| |

এইডেন মার্করাম

৪ অক্টোবর, ১৯৯৪ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন ও দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

দুই বছর বয়সে ক্রিকেট সরঞ্জাম উপহার পান। ক্রীড়াপ্রেমী পরিবারে তাঁর জন্ম। বাড়ীতে সর্বদাই ক্রিকেট বল নিয়ে খেলতেন। এরপর থেকে ক্রিকেট ও ফুটবলে অবসর সময় অতিবাহিত করতেন। ২০১০ সালে প্রিটোরিয়া বয়েজ হাইয়ে অধ্যয়নকালীন ফুটবলকে উপেক্ষা করে ক্রিকেটের দিকে ধাবিত হন। ২০১২ সালে ম্যাট্রিকুলেশন সম্পন্ন করেন। ২০১৩ সালে টাকস ক্রিকেট একাডেমিতে যোগ দেন। এ পর্যায়ে ক্রিকেটে মনোনিবেশ ঘটান।

আগ্রাসী প্রকৃতিতে ব্যাটিং করেন। একমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক হিসেবে বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপ ক্রিকেটে শিরোপা বিজয়ের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের পক্ষে খেলেছেন। ২০১৪ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান। এছাড়াও, ঐ প্রতিযোগিতায় ১২৩.৩৩ গড়ে ৩৭০ রান তুলে দলের সর্বাধিক ও সামগ্রীকভাবে তৃতীয় সর্বাধিক রান সংগ্রাহকে পরিণত হন। ফলশ্রুতিতে, ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট পুরস্কার লাভ করেন।

২০১৪-১৫ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নর্দার্নস ও টাইটান্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, পাঞ্জাব কিংস ও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের পক্ষে খেলেছেন। ৯ অক্টোবর, ২০১৪ তারিখে অটশ্রুনে অনুষ্ঠিত সাউথ ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টস বনাম নর্দার্নসের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। প্রতিভাবান উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে নর্দার্নসের পক্ষে খেলতে শুরু করেন। এছাড়াও, ২০১৫ সালে আফ্রিকা কাপ টি২০ প্রতিযোগিতার শিরোপা বিজয়ী নর্দার্নস দলের সদস্য হিসেবে খেলেন। মে, ২০১৭ সালে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা কর্তৃক বর্ষসেরা ঘরোয়া নবাগত পুরস্কারে ভূষিত হন। দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকা দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা জানানো হয়।

২০১৭ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২০১৭-১৮ মৌসুমে নিজ দেশে মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অ্যান্ডিল ফেহলাকওয়াইওয়ের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। নিজের প্রথম টেস্ট ইনিংস থেকে ৯৭ রান তুলেন। ডিন এলগারের সাথে জুটি গড়েন ও রান-আউটে বিদেয় নিলে অল্পের জন্যে শতক হাঁকানো থেকে বঞ্চিত হন। এছাড়াও, দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫ রান সংগ্রহসহ খেলায় তিনটি ক্যাচ ও একটি রান-আউটের সাথে নিজেকে জড়ান। ডিন এলগারের অনবদ্য ব্যাটিং সাফল্যে স্বাগতিকরা ৩৩৩ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই সফরের ৬ অক্টোবর, ২০১৭ তারিখে ব্লোমফন্তেইনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে খেলেন। ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৯৭ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ১৪৩ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। কাগিসো রাবাদা’র অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ২৫৪ রানে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

এরপর, একই সফরের ২২ অক্টোবর, ২০১৭ তারিখে ইস্ট লন্ডনে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেন।

একই মৌসুমে নিজ দেশে বিরাট কোহলি’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৩ জানুয়ারি, ২০১৮ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৮১ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ৯৪ ও ১ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। লুঙ্গি এনগিডি’র অসাধারণ বোলিং সাফল্যে সফরকারীরা ১৩৫ রানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

২০১৭-১৮ মৌসুমে নিজ দেশে টিম পেইনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৩০ মার্চ, ২০১৮ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। কয়েকবার ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১৪৩ রান অতিক্রম করেন। এরপর, দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৭ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ১৫২ ও ৩৭ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে প্যাট কামিন্সের শিকারে পরিণত হন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/০ ও ০/৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ভার্নন ফিল্যান্ডারের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যে স্বাগতিকরা ৪৯২ রানে জয় পেলে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে।

২০২১ সালে প্রথমবারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর ডিন এলগারের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সাথে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ সফরে যান। ১০ জুন, ২০২১ তারিখে গ্রোস আইলেটে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ৬০ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, কুইন্টন ডি ককের অসাধারণ অপরাজিত শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৬৩ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

২০২১-২২ মৌসুমে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে ডিন এলগারের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের সাথে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। খেলায় তিনি ১১৫ ও ৪৭ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। তাঁর অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৮৭ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৫ ও ২ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/২৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ম্যাট হেনরি’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যে সফরকারীরা ইনিংস ও ২৭৬ রানে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

২০২২-২৩ মৌসুমে নিজ দেশে ক্রেগ ব্রাদওয়েটের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। পুরো সিরিজে অসাধারণত্বের পরিচয় দেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে অনুষ্ঠিত সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। খেলায় তিনি ১১৫ ও ৪৭ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। তাঁর অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৮৭ রানে জয় পেলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

