|

আইনস্লে এনডোভু

২৬ জানুয়ারি, ১৯৯৬ তারিখে মাতাবেলেল্যান্ডের বুলাওয়েতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। দলে মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

ডোমিনিকান কনভেন্ট হাই স্কুলে (ডিএইচএস) অধ্যয়ন করেছেন। ২০১৪-১৫ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে মাতাবেলেল্যান্ড তুস্কার্স দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। এছাড়াও, আমাখোসি ও ডলফিন্স একাডেমির পক্ষে খেলেছেন।

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত লোগান কাপের ২০১৪-১৫ মৌসুমের আসরে ম্যাশোনাল্যান্ড ঈগলসের বিপক্ষে মাতাবেলেল্যান্ড তুস্কার্সের সদস্যরূপে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে জিম্বাবুয়ের পক্ষে আফ্রিকা টি২০ কাপের মাধ্যমে টি২০ ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ডিসেম্বর, ২০২০ সালে লোগান কাপের ২০২০-২১ মৌসুমের আসরে তুস্কার্সের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন।

২০১৯ সাল থেকে জিম্বাবুয়ের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০১৮-১৯ মৌসুমে সংযুক্ত আরব আমিরাত দল জিম্বাবুয়ে সফরে আসে। এ সফরকে ঘিরে এপ্রিল, ২০১৯ সালে জিম্বাবুয়ের একদিনের দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভূক্ত হন। তবে কোন খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি। জুন, ২০১৯ সালে নেদারল্যান্ডস গমনার্থে জিম্বাবুয়ে দলের সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। ১৯ জুন, ২০১৯ তারিখে ডেভেন্টারে সিরিজের প্রথম ওডিআইয়ে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ওডিআই অভিষেক হয়। টবিয়াস ভিসিকে প্রথম বলেই বিদেয় করেন। এরফলে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে ২৬তম বোলার হিসেবে ওডিআই অভিষেকে প্রথম বলেই উইকেট লাভের কৃতিত্ব অর্জন করেন।

সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় সিরিজ খেলার উদ্দেশ্যে জিম্বাবুয়ের টি২০আই দলের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিবা-রাত্রির খেলায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি২০আইয়ে অভিষেক ঘটে।

জানুয়ারি, ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০১৯-২০ মৌসুমে ডিমুথ করুণারত্নের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কা দল জিম্বাবুয়ে সফরে আসে। ১৯ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে সফররত শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে অংশ নেন। ব্রায়ান মাদজিঙ্গানিয়ামা, কেভিন কাসুজা ও ভিক্টর নিয়চি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৫ ও ০ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১০৭ রান খরচ করলেও কোন উইকেটের সন্ধান পাননি। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। সফরকারীরা ১০ উইকেটে জয় তুলে নিয়ে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০১৯-২০ মৌসুমে ক্রেগ আরভিনের নেতৃত্বাধীন দলের সদস্যরূপে বাংলাদেশ সফরে যান। ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ০ ও ৪ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/১৭০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। স্বাগতিক দল ইনিংস ও ১০৬ রানের ব্যবধানে জয় পায়।

Similar Posts

  • |

    ইমাম-উল-হক

    ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। ২০১০-এর দশকের শেষদিক থেকে পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। চশমা পরিধান করেন। পাকিস্তানের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান না হলেও সচরাচর ড্রাইভের দিকেই অধিক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। প্রচণ্ড চাপ সামলে নেয়ার ক্ষমতা রাখেন। প্রধান দল নির্বাচক ইনজামামাম-উল-হকের ভ্রাতৃষ্পুত্র হলেও…

  • |

    প্রকাশ ভাণ্ডারী

    ২৭ নভেম্বর, ১৯৩৫ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের দিল্লিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৫০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরে তারকা খেলোয়াড় ছিলেন। রঞ্জী ট্রফি প্রতিযোগিতার একটি খেলায় দ্বি-শতকসহ নয় উইকেট দখল করেছিলেন। অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যে ভাস্বর ছিল তাঁর জীবন। সর্বদাই…

  • | |

    আসিফ মুজতবা

    ৪ নভেম্বর, ১৯৬৭ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন তেমন দর্শনীয় ছিল না। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ২০০৬-০৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    সৌম্য সরকার

    ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৩ তারিখে সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ে পারদর্শী। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পিতার ন্যায় শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হতে চেয়েছিলেন। দর্শনীয় ব্যাটিংশৈলীর অধিকারী ও মিডিয়াম পেস বোলিং করে থাকেন। কিশোর অবস্থাতেই দর্শনীয়ভাবে ব্যাটিং করতে অভ্যস্ত ছিলেন। মিডিয়াম পেস বোলিংয়েও যথেষ্ট…

  • | |

    কার্ল রেকেম্যান

    ৩ জুন, ১৯৬০ তারিখে কুইন্সল্যান্ডের ওন্ডাই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও রাজনীতিবিদ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দলীয় সঙ্গীদের কাছে ‘মক্কা’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। শক্ত মজবুত গড়নের অধিকারী ছিলেন। নিজের সময়কালে অন্যতম কার্যকর ফাস্ট বোলার হিসেবে পরিগণিত হয়েছিলেন। ব্যাটসম্যানদের…

  • | |

    পার্সি চ্যাপম্যান

    ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯০০ তারিখে বার্কশায়ারের দ্য মাউন্ট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ইংল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ওকহামের পর আপিংহামে পড়াশুনো করেন। এখানেই ছাত্র হিসেবে তাঁর অসাধারণ ক্রিকেটার হবার গুণাবলী দৃশ্যমান হয়। ১৯১৫ থেকে ১৯১৯ সময়কালে চার বছর আপিংহাম একাদশে খেলেন। তন্মধ্যে, শেষ দুই…