৯…

  • | |

    মরিস টেট

    ৩০ মে, ১৮৯৫ তারিখে সাসেক্সের প্রিস্টন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট, ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘চাবি’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। পিতা ফ্রেড টেট ইংল্যান্ডের পক্ষে খেলেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সাসেক্স দলের…

  • |

    উইলিয়াম সলোমন

    ২৩ এপ্রিল, ১৮৭২ তারিখে কেপ কলোনির ফোর্ট বিউফোর্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৮৯০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৮৯২-৯৩ মৌসুম থেকে ১৯০৫-০৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ইস্টার্ন…

  • |

    শুভাগত হোম

    ১১ নভেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটিংয়ের দিকেই অধিক মনোনিবেশ ঘটান। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। পাশাপাশি কার্যকর অফ-ব্রেক বোলিং করে থাকেন। ২০১০-এর দশকে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল স্তরে অংশ নিয়েছেন। ২০০৯-১০ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী ক্রিকেটে মধ্যাঞ্চল, ঢাকা বিভাগ ও রাজশাহী বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বরিশাল…