একই সফরের ৮ মার্চ, ২০২৩ তারিখে জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৯৬ ও ১৮ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, ০/০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। দলীয় অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা’র অনবদ্য ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২৮৪ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। এ সিরিজে ২৭৬ রান সংগ্রহ করে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২৩-২৪ মৌসুমে নিজ দেশে রোহিত শর্মা’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৩ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২ ও ১০৬ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে মোহাম্মদ সিরাজের শিকারে পরিণত হন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দীকরণে অগ্রসর হন। মোহাম্মদ সিরাজের অসাধারণ বোলিং শৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা তিনদিন বাকী থাকতেই ৭ উইকেটে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হয়। পরবর্তীতে, এ পিচটিকে খেলার অনুপযোগী ঘোষণা করা হয়।

২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে স্প্রিংবককে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশ গমন করেন। ২১ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে মিরপুরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ৬ ও ২০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। কাইল ভেরিনের অসাধারণ শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ৭ উইকেটে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

একই মৌসুমে নিজ দেশে শান মাসুদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। দূর্দান্ত ক্রীড়া নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। খেলায় তিনি ৮৯ ও ৩৭ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ২ উইকেটে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।

একই সফরের ৩ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৭ ও ১৪* রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। রায়ান রিকেলটনের দূর্দান্ত দ্বি-শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয়লাভের পাশাপাশি ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়।

২০২৫ সালে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের চূড়ান্ত খেলায় অংশ নিতে তেম্বা বাভুমা’র নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের অন্যতম সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১১ জুন, ২০২৫ তারিখে লর্ডসে অনুষ্ঠিত অপর প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হন। অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনে অগ্রসর হন। খেলায় তিনি ০ ও ১৩৬ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে উভয় ইনিংসে ১/৫ করে বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ৫ উইকেটে জয়লাভ করলে তাঁর দল শিরোপা বিজয়ী হয়। দূর্দান্ত খেলে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০২৫-২৬ মৌসুমে অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে পাকিস্তান গমন করেন। ২০ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশগ্রহণ করেন। খেলায় তিনি ৩২ ও ৪২ রান সংগ্রহসহ তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, কেশব মহারাজের অসাধারণ অল-রাউন্ড কৃতিত্বে তাঁর দল ৮ উইকেটে জয় পেলে সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ করতে সক্ষম হয়।

Similar Posts

  • |

    ফাহিম আশরাফ

    ১৬ জানুয়ারি, ১৯৯৪ তারিখে পাঞ্জাবের কাসুর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, শেষদিকের ওভারগুলোয় বামহাতে নিচেরসারির মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি (১.৭৮ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। তৌসিফ আহমেদের সান্নিধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাকিস্তানের প্রথমসারির খেলোয়াড় হিসেবে যুক্ত হয়েছিলেন।…

  • | |

    ওয়েস হল

    ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৭ তারিখে বার্বাডোসের গ্লেব ল্যান্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। প্রকৃত মানসম্পন্ন অসাধারণ বোলার হিসেবে অপরিসীম শক্তিমত্তা, একাগ্রতা ও দক্ষতার সুনিপুণ বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছিলেন। এমনকি নিস্তেজ…

  • |

    প্রবীণ কুমার

    ২ অক্টোবর, ১৯৮৬ তারিখে উত্তরপ্রদেশের মীরাটে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। ভারতের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সীমিত ক্ষমতা ও ত্রেতাপরস্তের সংমিশ্রণ ঘটানো হয় তাহলে তাঁকে কেউ ছাঁপিয়ে যেতে পারবে না। সাধারণমানের ভারতীয় মিডিয়াম পেসার হিসেবে খেলতেন। ঘণ্টায় ১২৫ কিলোমিটার গতিবেগে…

  • | |

    বব কুনেছ

    ৫ জানুয়ারি, ১৯৪১ তারিখে নর্থল্যান্ডের হোয়াঙ্গারেই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ বোলারের দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। হোরা হোরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় জীবন শেষ করার পর ১৯৫২ সালে হোয়াঙ্গারেই বয়েজ হাই স্কুলের ইন্টারমিডিয়েট সেকশনে ফর্ম ওয়াইআইয়ে ভর্তি হন। ১৯৫৩…

  • | |

    শাহরিয়ার নাফিস

    ১ মে, ১৯৮৫ তারিখে ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও, বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের মাঝে অসাধারণতার পরিচয় দিয়েছেন। মানসম্পন্ন ব্যাটসম্যানের সন্ধানে ব্যস্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটে আদর্শ প্রতীক হিসেবে তিনি নিজেকে উপস্থাপিত করেছিলেন। স্বল্প সময়ের জন্যে টাইগারদের সর্বাপেক্ষা ধারাবাহিক খেলোয়াড় হিসেবে…

  • |

    কেশব মহারাজ

    ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করে থাকেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত তিনি। পিতা নাটালের পক্ষে উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। নর্থউড বয়েজ হাইয়ে পড়াশুনো করেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে পেস বোলিং করতেন। পরবর্তী…