২১ মার্চ, ১৯৪৯ তারিখে ব্রিটিশ গায়ানার পোর্ট মোর‍্যান্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

ইন্দো-গায়ানীয় বংশোদ্ভূত ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ব্যাটসম্যান। টেস্ট ক্রিকেটে যে ছোটখাটো গড়নের অধিকারীরাও সুন্দর খেলা উপহার দিতে পারেন তা ইতিবাচক প্রমাণ করে ছেড়েছেন। ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে ক্রিজে অবস্থান করে ভারসাম্য বজায় রেখে উভয় পায়ের কারুকাজে চতুর্পার্শ্বে দর্শনীয়ভাবে বামহাতে স্ট্রোকের ফুলঝুড়ি ছোটাতেন। ঐ প্রজন্মের দীর্ঘদেহী বোলারদের বিপক্ষে রুখে দাঁড়িয়েছেন। তুলনামূলকভাবে ইংল্যান্ডের নমনীয় পিচে অধিকতর সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন।

১৯৬৬-৬৭ মৌসুম থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে গায়ানা, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে কুইন্সল্যান্ড এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ওয়ারউইকশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৬৬ সালে ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে অংশ নিয়ে ঝড় তুলেন। ১৭ বছর বয়সে গায়ানার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। মার্চ, ১৯৬৭ সালে শেল শীল্ডে উইন্ডওয়ার্ডসের বিপক্ষে গায়ানার সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নেন।

১৯৭১ সালে ওয়ারউইকশায়ারের দ্বিতীয় একাদশে অংশ নিয়ে পুঞ্জীভূত প্রতিভা বিকাশে অগ্রসর হন। ওয়ারউইকশায়ারের পক্ষে বেশ কয়েকটি সফলতম মৌসুম অতিবাহিত করেছিলেন। ক্লাবের পক্ষে বিশ বছর অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৪ সালে অক্সফোর্ডশায়ারের বিপক্ষে মাইনর কাউন্টির খেলায় ২০৬ রান সংগ্রহের পাশাপাশি ৬/৩২ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন।

১৯৮১-৮২ মৌসুম থেকে ১৯৮৩-৮৪ মৌসুম পর্যন্ত তিন বছর ট্রান্সভাল দলের বেনসন এন্ড হেজেস ফ্লাডলিট কাপে ট্রান্সভালের টানা শিরোপা জয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে চার বছর অরেঞ্জ ফ্রি স্টেটের পক্ষে খেলেন। এছাড়াও, ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে কুইন্সল্যান্ডের পক্ষে খেলেছিলেন।

১৯৭২ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বমোট ৬৬ টেস্ট ও ৩১টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৭১-৭২ মৌসুমে নিজ দেশে গ্রাহাম ডাউলিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ৬ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। টনি হাওয়ার্ড ও জিওফ গ্রীনিজের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তাৎক্ষণিক সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। গায়ানার জর্জটাউনে অনুষ্ঠিত ঐ টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এছাড়াও, ০/১৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে ফলাফলবিহীন অবস্থায় সিরিজটি অগ্রসর হতে থাকে।

পরের টেস্টে আরও একটি শতরানের সন্ধান পান। ২০ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সিরিজের চূড়ান্ত ও পঞ্চম টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের সন্ধান পান। টেস্টে পূর্বতন ১০০ রানকে অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১০১ ও ১৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। অবশ্য, খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় শেষ হয়। এ সিরিজের মাধ্যমেই বর্ণাঢ্যময় খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। অভিষেকের পর থেকে পরবর্তী এক দশক বিশ্ব ক্রিকেট অঙ্গনে একাধিপত্য বজায় রাখা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের নিয়মিত সদস্যের মর্যাদা পান।

৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে প্রথমবারের মতো খেলেন। তবে, ৬৮ বল থেকে ২৬ রান তুলে নিজ নামের প্রতি সুবিচার করেননি। অবশ্য, ওভালে পরের খেলায় ৫৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের উত্তরণে ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৭৫ ও ১৯৭৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার প্রথম দুই আসরের শিরোপা বিজয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের পক্ষে খেলেছিলেন। তন্মধ্যে, ১৯৭৫ সালের প্রুডেনশিয়াল বিশ্বকাপে পাঁচ খেলা থেকে ৪৯.২৫ গড়ে ১৯৭ রান পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭৮ রানের মনোমুগ্ধকর ইনিংস খেলেন। ১৯৭৯-৮০ মৌসুমে বেনসন এন্ড হেজেস বিশ্ব সিরিজ কাপে নয় খেলায় অংশ নিয়ে ৫০.১৭ গড়ে ৩০১ রান তুলেন।

