৬ নভেম্বর, ১৯১৯ তারিখে ওয়াইকাতোর মরিন্সভিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন আর.এন.জেড.এ.এফে যুক্ত ছিলেন। হ্যামিল্টনে সপ্তম এয়ার ট্রেনিং কোর স্কোয়াড্রন গঠনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এম.বি.ই. পদবীতে ভূষিত হন। ১৯৫৪-৫৫ মৌসুম থেকে ১৯৬২-৬৩ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে হ্যামিল্টন ও ওয়াইকাতো ক্লাবের সদস্য ছিলেন। প্লাঙ্কেট শীল্ড প্রতিযোগিতায় প্রথমে অকল্যান্ড ও পরবর্তীতে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৯৫৬ সালে সব মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দুইটি টেস্ট খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে নিজ দেশে প্রথমবারের মতো টেস্ট ক্রিকেট খেলেন। ঐ মৌসুমে ডেনিস অ্যাটকিনসনের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। সফরকারীদের বিপক্ষেই টেস্টগুলো খেলার সুযোগ পান। ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ তারিখে ডুনেডিনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ২/৭৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ১* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হয়েছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৭১ রানে পরাভূত হলে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।
একই সফরের ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১/৫১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ০ ও ১* রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৬৪ রানে পরাভূত হলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৯৭২-৭৩ মৌসুম পর্যন্ত ক্রিকেট খেলেন। কিন্তু, অক্টোবরে হৃদযন্ত্রক্রীয়ায় আক্রান্ত হলে খেলা ছেড়ে দেন। ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭৩ তারিখে ওয়াইকাতোর হ্যামিল্টনে ৫৩ বছর ৭৯ দিন বয়সে আকস্মিকভাবে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
