৩ জানুয়ারি, ১৯৬৩ তারিখে পাঞ্জাবের মান্দি বাহাউদ্দিন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
ভালো-মন্দ মিলিয়ে আমির মালিক তাঁর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ১৯৭৯-৮০ মৌসুম থেকে ২০০১-০২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে পাকিস্তান এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স, পাকিস্তান রেলওয়েজ ও লাহোরের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আর্থার মরিস ও নরি কন্ট্রাক্টরের পর তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে প্রথম-শ্রেণীর অভিষেক খেলার উভয় ইনিংসে শতরান করার কৃতিত্ব প্রদর্শন করেছেন।
১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ সময়কালে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বমোট ১৪ টেস্ট ও সমসংখ্যক ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৭-৮৮ মৌসুমে নিজ দেশে মাইক গ্যাটিংয়ের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ৭ ডিসেম্বর, ১৯৮৭ তারিখে ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ০/১৯ ও ০/২০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করালেও চারটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছেন। এছাড়াও, প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, ক্রিস ব্রডের অসাধারণ শতকের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালেও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা এগিয়ে যায়। নিজস্ব দ্বিতীয় টেস্টে সাত ঘণ্টা ক্রিজে অবস্থান করে ৯৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।
১৯৮৯-৯০ মৌসুমে ভারতের বিপক্ষে উপর্যুপরী শতরান করেন। উইকেট-রক্ষকের চলতি দায়িত্বে থেকে রিচি রিচার্ডসনকে স্ট্যাম্পিং করেছেন। দুই নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলীয় পিটার টেলরের একমাত্র উইকেট পান।
চার বছর দলের বাইরে অবস্থানের পর ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে নিজ দেশে মার্ক টেলরের নেতৃত্বাধীন অজি দলের মুখোমুখি হন। ৫ অক্টোবর, ১৯৯৪ তারিখে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সফররত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ০/১৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ১১ ও ৬৫ রান দলের পরাজয়ে রুখে দাঁড়ান। পাশাপাশি, সেলিম মালিকের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় ও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। এরপর আর তাঁকে খেলানো হয়নি।