১৯৭৩-৭৪ মৌসুমে পোর্ট অব স্পেনে বিতর্কের কবলে পড়া টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মনোমুগ্ধকর ১৫৮ রান তুলেছিলেন। ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে অনুষ্ঠিত ঐ টেস্টে ১৪২ রানে থাকাকালীন বার্নার্ড জুলিয়েন সিলি পয়েন্ট অঞ্চলে টনি গ্রেগের প্রথম দিনের শেষ বল ঠেলে দিলে প্যাভিলিয়নমুখী হন ও ক্রিজে ফিরে আসেননি। টনি গ্রেগ স্ট্যাম্পে বল লাগান ও ডগলাস স্যাং হিউ রান-আউটের ঘোষণা দেন। তবে, পরদিন সফরের ভারসাম্য বজায় রাখতে পুণরায় তাঁকে খেলার সুযোগ দেয়া হয়। পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া ঐ সিরিজে ৫৬.৭১ গড়ে ৩৯৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন।

১৯৭৪-৭৫ মৌসুমে দলের সাথে ভারত গমন করেন। এ সফরে স্পিন বোলিংয়ের উপর কর্তৃত্ব আরোপ করে ৫৬.৭৫ গড়ে ৪৫৪ রান তুলেছিলেন। ব্যাঙ্গালোরে শতক হাঁকানোসহ তিনটি অর্ধ-শতরানের সন্ধান পেয়েছিলেন।

১৯৭৬ সালে নিজ দেশে বিষেন বেদী’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৭ এপ্রিল, ১৯৭৬ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ১০৩* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ছয় উইকেটে পরাজয়বরণ করলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতা চলে আসে।

একই বছর ইংল্যান্ড সফরে যান। কাঁধে গুরুতর আঘাতের ফলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়ে। ফলে, পুরো বছর ক্রিকেট বল ছোড়া থেকে নিজেকে বিরত রাখেন। তবে, পুরোপুরি আরোগ্য লাভের ফলে স্বাভাবিকভাবেই বল ছুঁড়তে পারতেন। ১৯৮০ সালের শরৎকালে ইংল্যান্ড সফরে রান খরায় ভুগেন। এরপর থেকেই হাতেগোনা কয়েকটি টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পান।

খেলোয়াড়ী জীবনের শেষদিকে নিজেকে আরও বিতর্কের মধ্যে ঠেলে দিতে পারতেন। ক্যারি প্যাকারের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেটে অংশ নেয়ার চেষ্টা চালান। কিন্তু, চুক্তির বিষয়টি কুইন্সল্যান্ড রেডিও স্টেশন থেকে সম্প্রচার করা হলে তিনি অস্বীকার করেন। ক্লাইভ লয়েড বিশ্ব ক্রিকেট সিরিজে অংশ নিলে শূন্যতা পূরণে ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে এলোমেলো হয়ে পড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত হন। মার্চ, ১৯৭৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলকে নেতৃত্ব দেন। তবে, ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত নয় টেস্টে দলকে পরিচালনা করে মিশ্র সফলতা পান। মাত্র একটিতে জয় পায় ও দুইটিতে পরাজয়বরণ করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল।

৩১ মার্চ, ১৯৭৮ তারিখে জর্জটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ০ ও ২২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর দল ৩ উইকেটে পরাজিত হলেও স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে। এপ্রিল, ১৯৭৮ সালে সেন্ট লুসিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটিমাত্র ওডিআইয়ে নেতৃত্ব দিলেও পরাজিত হয়। তাসত্ত্বেও, স্বীয় অভিজ্ঞতা ও প্রভাব বিস্তারে ক্রিকেটের ইতিহাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের কঠিনতম সময় ও অস্থিতিশীলতা মোকাবেলা করে অপরিসীম ভূমিকা রেখেছিলেন।

১৯৮১ সালে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া দক্ষিণ আফ্রিকায় অনানুষ্ঠানিক সফরে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে বিতর্কের কবলে পড়েন। এর বিরূপ প্রতিক্রিয়াস্বরূপ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড আজীবন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। ফলশ্রুতিতে, বর্ণাঢ্যময় খেলোয়াড়ী জীবনের আকস্মিক সমাপ্তি ঘটে। খেলোয়াড়ী জীবনের বাদ-বাকী সময় দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে অরেঞ্জ ফ্রি স্টেট ও ট্রান্সভালের পক্ষে খেলেছিলেন।

তবে, ১৯৮৩ সালে ডব্লিউআইসিবি কর্তৃপক্ষ দলে ফিরে আসার লক্ষ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু, তুখোড় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হিসেবে তিনি এ প্রস্তাবনা ফিরিয়ে দেন। কেননা, তিনি মনে করতেন যে, দক্ষিণ আফ্রিকা যাবার ফলে কোন ভুল করেননি। এছাড়াও, সর্বদাই অর্থকে প্রাধান্য দেননি।

টেস্ট অভিষেকের পর উপর্যুপরী দুই টেস্টে শতক হাঁকানোর গৌরব অর্জন করেন। এক ইনিংসে অসাধারণ বোলিং করেন। কোন রান খরচ না করেই উইকেট পেয়েছিলেন। ঐ ইনিংসে তিনি ১/০ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করিয়েছিলেন। এছাড়াও, অনিন্দ্যসুন্দর কীর্তির সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। একাধারে ২৮টি ওডিআইয়ে ব্যাটিং করে কোনবারই শূন্য রান সংগ্রহ করেননি। বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট তারকা ডেনিস লিলি’র ১০ বল থেকে ৪, ৪, ৪, ৪, ৪, ১, ৪, ৬, ০ ও ৪ রান তুলে বীর বনে যান।

অস্ট্রেলিয়া ও ভারতীয় বোলিংয়ের বিপক্ষে প্রাধান্য বিস্তার করেছিলেন। মার্চ, ১৯৭৮ থেকে জানুয়ারি, ১৯৮০ সালের মধ্যে চারটি শতকসহ ৫৩.৭৬ গড়ে ১১৪৮ রান পেয়েছিলেন। তন্মধ্যে, ১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৮৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন।

১৯৭৯-৮০ মৌসুমে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮০ তারিখে ডুনেডিনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি উভয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। সফরকারীরা ১ উইকেটে নাটকীয়ভাবে পরাভূত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৮০-৮১ মৌসুমে ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের অন্যতম সদস্যরূপে পাকিস্তান গমন করেন। ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৮০ তারিখে মুলতানে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। খেলায় তিনি ১৮ ও ১২* রান সংগ্রহ করেছিলেন। ভিভ রিচার্ডসের দূর্দান্ত শতক সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। অন্যদিকে, ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮১ তারিখে কিংসটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ওডিআই খেলেছিলেন। টেস্টগুলো থেকে দুইটি শতরান সহযোগে ৪৪.৪৩ গড়ে ৪৩৯৯ রান সংগ্রহ করেছেন।

১৯৯০ সাল পর্যন্ত ওয়ারউইকশায়ারের পক্ষে খেলে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর, ওয়ারউইকশায়ার ক্লাবের পরামর্শক ও কোচ হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৯৯ সালে কেনিয়া ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে নিযুক্তি লাভ করেন। ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত ছিলেন। ২০১৪ সালে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর তরুণদেরকে প্রশিক্ষণ দেন। ১৯৮৩ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননায় ভূষিত হন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। স্বীয় ভ্রাতা ডিআই কালীচরণ ও পুত্র রোহন কালীচরণ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ভ্রাতৃষ্পুত্র মহেন্দ্র নাগামুতু ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে লেগ-ব্রেক বোলার হিসেবে সর্বোচ্চ স্তরের ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

Similar Posts

  • | | |

    জন ইনভেরারিটি

    ৩১ জানুয়ারি, ১৯৪৪ তারিখে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার সুবিয়াকো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, প্রশাসক ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৬২-৬৩ মৌসুম থেকে ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনে সরব ছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার…

  • | |

    মার্ক ডেকার

    ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে ম্যাশোনাল্যান্ডের গাটুমা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে মিডিয়াম কিংবা স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। খাঁটিমানসম্পন্ন শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান ও কভার অঞ্চলে চমৎকার ফিল্ডার হিসেবে নিজেকে উপস্থাপনায় সচেষ্ট ছিলেন। টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণ…

  • |

    টিচ কর্নফোর্ড

    ২৫ ডিসেম্বর, ১৯০০ তারিখে সাসেক্সের হার্স্ট গ্রীন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। উইকেটের পিছনে অবস্থান সকল ধরনের বোলিং সামলাতেন। অন্তরঙ্গ বন্ধু এম. ডব্লিউ. টেটের ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং ও এ. ই. আর. জিলিগানের বল থেকে স্ট্যাম্পিং করে তাঁদেরকে অনেকগুলো উইকেট লাভে পরোক্ষ…

  • | |

    মোহাম্মদ হাফিজ

    ১৭ অক্টোবর, ১৯৮০ তারিখে পাঞ্জাবের সারগোদায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং কর্মে অগ্রসর হন। পাকিস্তান দলের পক্ষে সকল স্তরের ক্রিকেটে অংশ নেয়াসহ অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। সচরাচর আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি কৌশলগতভাবে প্রয়োজনমাফিক রক্ষণাত্মক ঢংয়েও অগ্রসর হয়ে থাকেন। পাকিস্তান দলের অন্যতম অনুসঙ্গ তিনি। বেশ কয়েকবার বোলিং…

  • | | | |

    ইয়ান হিলি

    ৩০ এপ্রিল, ১৯৬৪ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের স্প্রিং হিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, প্রশাসক ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যানের দায়িত্ব পালন করতেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ডানহাতে মাঝারিসারিতে নিচেরদিকে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৬-৮৭ মৌসুম থেকে ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া…

  • |

    তানভীর আহমেদ

    ২০ ডিসেম্বর, ১৯৭৮ তারিখে কুয়েত সিটিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০১০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটে। এরপর থেকে করাচীর বিভিন্ন দলে অংশ নেন। ১৯৯৯-২০০০ মৌসুম থেকে ২০১৩-১৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী…